শিরোনাম

পেরুর বিদায়, শেষ ষোলোতে ফ্রান্স

স্পোর্টস ডেস্ক  |  ০১:৫৮, জুন ২২, ২০১৮

পুরো ম্যাচে বেশিরভাগ বল পায়ে ছিল পেরুর, পাস খেলেছে ফ্রান্সের চেয়ে একশোটি বেশি। গোলে শটও নিয়েছে বেশি। তবু কঙ্খিত গোলের দেখা পায়নি। প্রধামার্ধ্ব কিলিয়ান এমবাপের গোলটি ধরে রেখেই তাই দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠে গেছে ফ্রান্স। আর বিদায় নিয়েছে পেরু।

বৃহস্পতিবার (২১জুন) রাতে গ্রুপ-সির গুরুত্বপূর্ণ একটারিনবার্গে পুরো ম্যাচে আধিপত্য ছিল পেরুর। অথচ ১-০ গোলে পরাজিত তারাই। প্রথম ম্যাচে ডেনমার্কের বিপক্ষে একই ধরণের হার ছিল দক্ষিণ আমেরিকান দেশটির। ফরোয়ার্ডরা একের পর এক সুযোগ নষ্ট করেছেন এদিনও, বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে গোলবারও।

খেলা শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ম্যাচ জমে উঠে। ফ্রান্সের সৃষ্টিশীল মধ্যমাঠ বল দখলে নিয়ে ফরোয়ার্ডদের বিপদজনক মুভের পরিস্থিতি তৈরি করে। তবে ৩১ মিনিটে প্রথম সুযোগ আসে পেরুর সামনেই। পাওলো গেরোরোর শট কোনমতে হাঁটু দিয়ে ঠেকিয়ে দেন হুগো লরিস।তার তিন মিনিট পরই ফ্রান্সের সাফল্য। ৩৪ মিনিটে পল পগবার থ্রো পেয়ে ডানপায়ে দারুণ গোল করেন কিলিয়ান এমবাপে। মাত্র ১৯ বছর বয়সে বিশ্বকাপে গোল দিয়ে ইতিহাসে নাম উঠান তিনি। তার চেয়ে কম বয়সে আর কোন ফরাসী বিশ্বকাপে গোল দিতে পারেননি।

গোল খেলেও একদম ভড়কে যায়নি আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার অনুসারী পেরু। বিশেষ করে বিরতির পর বাড়ে তাদের আক্রমণের ধার। ইকেতিন,আকুইনোরা মাঝমাঠের দখল নিয়ে তৈরি করে দেন দারুণ সব আক্রমণ, সারাক্ষণ ব্যতিব্যস্ত করে রাখেন ফরাসী রক্ষণ। তবে কাজের কাজটা করার দায়িত্ব যাদের সেই ফরোয়ার্ডরা এদিনও পাননি নিশানার খোঁজ।

গোলমুখে তাদের বেশিরভাগ গুয়েরো, ফ্লুরেসদের বেশিরভাগ শট গেছে বারের উপর দিয়ে। শেষের মিনিট বিশেক পুরো কোনঠাসাই হয়ে পড়ে ফ্রান্স। দিদিয়ের দেশমকে অকারণে খেলোয়াড় বদল করে খেলার গতি কমানোর কৌশল নিতে হয়। এতে অবশ্যই কাজই হয়েছে। আর ফিরত পারেনি পেরু।

পেরুর শেষ কয়েকটি সুযোগ স্যামুয়েল উমতিতি, ভারানের দের দুর্গে বাধা পেয়ে দুর্বল হয়ে যায়। গোল শোধ করতে না পেরে কেঁদেই মাঠ ছাড়তে হয় তাদের।

২৬ জুন গ্রুপে শেষ ম্যাচে ডেনমার্কের বিপক্ষে খেলবে ফ্রান্স। ওই দিন নিয়মরক্ষার ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে পেরু।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত