শিরোনাম

নওগাঁয় সম্পদে এগিয়ে আব্দুল মালেক

এম আর রকি, নওগাঁ  |  ১৫:৩৭, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৮

নওগাঁ সদর -৫ আসনে আওয়ামীলীগের দুজন প্রার্থী ভোটের মাঠে রয়েছে। সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মরহুম আব্দুল জলিলের ছেলে জেলা আওয়মী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন এবং জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক।

গত ২৮ নভেম্বর তারা দুজনে জেলা রির্টানিং কর্মকতা ও জেলা প্রশাসক মো. মিজানুর রহমানের কাছে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে হলফনামা জমা দিয়েছেন। গত ২ তারিখে যাচাই-বাছাই তাদের মনোনয়নপত্র বৈধতা পেয়েছে।
হলফনামায় নিজাম উদ্দিন জলিল জন তার সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগত্যা ব্যারিস্টার বলে উল্লেখ করেছেন। তার স্থাবর কোনো সম্পদ নেই। তবে তিনি ঋণগ্রস্থ। তার নামে এক্সিম ব্যাংক থেকে ৬ কোটি ৭০ লাখ ২৮ হাজার ৭০৩ টাকা ঋণ নেয়া হয়েছে। তিনি আইন পরামর্শ দিয়ে বছরে আয় করেন ১২ লাখ টাকা ও অন্যান্য থেকে ৪ হাজার ৭৬৭ টাকা।

এছাড়া তার অস্থাবর সম্পদের মধ্যে আছে- নিজ নামে ৭৯ লাখ ২৫ হাজার ১৩৯ টাকা ও অন্যান্য ৪০ হাজার টাকা। অপরদিকে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেয়া মনোনয়নপত্রের সঙ্গে হলফনামায় আব্দুল মালেক নিজেকে বিএসসি পাস বলে উল্লেখ করেছেন। তার কৃষি জমির পরিমাণ চার দশমিক ১৬৫ একর। যার মূল্য ১২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া বাড়ি ভিটা আট কাঠা। যার মূল্য ২৬ লাখ ৭৮ হাজার টাকা। অ্যালোটেড বাড়ির (সমবায় ব্যারাক নওগাঁ) মূল্য ১ লাখ টাকা। তবে তিনি ঋণগ্রস্থ। সন্তানের নিকট দায় ১৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এছাড়া তার স্ত্রীর নামে আছে পাঁচ বিঘা কৃষি জমি।

অস্থাবর সম্পদের ধরনে তিনি উল্লেখ করেছেন, নিজের নগদ টাকা রয়েছে ৯ লাখ ১৪ হাজার ৬৪২ টাকা, স্ত্রীর ২৯ লাখ ২৫ হাজার ৩০০ টাকা। ব্যাংকে জমা আছে এক কোটি ১১ লাখ ৩৯ হাজার ৪১৪ টাকা, স্ত্রীর নামে ২৮ লাখ ৫৫ হাজার ৩০০ টাকা। নিজের একটি জিপ গাড়ির মূল্য ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ৫০ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণালঙ্কার এবং স্ত্রীর নামে ১০০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার থাকলেও মূল্য উল্লেখ করা হয়নি।

নিজের নামে ৫০ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক ও ৫০ হাজার টাকার আসবাবপত্র এবং স্ত্রীর নামে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭০ টাকার ইলেকট্রনিক ও ১ লাখ টাকার আসবাবপত্র রয়েছে বলেও হলফনামায় উল্লেখ করা হয়। হলফনামায় আরও উল্লেখ রয়েছে- কৃষি খাত থেকে তার বার্ষিক আয় ৭০ হাজার টাকা, স্ত্রীর আয় ২৬ হাজার ৫০০ টাকা, ব্যবসা থেকে আয় ৬ লাখ ৬০ হাজার ও ঠিকাদারী থেকে ২১ লাখ টাকা। স্ত্রীর ব্যবসা থেকে আয় ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা। নিজের শেয়ার ও সঞ্চয়পত্র না থাকলেও স্ত্রীর সঞ্চয়পত্র থেকে আয় ১৬ লাখ টাকা।

সংসদ সদস্য হিসেবে পরিতোষিক আয় ৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও কর অব্যাহতি ভাতাদি ১৭ লাখ ২ হাজার ১৫০ টাকা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, মৎস্য থেকে ১২ লাখ ২৫ হাজার টাকা। স্ত্রীর অন্যান্য আয় ১ লাখ ৪০ হাজার ১৩২ টাকা।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত