শিরোনাম

প্রয়োজনে সেনা মোতায়েন করা হবে : সিইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক  |  ২০:০৫, নভেম্বর ০৮, ২০১৮

সিইসি কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, শৃঙ্খলার নিয়ন্ত্রণে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনীর থেকে ৬ লাখ সদস্য থাকবেন। আইনে-শৃ্ঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে অসামরিক প্রশাসনকে যথা প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের জন্য সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন থাকবে।’

বৃহস্পতিবার (০৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশ্যে নির্বাচনী ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

সিইসি নুরুল হুদা বলেন, আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ছয় লাখ সদস্য মোতায়েন করা হবে। একসঙ্গে নির্বাচন পরিচালনার জন্য বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় সাত লাখ কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে। আইনে-শৃ্ঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে অসামরিক প্রশাসনকে যথা প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের জন্য সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন থাকবে।’

তিনি বলেন, নির্বাচন পরিচালনার জন্য বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় সাত লাখ কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। প্রত্যেক নির্বাচনী এলাকায় নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বিভিন্ন বাহিনী থেকে ছয় লাখ সদস্য মোতায়েন করা হবে। তাদের মধ্যে থাকবে পুলিশ বিজিবি, র‌্যাব, কোস্ট গার্ড, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষাবাহিনীর সদস্যগণ।

তাদের দক্ষতা, নিরপেক্ষতা ও একাগ্রতার উপর। বিশেষ দৃষ্টি রাখা হবে। দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার কারণে নির্বাচন ক্ষতিগ্রস্থ হলে দায়ি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রত্যেক নির্বাচনি এলাকায় নির্বাহী এবং বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ােগ দেয়া হবে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৩ ডিসেম্বরে (বৃহস্পতিবার) একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার (০৮ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সময় এই তারিখ জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা।

নির্বাচনে আগ্রহী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ১৯ (সোমবার) নভেম্বর। এরপর আগামী ২২ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করবে নির্বাচন কমিশন। বাছাই শেষে কমিশন যাদের যোগ্য প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করবে, তারা ২৯ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে পারবেন। এরপর ২৩ ডিসেম্বর (রোববার) অনুষ্ঠিত হবে ভোট।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত