শিরোনাম

সিইসির ১৩ মিনিট ২৪ সেকেন্ডের ভাষণে যা আছে

নিজস্ব প্রতিবেদক  |  ১৯:৪৩, নভেম্বর ০৮, ২০১৮

চলতি বছরের ২৩ ডিসেম্বরে (বৃহস্পতিবার) একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার (০৮ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সময় এই তারিখ জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা।

সিইসি জানান, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আগ্রহী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ১৯ (সোমবার) নভেম্বর। এরপর আগামী ২২ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করবে নির্বাচন কমিশন। বাছাই শেষে কমিশন যাদের যোগ্য প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করবে, তারা ২৯ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে পারবেন। এরপর ২৩ ডিসেম্বর (রোববার) অনুষ্ঠিত হবে ভোট।সিইসি নুরুল হুদার ১৩ মিনিট ২৪ সেকেন্ডের এই ভাষণে যা যা আছে তা আমার সংবাদের পাঠকের জন্য হুবহু দেওয়া হলো:-

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা-এর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলদদক্ষে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ।
প্রচারের তারিখ: ০৮ নভেম্বর ২০১৮

প্রিয় দেশবাসী
আসসালামু আলাইকুম।
আমি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘােষণা করার জন্য আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছ। একই সাথে নির্বাচনের প্রস্তুতির ওপর কিছুটা আলােকপাত করবাে। নির্বাচন পরিচালনায় সকল নাগরিকের সহযােগিতার আহ্বান জানাবাে। শুরুতেই আমি স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি। যেসব বীর সন্তান স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছেন, পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, সম্ভ্রম বিসর্জন দিয়েছেন-তাঁদেরকে স্মরণ করছি। স্মরণ করছি ৫২'র ভাষা শহীদদের-যাদের রক্তের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মায়ের ভাষা; অর্জিত হয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। আন্দোলন, আত্মদান আর সংগ্রামের ফসল স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। ভাষা আন্দোলনে আত্মদানের প্রত্যয় নিয়ে স্বাধীকার আন্দোলন। স্বাধীকার আন্দোলনের প্রেরণায় মুক্তি সংগ্রাম। মুক্তিযুদ্ধের শ্রেষ্ঠ অর্জন লাল-সবুজ পতাকার এক খন্ড বাংলাদেশ। চরম ক্ষুধা-দারিদ্র, অবনতকর আর্থ-সামাজিক অবস্থান এবং যুদ্ধ-বিধ্বস্ত ভৌতঅবকাঠামাে নিয়ে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জন্ম। নবীন সে দেশটি আজ উন্নত বিশ্ব অভিমূখ অভিযানে দীপ্তপদে এগিয়ে চলছে। উন্নয়নের আর একটি আরােধ্য সােপানগণতন্ত্রের মজবুত ভিত্তি। সামাজিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির স্থিতিশীল ও দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য অর্জনে উন্নয়ন ও গণতন্ত্রকে সমান্তরাল পথ ধরে অগ্রসর হতে হবে। গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় নির্বাচন একটি নির্ভরশীল বাহন। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন তা এগিয়ে নিয়ে যেতে জনগণের কাছে হাজির হয়েছে। জনগণের হয়ে সব রাজনৈতিক দলকে সে নির্বাচনে অংশ নিয়ে দেশের গণতন্ত্রের ধারা এবং উন্নয়নের গতিকে সচল রাখার আহ্বান জানাই।

প্রিয় দেশবাসী
আমরা একাদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আইন সংস্কার, ভােটার তালিকা প্রস্তুতসহ ৭টি করণীয় বিষয় স্থির করে ২০১৭ সালে একটি কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুত করেছিলাম। সংলাপের মাধ্যমে ৪০টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম প্রতিনিধি, পর্যবেক্ষক সংস্থা, নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ও নারীনেত্রী সংগঠনের কাছে কর্মপরিকল্পনাটি তুলে ধরেছিলাম। তাদের পরামর্শ এবং সুপারিশ বিচার-বিশ্লেষণের পর করণীয় বিষয়গুলাে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। যেমন- কতিপয় আইন ও বিধি সংশােধন করা হয়েছে। সংসদীয় এলাকার সীমানা পুনঃনির্ধারণ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। ভােটার তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। প্রায় ৪০ হাজার ভােটকেন্দ্রের বাছাই কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ৭৫ টি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে। কর্মকর্তাগণের সক্ষমতা অর্জন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চলমান রয়েছে। প্রথমবারের মত পােলিং এজেন্টগণের প্রশিক্ষণ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ২৮ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখের মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন করার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ইতােমধ্যে নির্বাচনের ক্ষণ গণনা শুরু হয়ে গিয়েছে। কমিশনারগণ সংবিধানের আলােকে সংসদ নির্বাচন পরিচালনা করার শফথ নিয়েছেন। এবং তাতে তাঁরা নিবিষ্ট রয়েছেন। নির্বাচনি সামগ্রী ক্রয় এবং মুদ্রণের কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে পারস্পারিক পরামর্শ আদান-প্রদান করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারি নির্বাচনি দায়িত্বে নিবেদিত রয়েছেন। আমাদের প্রস্তুতি সম্পর্কে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেছি।।

প্রিয় দেশবাসী
নির্বাচন পরিচালনার জন্য বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় ৭ লক্ষ কর্মকর্তা নিয়ােগের প্রাথমিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। প্রত্যেক নির্বাচনি এলাকায় নির্বাহী এবং বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ােগ দেয়া হবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বিভিন্ন বাহিনী থেকে ৬ লক্ষাধিক সদস্য মােতায়েন করা হবে। তাদের মধ্যে থাকবে পুলিশ, বিজিবি, র্যাব, কোস্ট গার্ড, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যগণ। তাদের দক্ষতা, নিরপেক্ষতা ও একাগ্রতার উপর। বিশেষ দৃষ্টি রাখা হবে। দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার কারণে নির্বাচন ক্ষতিগ্রস্থ হলে দায়ি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে র্তসামরিক প্রশাসনকে যথা-প্রয়ােনীয় সহায়তা প্রদানের জন্য সশস্ত্র বাহিনী মােতায়েন থাকবে।

প্রিয় দেশবাসী
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে স্বতস্ফুর্ত আগ্রহের জাগরণ ঘটে। তাদের বিপুল উৎসাহ, উদ্দীপনা আর উচ্ছাসে গােটা দেশ উজ্জীবিত হয়ে ওঠে। রাজনীতিবিদদের কৌশল প্রণয়ন, প্রার্থীদের নিধুম প্রচারণা, সমর্থকদের জনসংযােগ, ভােটারদের হিসেব-নিকেশ, হাট-বাজারে মিছিল-স্লোগান, পােস্টারে অলি-গলি ছয়লাব, চা দোকানে বিতর্কের ঝড়, কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, প্রশাসনে রদবদল এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক প্রস্তুতির ঘটনা ঘটে। ভােটের দিনে ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে আবাল-- বৃদ্ধ-বনিতার মধ্যে আনন্দঘন ও উৎসবমূখর পরিবেশ বিরাজ করে। ২০১৮ সাল সেই নির্বাচনের একটি বছর। নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলাে প্রস্তুতি নেয়া শুরু করে দিয়েছে। সুশীল সমাজ মতামত প্রকাশ অব্যাহত রেখেছে। গণমাধ্যমে নির্বাচন বিশেষজ্ঞ এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণের মতামত, বক্তব্য, প্রবন্ধ, প্রতিবেদন, আলােচনা-সমালােচনা ও সুপারিশ প্রকাশ করা হচ্ছে। টেলিভিশন চ্যানেলগুলাে নির্বাচন নিয়ে প্রতিনিয়ত টক-শাে প্রচার করে যাচ্ছে। সব সংবাদ মাধ্যম। নির্বাচন নিয়ে বিশেষ খবর ও প্রতিবেদন প্রচার করছে। দেশের প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ দলগতভাবে অংশগ্রহণমূলক এবং সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরামর্শ নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে সংলাপে মিলিত হয়েছেন। সভা-সমাবেশ নির্বাচনি বক্তব্যে উত্তপ্ত হচ্ছে। দেশি-বিদেশি বহুসংখ্যক সংগঠন নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। দেশব্যাপী সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের অনুকূল আবহ সৃষ্টি হয়েছে।

প্রিয় দেশবাসী
জাতির এমন উচ্ছসিত প্রস্তুতির মধ্যখানে দাঁড়িয়ে আমি প্রত্যাশা করবাে, অনুরােধ করবাে এবং দাবি করবাে: প্রার্থী এবং তার সমর্থক নির্বাচনি আইন ও আচরণ বিধি মেনে চলবেন। প্রত্যেক ভােটার অবাধে এবং স্বাধীন বিবেকে পছন্দের প্রার্থীকে ভােট প্রদান করবেন। স্ব। বন। স্ব স্ব এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং নির্বাচিত প্রতিনিধি/ভােট কেন্দ্রে সুত রিবেশ নিশ্চিত করণে সহায়তা করবেন। পােলিং এজেন্টগণ ফলাফলের তালিকা হাতে না পাওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রে অবস্থান করবেন। নির্বাচনি কর্মকর্তাগণ নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালনে/ অটল থাকবেন। নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটগণ/আইনের প্রয়ােগ নিশ্চিত করবেন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনী ভােট কেন্দ্র, ভােটার, প্রার্থী, নির্বাচনি কর্মকর্তা এবং এজেন্টগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। গণমাধ্যম কর্মী বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশ। করবেন। পর্যবেক্ষকগণ নির্বাচন কমিশনের নীতিমালা মেনে দায়িত্ব পালন করবেন। এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয় সামগ্রিক পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ ও তত্ত্বাবধানের আওতায় রাখবে। এভাবেই সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব হবে।

প্রিয় দেশবাসী
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় জনগণের মালিকানার অধিকার প্রয়ােগের সুযােগ সৃষ্টি হয়; নতুন সরকার গঠনের ক্ষেত্র তৈরী হয়। এমন নির্বাচনে দেশের সব রাজনৈতিক দলকে অংশগ্রহণ করার জন্য আবারাে আহ্বান জানাই। তাদের মধ্যে কোন বিষয় নিয়ে মতানৈক্য বা মতবিরােধ থেকে থাকলে রাজনৈতিকভাবে তা মীমাংসার অনুরােধ জানাই। প্রত্যেক দলকে একে অপরের প্রতি সহনশীল, সম্মানজনক এবং রাজনীতিসুলভ আচরণ করার অনুরােধ জানাই। সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি প্রতিযােগিতাপূর্ণ এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন প্রত্যাশা করি। প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনে প্রার্থীর সমর্থকদের সরব উপস্থিতিতে অনিয়ম প্রতিহত হয়। বলে আমি বিশ্বাস করি। প্রতিযােগিতা এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা যেন কখনও প্রতিহিংসা বা সহিংসতায় পরিণত না হয় রাজনৈতিক দলগুলােকে সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখার জন্য। বিশেষভাবে অনুরােধ জানাই।

প্রিয় দেশবাসী
ভােটার, রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, প্রার্থী, প্রার্থীর সমর্থক এবং এজেন্ট যেন বিনা কারণে হয়রানির শিকার না হন বা মামলা-মােকদ্দমার সম্মুখিন না হন তার নিশ্চয়তা প্রদানের জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকরি বাহিনীর উপর কঠোর নির্দেশ থাকবে। দলমত নির্বিশেষে। সংখ্যালঘু, ক্ষুদ্র নৃ-গােষ্ঠী, ধর্ম, জাত, বর্ণ ও নারী-পুরুষভেদে সকলে ভােটাধিকার প্রয়ােগ করবেন। ভােট শেষে নিজ নিজ বাসস্থানে নিরাপদে অবস্থান করতে পারবেন। নির্বাচনি প্রচারণায় সকল প্রার্থী ও রাজনৈতিক দল সমান সুযোগ পাবে। সকলের জন্য অভিন্ন আচরণ ও সমান সুযােগ সৃষ্টির অনুকূলে নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড” নিশ্চিত করা হবে। এ সব নিয়ে শীঘ্রই প্রয়ােজনীয় পরিপত্র জারি করা হবে।

প্রিয় দেশবাসী
নির্বাচনি ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহারের উপর গুরুত্বারােপ করা হয়েছে। কমিশনের নিজস্ব নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রার্থীদের তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং নির্বাচনের পারিপার্শিক পরিস্থিতি আদান-প্রদান পদ্ধতি সংক্রান্ত সফ্টওয়ার ও প্রােগ্রাম আধুনিক ও যুগােপযােগী করা হয়েছে। সরাসরি অথবা অনলাইনেও মনােনয়নপত্র দাখিলের বিধানও রাখা হয়েছে। পুরাতন পদ্ধতির পাশাপাশি ভােট গ্রহণে ইলেক্ট্রনিক ভােটিং মেশিন বা ইভিএম ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। অনেকগুলাে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নির্বাচনে আংশিক ও পূর্ণাঙ্গ ভােট গ্রহণে ইভিএম ব্যবহার-সফল"হয়েছে জেলা এবং অঞ্চল। পর্যায়ে প্রদর্শনীর মাধ্যমে ইভিএম-এর উপকারিতা সম্পর্কে ভােটারগণকে অবহিত করা হয়েছে। ইভিএম ব্যবহারে তাদের মধ্যে উৎসাহব্যঞ্জক আগ্রহ দেখা গিয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি ইভিএম ব্যবহার করা গেলে নির্বাচনের গুণগত মান উন্নত হবে এবং সময়, অর্থ ও শ্রমের সাশ্রয় হবে। সে কারণে শহরগুলাের সংসদীয় নির্বাচনি এলাকা থেকে দ্বৈবচয়ন প্রক্রিয়ায় বেছে নেয়া অল্প কয়েকটিতে ইভিএম পদ্ধতিতে ভােট গ্রহণ করা হবে।

প্রিয় দেশবাসী
আমি এখন সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২৩ দফা (৩) উপ-দফা (ক)-এর বরাতে এবং নির্বাচন। কমিশনের সিদ্ধান্ত মােতাবেক একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়সূচি ঘােষণা করছি: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। (ক) মনােনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ১৯ (সোমবার) নভেম্বর ২০১৮ (খ) মনােনয়নপত্র বাছাইয়ের তারিখ: ২২ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) (গ) প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ: ২৯ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার)২০১৮ (ঘ) ভােট গ্রহণের তারিখ ২৩ ডিসেম্বরে (বৃহস্পতিবার) ২০১৮।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত