শিরোনাম

এ ধরনের নির্বাচনে অনিয়ম হয়েই থাকে: সিইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক  |  ১৩:২৫, আগস্ট ০৭, ২০১৮

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনে অনিয়ম হবে না, এমন নিশ্চিয়তা দেওয়ার সুযোগ নেই। যেভাবে নিয়ন্ত্রণ করা দরকার, আমরা করব। কোনো অসুবিধা হবে বলেও আমরা মনে করছি না।’

মঙ্গলবার (৭ আগস্ট) ‘প্রতিবন্ধীদের ভোটাধিকার চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক কর্মশালা উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন কে এম নুরুল হুদা।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পাঁচ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এ ধরনের নির্বাচনে অনিয়ম হয়েই থাকে। যেখানে বেশি অনিয়ম হয়েছে সেখানে আমরা বেশি অ্যাকশন নিয়েছি। যেমন-বরিশালে বেশি অনিয়ম হয়েছে। সেখানে আমরা বাড়তি ব্যবস্থা নিয়েছি। নির্বাচনে অনিয়ম হলে যেভাবে নিয়ন্ত্রণ করা দরকার সেভাবে আমরা নিয়ন্ত্রণ করব।’

তিনি বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনে কোনো অসুবিধা হবে বলে আমরা মনে করছি না। তবে পাবলিক নির্বাচনে অনিয়ম হবে না, এমন নিশ্চয়তা দেওয়ার সুযোগ আমার নেই। যেভাবে নিয়ন্ত্রণ করা দরকার, আমরা করব। কোনো অসুবিধা হবে বলেও আমরা মনে করছি না।’

এসময় জাতীয় নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রস্তুতি আছে জানিয়ে সিইসি বলেন, ‘অক্টোবরের শেষের দিকে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। ডিসেম্বরের শেষে অথবা জানুয়ারির শুরুতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কমিশনের সভায় এই তারিখ চূড়ান্ত করা হবে।’ জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে এরই মধ্যে ভোটার তালিকা চূড়ান্ত ও সীমানা নির্ধারণের কাজ শেষ করে এখন কেন্দ্র বাছাইয়ের কাজ চলছে।

ইসির ওপর জাতির আস্থা নেই, ড. কামালের এমন মন্তব্য প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নুরুল হুদা বলেন, ‘ড. কামাল কিভাবে দেখছেন, তা তো আমি জানি না। জাতির কি কোনো পরিসংখ্যান তার কাছে আছে? একটা কথা বলতে হলে জাতির পরিসংখ্যান নিতে হবে। জাতি কি তার কাছে এসে বলেছে যে আমরা জাতি, ইসির ওপর আমরা আস্থা রাখতে পারছি না?’

রাজধানীর রাজপথে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও এর ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতি জাতীয় নির্বাচনে কোনো প্রভাব ফেলবে কিনা, জানতে চাইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, ‘এখন যে পরিস্থিতি রয়েছে, তার সঙ্গে নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই। এটি ভিন্ন ইস্যু। তারা নির্বাচন নিয়ে কোনো কথা বলেনি।’

জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি বিষয়ে তিনি বলেন, ‘প্রস্তুতি আগে থেকেই ছিল। অক্টোবরে তফসিল ঘোষণা হবে। ডিসেম্বরের শেষের দিকে অথবা জানুয়ারির প্রথম দিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। নিয়ম অনুযায়ী জানুয়ারির ২৮ তারিখের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত