শিরোনাম

আমি খুবই সন্তুষ্ট ও আনন্দিত

প্রিন্ট সংস্করণ॥ক্রীড়া প্রতিবেদক  |  ০১:২০, আগস্ট ১০, ২০১৮

সদ্য সমাপ্ত ক্যারিবীয় সফর শেষে দেশে ফিরে দলের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। তিন সিরিজের মধ্যে দুটি ট্রফি জয় এবং সিনিয়রদের পারফরম্যান্সেও স্বস্তির কথা জানিয়েছেন তিনি। বিমানবন্দরে এক প্রশ্নের জবাবে ক্যারিবীয় সফরের প্রাপ্তি নিয়ে সাকিব বলেন, ‘হ্যাঁ, সব মিলিয়ে বলতে গেলে এই ট্যুরটা সফল বলতে হবে। তিনটা ট্রফির মধ্যে দুইটা জিতেছি। দেশের বাইরে তো এরকম রেজাল্ট আমরা করি না সাধারণত। তাই আমি খুবই সন্তুষ্ট ও আনন্দিত। টেস্ট সিরিজে না হলেও ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি সিরিজে ব্যাটে বলে দুর্দান্ত ছিলেন সাকিব। নিজের পারফরম্যান্স নিয়েও তুষ্ট তিনি। সাকিব বলেন, নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে অবশ্যই খুশি। হয়তো আরও অবদান রাখতে পারলে আরও ভালো হতো। ওভারঅল যে ধরনের পারফরম্যান্স হয়েছে তা নিয়ে খুবই আনন্দিত। এদিকে, টাইগারদের দায়িত্ব নিয়ে প্রথম সফরেই সাফল্য পেয়েছেন দলের কোচ রোডস। চন্ডিকা হাথুরুসিংহের বিদায়ের পর প্রধান কোচ ছাড়াই তিনটি সিরিজ খেলেছে টাইগাররা। ঘরের মাঠে ত্রিদেশীয় সিরিজ ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ, শ্রীলঙ্কার মাটিতে নিদাহাস ট্রফি ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে টাইগারদের প্রধান কোচ না থাকলেও ছিল ভারপ্রাপ্ত কোচ। অপরদিকে, এবারের ক্যারিবীয় সফরের শুরুটা ছিলো অনেকটা দুঃস্বপ্নের মতো। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছিলো বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। এরপর অবশ্য দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছে। পরপর দুটি বড় সাফল্য পেয়ে এখন বেশ উজ্জীবিত, অনুপ্রাণিত গোটা দল। যেটা সেপ্টেম্বরের এশিয়া কাপে কাজে দেবে বলে মনে করেন টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব। এই সফরেই দেশের বাইরে ৯ বছর পর দ্বিপক্ষীয় ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। ক্রিকেটের ক্ষুদ্রতম সংস্করণের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে ৬ বছর পর দেশের বাইরে জিতেছে দ্বিপক্ষীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজও। দেশের বাইরে এক সফরে এত সাফল্য বাংলাদেশ খুব কমই পেয়েছে। পুরো সফরে নিজেদের পারফরম্যান্স নিয়ে তাই সন্তুষ্ট সাকিব। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ সফর শেষে গতকাল সকালে দেশে ফিরেছে মাহমুদুল্লাহরা। এ সফরে টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর সাকিবের নেতৃত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠে গিয়েছিল। তবে টি-টোয়েন্টি সিরিজে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। ব্যাটে-বলে দারুণ পারফরম্যান্স করে হয়েছেন সিরিজের সেরা খেলোয়াড়ও। নিজেরসহ সিনিয়রদের পারফরম্যান্স নিয়ে খুশি সাকিব, নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে অবশ্যই খুশি। হয়ত আরো অবদান রাখতে পারলে আরো ভালো হতো। সব মিলিয়ে যে ধরনের পারফরম্যান্স হয়েছে, তা নিয়ে খুবই আনন্দিত। পুরো সফরে অবশ্য সিনিয়ররাই ছিলেন দলের মূল ভরসা। তরুণরা সেভাবে অবদান রাখতে পারেননি। দলের ৭১ শতাংশ রানই করেছে সিনিয়ররা। এ নিয়ে সাকিব বলেন, যাদের নাম বললেন আমরা ব্যাট করি ওপরের দিকে। ব্যাট করার সুযোগটা বেশি পাই, স্বাভাবিকভাবে অবদান রাখার সুযোগ আমাদেরই থাকবে এবং আমাদেরই করা উচিত। সে কারণে আমাদের অবদানের পারসেন্টেজ বেশি হয়। সীমিত পরিসরে পরপর দুটি সিরিজ জিতে দলের সবার আত্মবিশ্বাস এখন তুঙ্গে, যা এশিয়া কাপে কাজে দেবে বলে বিশ্বাস সাকিবের, আসলে সবার আত্মবিশ্বাস অনেক উঁচুতে। বিশেষ করে এরকম একটা ভালো সিরিজের পর আমি বিশ্বাস করি, এখান থেকে হয়ত নতুন কিছু করার দিকে চিন্তা করতে পারি। যেটা আমাদের সামনে এশিয়া কাপে অনেক কাজে দেবে।
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত