শিরোনাম

‘এ রায় সরকারের ইচ্ছার প্রতিফলন’

নিজস্ব প্রতিবেদক  |  ১৭:৪৫, অক্টোবর ১১, ২০১৮

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার রায় নিয়ে দৈনিক আমার সংবাদের সাথে একান্ত আলাপে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, আমরা এখন এমন দুর্ভাগ্য পর্যায়ে চলে গিয়েছি এখন আইনের চোখে কিছুই হয় না। সব কিছুতে সরকারের ইচ্ছার প্রতিফলন হয়। এ মামলাতেও তাই হয়েছে। সরকারের ইচ্ছার রায় হয়েছে। তবে উচ্চ আদালতে এ সাজা বহাল থাকবে না বলে মনে করেন জ্যেষ্ঠ এই আইনজীবী।

খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা একটি বর্বরোচিত মামলা। আমরা আশা করেছিলাম যারা প্রকৃত দোষী তাঁদের উপযুক্ত সাজা হবে। জনগণ এ সরকারকে অভিনন্দন জানাবে। কিন্তু সেটি হয়নি।

২০০৪ সালের সেই ঘটনায় যখন চার্জশীট দাখিল হয় তখনো তারেক জিয়াসহ অনেকের নাম ছিলো না। ২০০৮ সালে ৬১ জনের চূড়ান্ত সাক্ষিতেও তারেক জিয়ার নাম আসেনি। হঠাৎ করে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে ফের তদন্তের নামে এ মামলাটিকে বিতর্কিত করে। আওয়ামী লীগ মামলাটি রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছে। তারেক রহমানসহ বিএনপি নেতাদের এ মামলা জড়ান। এরপর যাদেরকে আওয়ামী লীগ এ মামলায় সাক্ষির জন্য এনে স্বীকারোক্তি আদায় করেছে। তাঁদের প্রত্যেকের জবানবন্দি ছিলো এমন... আমরা দেখেছি, শুনেছি। প্রত্যেকে শোনা কথা আদালতে এসে বলেছেন। সন্দেহের ভিত্তিতে কোনো সাক্ষ্যে আইনে গ্রহণযোগ্য নয়।

খন্দকার মাহবুব হোসেন আরো বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাটি শেষ পর্যায়ে এসে রাজনৈতিক গন্ধে মিশ্রিত হয়েছে। জোর করে মুফতি হান্নানের মাধ্যমে লিখিত স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়েছে। আইনের বিধান অনুযায়ী স্বীকারোক্তির আলোকে শুধু তাকেই (মুফতি হান্নানকে) সাজা দেয়া যায়। মুফতি হান্নানের স্বীকারোক্তি দ্বারা অন্য কাউকে সাজা দেয়া যায় না। এইটাই আইনের বিধান। কিন্তু সেটার প্রতিফলন হয়নি। উচ্চ আদালতে আপিলের মাধ্যেমে নির্দোষ ব্যক্তিরা মুক্তি পাবে বলে বিশ্বাস করেন দেশের জ্যেষ্ঠ এই আইনজীবী।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত