শিরোনাম
নিবন্ধন দুর্নীতিতে পৌনে ৪ লাখ টাকার সিএনজির দাম ১৮ লাখ

বছরে ৯১০ কোটি টাকা লুটছে মালিক-চালকরা

প্রিন্ট সংস্করণ॥নুর মোহাম্মদ মিঠু  |  ১৬:১৭, জুন ২৬, ২০১৯

*ক্ষমতার পালাবদলেও বহাল অনিয়ম-দুর্নীতি
*মালিক ও পুলিশের সিএনজি সিন্ডিকেটে সরকার হারাচ্ছে কোটি কোটি টাকা
*নীতিমালার বাস্তবায়নহীনতায় ভাড়াসহ সংশ্লিষ্ট খাতে নৈরাজ্য
*৯৮ ভাগ চালকই যাত্রী বহন করছে চুক্তিতে
*শুরুই যার অনিয়মে, ঠিক হবে কি করে- সিএনজি ব্যবসায়ী সমিতি
*সিন্ডিকেটে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস
*সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বন্ধের দাবি যাত্রীকল্যাণ সমিতির

সিএনজি অটোরিকশা ক্রয়-বিক্রয় ও নিবন্ধনে যেন চলছে দিন-দুপুরের ডাকাতি। যে সিএনজির দাম পৌনে ৪ লাখ টাকা সে সিএনজি অটোরিকশা নিবন্ধনের বেড়াজালে পড়ায় ঢাকার ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে ১৮ লাখ টাকা এবং চট্টগ্রামে তা ১২ লাখ টাকা।

সড়ক পরিবহন খাতে যত অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও বিশৃঙ্খলা রয়েছে অটোরিকশা নিবন্ধন নবায়ন তার একটি। বিএনপি সরকার আমলে পুরনো বেবিট্যাক্সি বাতিল করে সিএনজিচালিত অটোরিকশা আমদানির অনুমতি দিলেও দুর্নীতির কবলে পড়ায় ২০০৪ সালে তা বন্ধও করা হয়।

২০১৫ সালে ঢাকায় পুরনো মিশুকের পরিবর্তে প্রায় দুই হাজার অটোরিকশার অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ)। সেই অনুমোদন প্রক্রিয়াতেও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় বন্ধ হয়ে যায় নিবন্ধন প্রক্রিয়া। এরপর থেকেই মেয়াদ শেষে একই মালিকের নামে আবার নতুন অটোরিকশার নিবন্ধন দেয়া হচ্ছে।

সিএনজি অটোরিকশা আমদানি ও নিবন্ধন দুর্নীতি যাত্রীসাধারণের ওপর নির্যাতনের অন্যতম মাধ্যমে পরিণত হয়েছে বলে মনে করছেন অনেকেই। ২০০২ সালে ২ লাখ টাকার বেবিট্যাক্সি বিক্রি করা হয়েছিল ৪-৫ লাখ টাকায়। সে কেলেঙ্কারিতে জড়িতরাও কেউ ক্ষমতার পাদপীঠে নেই।

আগে নিবন্ধনের নামে ক্রেতার কাছ থেকে যে পরিমাণ অর্থ নেয়া হতো, এখন কয়েকগুণ বেশি নেয়া হচ্ছে। আর এর দায় শেষ পর্যন্ত যাত্রীসাধারণের ওপরই বর্তাচ্ছে। নিবন্ধনের জন্য বেশি অর্থ দিতে হয় বলেই মালিকরা চালকের কাছ থেকে বেশি ভাড়া আদায় করছেন। আর চালক সেটি তুলে নেন যাত্রীর কাছ থেকে।

সরকার-নির্ধারিত ভাড়া কোথাও মানা হচ্ছে না। এ নিয়ে সচেতন মহলের ভাষ্য- ক্ষমতার পালাবদলেও যেন অনিয়ম-দুর্নীতি বহাল। আর যাত্রীকল্যাণ সমিতি বলছে- এ অনৈতিক কাজ বন্ধ না করা হলে এ খাতে দুর্নীতি বাড়তেই থাকবে।

নিবন্ধন দুর্নীতির কারণে একশ্রেণির অটোরিকশার মালিক লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এতে শুধু সরকার-সমর্থক পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারাই জড়িত নন বরং বিআরটিএর একশ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও জড়িত রয়েছে।

সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালু হওয়ার পর সরকার প্রথম দুই কিলোমিটারের জন্য ১২ টাকা এবং পরবর্তী প্রতি কিলোমিটারের জন্য ৫ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করলেও এ সংক্রান্ত নীতিমালায় বলা হয়েছিল, রাজধানীতে সিএনজি স্টেশন বাড়লে ভাড়া আরও কমানো হবে।

কিন্তু স্টেশন বেড়েছে ঠিকই ভাড়া আর কমেনি আদৌ। সর্বশেষ ২০১৫ সালে প্রথম দুই কিলোমিটারের জন্য ভাড়া নির্ধারণ করা হয় ৪০ টাকা। পরবর্তী প্রতি কিলোমিটারের জন্য সাড়ে ১২ টাকা।

গত ১১ মার্চ বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঢাকায় অটোরিকশার ৯৮ শতাংশ চালক চুক্তিতে যাত্রী বহন করেন। তার মধ্যে মিটার কার্যকর নেই
শতাংশ অটোরিকশায়।

২০১৪ সালে এই খাতের নৈরাজ্যের চিত্র তুলে ধরে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে চিঠিও দেয় যাত্রীকল্যাণ সমিতি। সমিতির হিসাব বলছে, ঢাকা ও চট্টগ্রামে বছরে ৯১০ কোটি টাকা যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া হিসেবে লুটে নেয় মালিক-চালকরা।

এছাড়াও এ খাতে সিএনজি অটোরিকশা চালকসহ অসাধু মালিক ও পুলিশের কতিপয় অসাধু সদস্যের যোগসাজশেই রাজধানীসহ সারা দেশে প্রাইভেট সিএনজির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার অবৈধ রমরমা বাণিজ্যও চলছে। কোনো ধরনের রুট পারমিট ছাড়াই হরদম ভাড়ায় চলছে এই অটোরিকশাগুলো।

এতে সরকার শত শত কোটি টাকা আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ট্রাফিক পুলিশ ও বিআরটিএর সঙ্গে আঁতাত করে একশ্রেণির অসাধু মালিক অবৈধ এ ব্যবসা ক্রমেই বিস্তৃত করে যাচ্ছে। জানা গেছে, প্রাইভেট অটোরিকশার মালিকদের একটি বড় অংশ পুলিশ বিভাগের সদস্য হওয়ায় তাদের হাতেই নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে ব্যবসাটি।

বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী আমার সংবাদকে বলেন, অটোরিকশা নীতিমালা অনুযায়ী সরকারি ভাড়ার হার, জমা ও মিটার মেনে চলা বাধ্যতামূলক। এর ব্যত্যয় ঘটলে অটোরিকশার নিবন্ধন বাতিল, চালকের জরিমানাসহ নানা শাস্তি হওয়ার কথা। কিন্তু বিআরটিএর ভ্রাম্যমাণ আদালত কিছু জরিমানা করা ছাড়া তেমন কোনো ব্যবস্থা নেয় না। তিনি বলেন, ২০০১ সালে সিএনজির দাম ছিল ১ লাখ ৫৮ হাজার টাকা।

এ খাত ধ্বংস হওয়ার পর দাম বেড়ে হয় ৭-৮ লাখ টাকা। এসবের জন্য ভাড়া নৈরাজ্য অনেকাংশেই দায়ী। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান উত্তরা মটরস সিএনজির দাম ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা রাখলেও নিবন্ধন নম্বর যুক্ত হওয়ার পর তা গড়ে বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ঢাকার হিসেবে ১৮ লাখ এবং চট্টগ্রামে ১২ লাখ টাকায়।

যেখানে নিবন্ধন মূল্যই গড়ে দাঁড়াচ্ছে ১২-১৪ লাখ টাকা। এছাড়াও মালিক সমিতির নেতা ও কতিপয় পুলিশ সদস্যের সমন্বয়ে প্রাইভেট সিএনজির কারণেও ভাড়া নৈরাজ্য বাড়ছে। আর এতে সিএনজির মূল্যও বৃদ্ধি পেয়েছে কয়েকগুণ। এটা সম্পূর্ণ অনৈতিক কাজ। পুলিশ ও সিএনজি অটোরিকশা মালিক সমিতির এ অনৈতিক কাজ বন্ধের জোর দাবিও জানান তিনি।

এদিকে অটোরিকশার অস্বাভাবিক দামের কারণকে দায়ী করে মালিকরা এখন চালকের কাছ থেকে দিনে গড়ে জমা নিচ্ছেন দেড় হাজার টাকা করে। অথচ সরকার নির্ধারিত জমা ৯০০ টাকা। অন্যদিকে চালকরা শুরু থেকেই মিটারে নয়, সরকার নির্ধারিত ভাড়ার তিন-চার গুণ বাড়তি ভাড়ায় চুক্তিতে যেতে বাধ্য করছেন যাত্রীদের। বর্তমানে ঢাকায় দেড়শ টাকার কমে কোনো অটোরিকশায় ওঠার কথা চিন্তাই করা যায় না।

জানা গেছে, শোরুমে বাজাজ ব্র্যান্ডের সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশার দাম কমবেশি পৌনে চার লাখ টাকা। অথচ নিবন্ধন নম্বর যুক্ত হওয়ার পর এই অটোরিকশা ঢাকায় ১৮ লাখ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। চট্টগ্রামে কেনাবেচা হয় ১২ লাখ টাকার মতো। অর্থাৎ নিবন্ধন কাগজের দামই ঢাকায় ১৪ লাখ, চট্টগ্রামে তা ৮ লাখ টাকা। মূলত অটোরিকশার নিবন্ধন নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমেই সরকার এই অস্বাভাবিক ব্যবসার সুযোগ করে দিয়েছে।

২০০১ সালে বেবিট্যাক্সি, টেম্পোসহ টু-স্ট্রোকবিশিষ্ট যানবাহন তুলে দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মালিকদের সিএনজিচালিত অটোরিকশা বরাদ্দের উদ্যোগ নেয় সরকার। ২০০৪ সাল পর্যন্ত কয়েক দফায় ঢাকায় ১৩ হাজার অটোরিকশার নিবন্ধন দেয় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। প্রায় কাছাকাছি সময়ে চট্টগ্রামেও সমসংখ্যক অটোরিকশা নামে। এসব অটোরিকশার বরাদ্দে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে নিবন্ধন বন্ধ করে দেয়া হয়।

২০১৫ সালে ঢাকায় পুরনো মিশুকের পরিবর্তে প্রায় দুই হাজার অটোরিকশার অনুমোদন দেয় বিআরটিএ। এই অনুমোদন প্রক্রিয়াতেও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর নিবন্ধন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে মেয়াদ শেষে একই মালিকের নামে আবার নতুন অটোরিকশার নিবন্ধন দেয়া হচ্ছে।

এর ফাঁকে ১৮ লাখ টাকা পর্যন্ত দামে অনেকে নিবন্ধন নম্বরসহ মালিকানা অন্যের নামে বদল করছেন। বর্তমানে ঢাকায় প্রায় ১৫ হাজার অটোরিকশার নিবন্ধন রয়েছে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মিলে নিবন্ধিত অটোরিকশার সংখ্যা প্রায় ২৭ হাজার।

২০০১ সালে অটোরিকশা চালু করার সময় এর মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছিল ৯ বছর। যা পরবর্তীতে মালিকদের চাপে কয়েক দফা বাড়ানো হয়। বর্তমানে অটোরিকশার মেয়াদ করা হয়েছে ১৫ বছর।

ঢাকা সিএনজি ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি বরকত উল্লাহ গণমাধ্যমে দাবি করেন, এখন ঢাকায় ১৫-১৬ লাখ টাকায় অটোরিকশা বিক্রি হচ্ছে। কিছুদিন তা ১৮ লাখ টাকাতেও বিক্রি হয়েছিল।

চাহিদার তুলনায় অটোরিকশার সংখ্যা কম বলেই চড়া দামে হাতবদল হচ্ছে। সরকারি জমা ও ভাড়ার হার না মানার বিষয়ে তিনি বলেন, এই খাতের শুরুই হয়েছে অনিয়ম দিয়ে। এখন আর ঠিক হবে কীভাবে।ঢাকা সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হানিফ খোকন বলেন, এ খাতে সিন্ডিকেট করে বাণিজ্য করছে ব্যবসায়ীরা।

দিগন্ত অটো, দিগন্ত এন্টারপ্রাইজ, উত্তরা মটরসের ডিলার সুলতান অটো, মেরুল বাড্ডার আলী মিয়া, খিলগাঁওয়ের শাহজাহান, মীরহাজির বাগের আল আমিনসহ একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটের নাম বলেন তিনি। এ খাতে তাদের অনিয়ম আর অনৈতিক কার্যকলাপের কারণে ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা দামের সিএনজি হয়ে যাচ্ছে ১৮ লাখ টাকা।

সরিষায় ভূত উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি বিআরটিএসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়েও লিখিত অভিযোগ করেছি কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। তাছাড়া পুরো পরিবহন সেক্টরই এখন জগাখিচুড়ি হয়ে আছে। বাড়তি জমার ক্ষেত্রে অনিয়মের বিষয়ে তিনি বলেন, ২০১৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত গ্যাসের দাম বেড়েছে তিনবার।

যে কারণে প্রতিদিন ১২০ টাকারও বেশি বাড়তি গুণতে হচ্ছে চালকদের। সরকার নির্ধারিত মালিক জমা ৯০০ টাকা উপেক্ষা করে মালিকরা নিচ্ছেন এক হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা। চালকরা পরিস্থিতির শিকার।

এছাড়াও গ্যারেজ ভাড়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ২০ থেকে ৬০ টাকা করে নেয়া হচ্ছে প্রতিদিন। এসবের প্রভাবেই চালকরা মিটারে না গিয়ে চুক্তিতে যাত্রী পরিবহন করছেন। সংশ্লিষ্ট এসব বিষয়ে দেখার দায়িত্ব রাষ্ট্রের অথচ রাষ্ট্র এসব দেখছে না।

বিআরটিএর একটি সূত্র থেকে জানা যায়, রাজধানীতে ১৫ হাজার অটোরিকশার মালিক প্রায় আড়াই হাজার। এর মধ্যে কারো কারো দেড়শ বা এর বেশিও অটোরিকশা আছে। ২০০৭ সালের দিকে অটোরিকশা খাতে নৈরাজ্য বন্ধে চালকদের মধ্যে নতুন করে পাঁচ হাজার অটোরিকশা বরাদ্দের উদ্যোগ নেয় সরকার। এক দশক ধরে মামলা এবং আইনি জটিলতায় তা আটকে আছে।

এসব বিষয়ে জানতে চেয়ে বিআরটিএর চেয়ারম্যান মশিয়ার রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়। তবে সম্প্রতি তিনি একটি গণমাধ্যমে অটোরিকশা খাতে বাণিজ্যের কথা স্বীকার করে বলেন, চাহিদার তুলনায় অটোরিকশা কম হওয়ায় এটা হয়েছে। তবে এসব ছোট যানের সংখ্যা বাড়িয়ে সংকট নিরসনে সরকারের আগ্রহ নেই।

অ্যাপভিত্তিক যাত্রীসেবা রাইড শেয়ারিং চালু হওয়ার পর অটোরিকশা খাতের মালিক-চালকরা কিছুটা চাপে পড়েছেন। ঢাকায় বাসের মালিকানা ব্যবস্থায় পরিবর্তন এনে জোগান বাড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে। মেট্রোরেল চালু হলে গণপরিবহনে চাপ কমবে। চট্টগ্রামেও গণপরিবহন বৃদ্ধির চেষ্টা চলছে। এভাবেই অটোরিকশার বাণিজ্য বন্ধ করা হবে।

সড়কে প্রাইভেট সিএনজি অটোরিকশা চলছে- যেগুলোর অধিকাংশের মালিক পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের সদস্যরা বলে জানা গেছে।

পুলিশের সদস্যরা এ ব্যবসা করতে পারে কী না এবং যদি না-ই পারে তাহলে যারা করছে তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে ট্রাফিক সদর দপ্তর— এমন প্রশ্নে পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মীর রেজাউল করিম আমার সংবাদকে বলেন, এটা করার কোনো সুযোগ নেই, পুলিশের কেউই এটা করতে পারবে না।

তাছাড়া সরকারি কাজে নিয়োজিত কেউই ব্যবসা করার সুযোগ নেই। যদি এ ধরনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ কারো বিরুদ্ধে থাকে তাহলে তাদের নাম তালিকা করে দেয়ার জন্য অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, যদি তালিকা করে দিতে পারেন তাহলে আমারও সাহায্য হলো এবং ব্যবস্থা গ্রহণেও সুবিধা হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত