শিরোনাম
আমার সংবাদকে রুমিন ফারহানা

‘সংসদে একজনেও যদি ন্যায্য কথা বলে সরকারের শোনা উচিত’

প্রিন্ট সংস্করণ  |  ০৯:৫৪, মে ২৩, ২০১৯

 

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক। ভাষাসৈনিক ও রাজনীতিবিদ অলি আহাদের মেয়ে তিনি। রাজনৈতিক পরিবার থেকে উঠে আসা সন্তান। তার ওপর চোখ পড়ে সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার। দীর্ঘ সময় পেয়েছেন তার সাহচর্য। বিএনপির জন্য নির্ধারিত সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হলেন। গতকাল দৈনিক আমার সংবাদের মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। বলেছেন, খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে কেন সংসদে গেলেন, তারেক জিয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে দলে সন্তুষ্টি ও অসন্তুষ্টি নিয়েও কথা বলেছেন। খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে তারেক জিয়ার রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি। আরও স্পষ্ট ভাষায় বলেন, সাত এমপি দিয়ে সরকারকে ও সরকারের কোনো অবৈধ কাজকে উল্টে দিতে পারবেন না। সরকারকে এমন কোনো চাপ দিতে পারবেন না, যা সরকার শুনতে বাধ্য হবে। কিন্তু তাদের কণ্ঠ, যে প্রতিবাদ তা সুশীল সমাজ জানবে, দেশের মানুষ জানবে, দেশের ঘরে ঘরে সেগুলো পৌঁছবে। এটুকুই আপাত তাদের লক্ষ্য বলে দাবি। কথা বলেছেন আমার সংবাদের স্টাফ রিপোর্টার আবদুর রহিম-এর সঙ্গে

রাজনৈতিক জীবনে পদচারণা আজকের অর্জন সংক্ষেপে বলুন।
রুমিন ফারহানা : আমার জন্মই তো হয়েছে রাজনৈতিক পরিবারে। বেড়ে ওঠাও রাজনৈতিক পরিবারে। ছোট থেকেই মামলা দেখেছি, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দেখেছি। দেখেছি কিভাবে এরশাদ সরকারের সময় বছরের পর বছর বাবা জেলে ছিলেন। এরশাদবিরোধী আন্দোলন দেখেছি। বাবার সঙ্গে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ, মিছিলে গেছি। অল্প বয়সেই রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা শুরু হয়। ২০১২ সালে বাবাকে হারানোর পর বিএনপির সঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। পদে না থাকলেও কমিউনিস্ট পার্টি আমন্ত্রণে বিএনপির ডেলিগেশন টিম চায়না গেলে সেখানে আমাকে পাঠানো হয়। একটা রাজনৈতিক দল কিভাবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মতবিনিময় করে তার একটা অভিজ্ঞতা হয়। পরবর্তীতে খালেদা জিয়া আমাকে দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সঙ্গে রাখেন। ২০১৬ সালের কাউন্সিলে আমাকে সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক করা হয়। খালেদা জিয়ার আশীর্বাদ, তারেক রহমানের দোয়া, দলের সিনিয়র নেতাদের দোয়া ও ভালোবাসায় আমি আজকে এতদূর এসেছি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আপনার নিজ জেলা, আপনাকে নিয়ে স্থানীয়রা ব্যাপক উচ্ছ্বসিত। ওদের নিয়ে কিছু বলবেন?
রুমিন ফারহানা : বাহ্মণবাড়িয়া-২ সরাইল আশুগঞ্জ আমার রাজনৈতিক পরিচয়। আমার বাবা ১৯৭৩ সালে ওই আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। আওয়ামী লীগের বাইরে যে কজন স্বতন্ত্র বিজয়ী হয়েছিলেন তিনি তাদের একজন। বেসরকারিভাবে বাবাকে বিজয়ী ঘোষণার পরদিন আ.লীগ ফল পরিবর্তন করে। সে সময় থেকে বাবার একটা কষ্ট ছিল যে, জিতলাম, একটা সংসদ সদস্য হলে কি অসুবিধা হতো আ.লীগের! আমি তো আ.লীগকে ফেলে দিতে পারতাম না। আমি তো আর সরকার পরিবর্তন করে ফেলতাম না। কিন্তু আমি জনগণের পক্ষে, এলাকার পক্ষে কথা বলতে পারতাম। সেই কষ্টটা আমি সারাজীবন আমার বাবার মধ্যে দেখেছি। সরাইলের ব্যাপারে আমি বরাবরই দুর্বল ছিলাম। এই এলাকার জন্য আমার যতটুকু করা সম্ভব আমার শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও সরাইল আশুগঞ্জের জন্য কাজ করে যেতে চাই। শেষদিন পর্যন্ত আমি আমার এলাকার জন্য কাজ করে যাবো।

খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে, এই সংসদকে অবৈধ বলেও কেন সংসদে যাচ্ছেন?
রুমিন ফারহানা : কৌশলগত কারণে সিদ্ধান্তের পরিবর্তন হয়েছে। প্রথমে দলগতভাবে দলীয় সিদ্ধান্ত ছিল আমরা শপথ নেবো না। যেহেতু দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে যে একজন শপথ নিয়েছে দল তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। পরবর্তীতে যখন দলীয় সিদ্ধান্ত হয়েছে যারা শপথ নিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে তো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। তারা দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শপথ নিয়েছেন ও তারা সংসদে যাবেন। আমার ব্যাপারেও দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত এসেছে। সুতরাং এখানে ধোয়াশার কিছু নেই।

গুঞ্জন ছিল বিএনপি সংসদে গেলে খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন, শেষ পর্যন্ত কী তা ব্যর্থ হলো?
রুমিন ফারহানা : সংসদ সদস্যরা শপথ নিয়েছেন আজকে প্রায় মাস খানেক হয়ে গেলো। আপনারা কি দেখেছেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া মুক্ত হয়েছেন? তিনি মুক্ত হননি। সুতরাং এই পর্দার আড়ালের খেলা বিএনপি কোনোদিনও খেলেনি। জনগণের সঙ্গে প্রতারণা, জনগণের সঙ্গে ধোকাবাজি এটা বিএনপির রাজনীতি না। সুতরাং পর্দার আড়ালে কোনো রকমের কোনো খেলা হয়নি। জনগণকে প্রতারিত করে কোনোদিন কোনো সিদ্ধান্ত বিএনপি নেয়নি।

আপানারা দাবি করছেন শপথ নেয়া দলীয় সিদ্ধান্ত কিন্তু মহাসচিব শপথ নিলেন না এতে করে কি সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছে না?
রুমিন ফারহানা : দলের মহাসচিব নিজেই তা স্পষ্ট করেছেন। দুটি কারণে তিনি শপথ নেননি। একটি হলো তিনি তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবেন। সংগঠন গুছানোর জন্য উনাকে সারাদিন ব্যস্ত থাকতে হয়ে। সবকিছু মিলিয়ে উনার পক্ষে সংসদে যোগদান করা, সংগঠনকে শক্তিশালী করা, একইসঙ্গে তৃণমূল ও শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা এত বড় দায়িত্ব উনার পক্ষে একসঙ্গে পালন করা সম্ভব নয়। যে কারণেই শপথ নেননি এবং সেটা উনি খোলামেলাভাবেই বলেছেন। এতে বিভ্রান্তির কিছু নেই।

দীর্ঘ প্রায় ১১ বছর এই সরকার আপানাদের কোনো কথাই রাখেননি বলে আপনারা অভিযোগ করে আসছেন, শেষ পর্যন্ত এই সংসদে আপনাদের আস্থা কেন?
রুমিন ফারহানা : এটি আমার আগ্রহের বিষয় নয়; এটি দলীয় সিদ্ধান্ত। আমার দল খুব স্পষ্ট করে বলেছে, সংসদে যাওয়া মানে সংসদকে বৈধতা দেয়া নয়। আমাদের যেহেতু সভা-সমিতি, মিছিল- কিছু করতে দেয়া হচ্ছে না, সে ক্ষেত্রে সংসদ একটি অ্যাভিনিউ হিসেবে কাজ করবে ও সেই অ্যাভিনিউতে আমাদের যেটুকু ভূমিকা রাখার তা রাখব। আমাকে মনোনয়ন দেয়ার আগেও আমি খুব স্পষ্ট করে বলে আসছি যে, এটা কোনো সংসদ নয়। কারণ এটি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি। বিদেশি গণমাধ্যমসহ দেশের ১৬ কোটি মানুষ জানে যে দেশে কোনো ভোট হয়নি। এরপরও আমরা সংসদে গেছি কেন? বিএনপির মতো এত বড় একটা দলকে মাঠে দাঁড়াতে দেয়া হয় না। সভা-সমাবেশের অনুমতি দেয়া হয় না। এসব বলার জন্য তো একটা স্পেস দরকার। মানুষের কথা, দেশের কথা বলার জন্য একটা ফোরাম দরকার। আমরা মনে করি, সংসদ একটা পথ- যে পথে আমরা কথা বলতে পারবো। আমরা জানি, সাত এমপি দিয়ে সরকারের কোনো অবৈধ কাজকে উল্টে দিতে পারবো না। সরকারকে এমন কোনো চাপ দিতে পারবো না, যা সরকার শুনতে বাধ্য হবে। কিন্তু আমাদের যে কণ্ঠ, যে প্রতিবাদ তা সুশীল সমাজ জানবে, দেশের মানুষ জানবে, দেশের ঘরে ঘরে সেগুলো পৌঁছবে। এটুকুই আমাদের লক্ষ্য।

সংসদে গিয়ে খালেদা জিয়ার পক্ষে কথা বললে কী কোনো উপকার আসবে?
রুমিন ফারহানা : খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে একজন আইনজীবী হিসেবে পরিষ্কার বলছি, জামিন কিন্তু উনার অধিকার। যে মামলাগুলোতে উনাকে আটকে রাখা হয়েছে সে মামলার প্রত্যেকটা জামিনযোগ্য। যে মামলায় তাকে অন্যায়ভাবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে সাজা দেয়া হয়েছে, সে মামলাটিতেও অন্য আট-দশজনের, কিন্তু এডমিন আপিলে জামিন হয়ে যায়। যে মুহূর্তে আপিল ফাইল করা হয়েছে, সেই মুহূর্তে তিনি জামিনযোগ্য। সমপ্রতি লন্ডনে যে অডিও রেকর্ড ফাঁস হয়েছে, সেখানে কিন্তু পরিষ্কার বুঝা গেছে যে, এটা এখন আর বিচার বিভাগের ওপর নেই। সুতরাং উনার জামিন না দিয়ে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আটকে রাখা হয়েছে তা বুঝতে দেশের মানুষের বাকি নেই। সংসদে গিয়ে নিশ্চয়ই এ বিষয়ে আমরা কথা বলবো। উনার মামলার যে মেরিট, উনার বয়স, শারীরিক অবস্থা, উনার জেন্ডার সবকিছু বিবেচনায় উনি তাৎক্ষণিক জামিন লাভের যোগ্য। উনার হক বঞ্চিত করা হচ্ছে। একদিন ইতিহাস উনার বিচার করবে।তারেক জিয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে দলে সন্তুষ্টি ও অসন্তুষ্টি নিয়ে কথা উঠছে।

সমপ্রতি সংসদে যাওয়া ও আপনার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়ে মন্তব্য জানতে চাচ্ছি...
রুমিন ফারহানা : তারেক রহমান তৃণমূল রাজনীতি করে আসা অসম্ভব জনপ্রিয় নেতা। যাকে বাংলাদেশের পুরো প্রজন্ম মনে করে আগামীর বাংলাদেশ। সুতরাং যখন থেকে তিনি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেয়েছেন, তার যতগুলো সিদ্ধান্ত এসেছে, প্রত্যেকটা সিদ্ধান্ত ছিল সঠিক, যুগোপযোগী, সময়োপযোগী ও অত্যন্ত চিন্তাপ্রসূত। একটা বিষয় স্পষ্ট করে বলতে চাই (তারেক রহমান) উনি কিন্তু সকলের সঙ্গে আলোচনা করে দলটাকে পরিচালনা করছেন। উনি যেমন স্থায়ী কমিটি সঙ্গে বসছেন, আমাদের নেতাকর্মীদের সঙ্গে বিভিন্ন মাধ্যমে দীর্ঘ সময় আলাপ-আলোচনা করছেন। সুতরাং কোনো সিদ্ধান্তই কিন্তু উনার একক সিদ্ধান্ত নয়। উনার চাপিয়ে দেয়া কোনো সিদ্ধান্ত নয়। উনি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, সে কারণে সিদ্ধান্তগুলো সঠিক এবং নেতাকর্মীরা যা চাই তারই প্রতিফলন আমরা তার সিদ্ধান্তে পেয়েছি।

খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে তারেক জিয়ার কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত আসবে কি না? এলে এর কোনো ইঙ্গিত দিতে আপনি ইচ্ছুক কি না...
রুমিন ফারহানা : খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে একটা কথা পরিষ্কার করে বলতে চাই, তিনি জীবনে কোনোদিন আপস করেননি। সরকারের প্রতিহিংসার শিকার হয়ে আজকে তাকে কারাগারে থাকতে হচ্ছে। আইনি লড়াই চলছে, আইনি লড়াই চলবে। সেই সঙ্গে আমরা সাংগঠনিকভাবে যে সিদ্ধান্তে যাচ্ছি, আমাদের শীর্ষ নেতৃত্ব যে দিক-নির্দেশনা দেবেন, নিশ্চয় আমরা সময়ের সঙ্গে সেই পদক্ষেপগুলো নেবো।

বিএনপি কোনো সংকটে রয়েছে বলে মনে করেন কি না?
রুমিন ফারহানা : আমরা খুব অস্বাভাবিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। বর্তমানে যেটাকে বিএনপির সংকট হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে এটা আসলে বিএনপির সংকট না। আপনি ভোট দিতে পারছেন না, টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীরা পথে বসে যাচ্ছে, গ্যাস-বিদ্যুতের দাম দফায় দফায় বেড়ে যাচ্ছে, সন্তানরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে মানসম্মত শিক্ষা পাচ্ছে না, হাসপাতলে গিয়ে স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেন না, বছরের ৬৬ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যাচ্ছে জীবনমান নির্বাহ করতে গিয়ে। সুতরাং এগুলো জাতীয় সংকট, বিএনপির একার সংকট নয়।
শেষ পর্যন্ত দল আপানাতেই আস্থা!

এখন সেই দলীয় প্রধান ও জ্যেষ্ঠ নেতাদের মূল্যায়ন নিয়ে তাদের উদ্দেশে কিছু বলবেন কি না?
রুমিন ফারহানা : ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে, দলের শীর্ষ নেতাদের; যারা আমার ওপর আস্থা রেখেছেন। মনে করেছেন আমি পারবো। এটা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, তাদের যে আস্থা ও বিশ্বাস তার মর্যাদা যেন আমি রাখতে পারি।

সংসদে গিয়ে মূল অ্যাজেন্ডা কী থাকবে?
রুমিন ফারহানা : সেখানে দলের অ্যাজেন্ডা হিসেবে থাকবে আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, থাকবে তারেক রহমানের দেশে ফেরার মতো অবস্থা তৈরি করা, গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটাধিকারের ব্যাপারে কথা বলা। যদিও একটা বিনাভোটে নির্বাচিত সংসদ। তা ছাড়াও বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদে ১৪৯টি আসনে জয় লাভ করলেও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব নয় যতক্ষণ না পর্যন্ত একটি দল ১৫১টি আসন পাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে যতটুকু স্পেস পাবো, তার সর্বোচ্চ ব্যবহার আমরা করবো।

গণমাধ্যম ও আমার সংবাদ পাঠকদের জন্য যদি আপনার কোনো কথা থাকে...
রুমিন ফারহানা : গণমাধ্যম এখন অনেক কিছু লিখতে পারে না। সিকিউরিটি আইনসহ নানা বাধা রয়েছে। বলতে গেলে এক ধরনের চাপা দমবদ্ধকর অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। সংসদে দাঁড়িয়ে আপনাদের অধিকারের কথা বলবো।
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত