শিরোনাম

যমুনায় আটকে আছে পণ্যবাহী জাহাজ

প্রিন্ট সংস্করণ॥মজিবুল হক লাজুক, পাবনা  |  ০২:০৬, জানুয়ারি ১২, ২০১৯

বাঘাবাড়ি নদীবন্দর থেকে দৌলোদিয়া নৌবন্দর পর্যন্ত ডুবোচরের কারণে যমুনা নদীতে নাব্যসংকট দেখা দিয়েছে। আর এ কারণে পাবনা বেড়া উপজেলার পেচাকুলা থেকে মোহনগঞ্জ পর্যন্ত যমুনা নদীর কয়েকটি স্থানে কয়েকদিন ধরে প্রায় ২৫টি সার, সিমেন্ট, তেলসহ বিভিন্ন পণ্যবাহী জাহাজ সরাসরি বাঘাবাড়ি নৌবন্দরের ভিড়তে পারছেনা। এই এলাকায় পানির গভীরতা ৫৭ ফিটে এসে দাঁড়িয়েছে অথচ জাহাজ চলাচলে ন্যূনতম ১০ ফিট গভীরতার প্রয়োজন হয়। ফলে বাঘাবাড়ি নৌবন্দরে সরাসরি পণ্যবাহী জাহাজ ভিড়তে পারছেনা। মোহনগঞ্জ এলাকায় আটকে পড়া জাহাজ থেকে ছোট ছোট ট্রলারে করে মালামাল নেওয়া হচ্ছে বাঘাবাড়ী বন্দরে। এতে পরিবহণ খরচ বেড়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাঘাবাড়ি ঘাট নৌযান এসোসিয়েশনের নেতারা। জাহাজ চালক ও বিআইডব্লিউটি এর সূত্রে জানা গেছে, পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলে ১০ ফিট পানির গভীরতা প্রয়োজন হলেও শুকনো মৌসুমে এই পথে পানির গভীরতা ৭ ফুটের নিচে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। যার কারণে এসব জাহাজ পাড় হতে গিয়ে আটকে পড়ছে ডুবোচরে। এ ব্যাপারে নগড়বাড়ি ঘাটের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইমান আলী সরদার জানায়, বিআইডব্লিউটি এর পক্ষ থেকে ডুবোচরগুলো অপসারণের জন্য ড্রেজিং এর কাজ দ্রুত শুরু করলে এ সমস্যার সমাধান হবে। বাঘাবাড়ি ঘাট নৌযান লেবার এসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াহেদ, লেবার শ্রমিকের সভাপতি এবং ঘাট ইজারাদার ইমান আলী সরদার দুঃখ করে বলেন, দ্রুততার সাথে নদী ড্রেজার না করলে অনেক লেবারই খুব অসহায়তার সাথে জীবন যাপন করবে। তাই নদী ড্রেজিং করা প্রয়োজন। কারণ নদী ড্রেজিং না করায় সাধারণ দিনমজুররা যেমন কাজ না পেয়ে অনাহারে দিন কাটাচ্ছে তেমনি অপরদিকে পরিবহণ খরচও বেড়ে যাচ্ছে। বাঘাবাড়ি নদীবন্দরের সহকারি পরিচালক এস.এম সাজ্জাদুর রহমান জানান. নাব্যসংকট দেখা দেওয়ায় ড্রেজার করে তা অপসারণ করা হচ্ছে দ্রুতগতিতে।
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত