শিরোনাম

আদমদীঘিতে ব্যস্ততা বাড়ছে লেপ তোষক কারিগরদের

প্রিন্ট সংস্করণ॥আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি  |  ০০:৩২, নভেম্বর ১৭, ২০১৮

বগুড়া আদমদীঘি উপজেলা সান্তাহারে শীতের আগমনে ব্যস্ত সময় পার করছেন লেপ তোষকের কারিগররা। শীতের আগমনে অনেক ক্রেতারা নতুন লেপ-তোষক তৈরি করে নিচ্ছেন। আবার অনেকেই পুরাতন শীতবস্ত্র যেমন লেপ, তোষক, গদি ইত্যাদি ঠিক করেও নিচ্ছেন। উত্তরাঞ্চলের এই আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরে বর্তমানে শীতের প্রভাব দিন দিন বেড়েই চলেছে। মফস্বল এলাকার মানুষের শীত নিবারণের প্রথম উৎস হিসেবে ব্যবহত হয় কাঁথা। তাই সল্প আয়ের পরিবারগুলোর নারী সদস্যরা সংসারের কাজের ফাকে তৈরী করতে শুরু করেছে কাঁথা। সরেজমিন দেখা যায়, শীতের আগমনে সান্তাহার রেলওয়ে টিকিট ঘরের দক্ষিনে (তুলাপট্রিতে) ব্যস্ত হয়ে পরেছেন লেপ-তোষকের কারীগররা। এখানে শীতের সময় ছাড়াও সাড়া বছর কমবেশী বিভিন্ন প্রকারের তুলা বিক্রয় হয়ে থাকে। তাই এই জায়গাকে তুলাপট্রি বলেও অনেকে চেনে। শীতের এই সময় এখানকার ব্যাবসায়ীদের আয় ভালো হয়। সাড়া বছরে এসময় টুকু বাদ দিয়ে বাঁকি সময় পার করতে হয় অলসে। সান্তাহার তুলাপট্রির দোগাছী বোডিং স্টোরের রফিকুল ইসলামের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা তিন ধরনের লেপ তৈরি করে থাকে। যেমন: কার্পাস তুলার লেপ, গার্মেন্টস কালার তুলার লেপ, গার্মেন্টস নরমাল তুলার লেপ। একটি ভালো মানের তুলার লেপের মূল্য প্রায় ১৫০০-২৮০০ টাকা। মাঝারী মানের তুলার লেপের মূল্য প্রায় ১০০০-১২০০ টাকা। ছোট আকারের লেপের মূল্য ৫০০টাকা থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত। একটি বড় আকারের লেপ তৈরি করতে সময় লাগে তিন থেকে সারে তিন ঘন্টা। লেপ তৈরি করতে ২-৩ কালারের কাপড় ব্যাবহার করা হয়। এই শীত মৌসুম ছাড়াও তারা তোষক, তাজিম, বালিশ গদি তৈরি করে থাকে। এই তুলাাপট্রির কারিগররা দৈনকি, সাপ্তাহিক, মাসিক. পারিশ্রমিক নিয়ে থাকে। সান্তাহার টিকিটঘর এলাকার ব্যবসায়ী সোহেল রানা জানান, নিন্ম ও মধ্য আয়ের মানুষরাই বেশির ভাগ তোষক, তাজিম, বালিশ গদি ক্রয় করে থাকে ।
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত