শিরোনাম

আমার সংবাদে রিপোর্ট প্রকাশের পর তদন্ত কমিটি গঠন

মেহেদী হাসান মাসুদ, বালিয়াকান্দি (রাজবাড়ী)  |  ১৯:৪৪, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৮

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার শালমারা নিশ্চিন্তপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন যাবত বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে টিফিনের সময় (১টা-২টা) কোচিং করান বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক রাশেদুল ইসলাম।

আমার সংবাদ পত্রিকায় (২৪ সেপ্টেম্বর) ৮নং পাতায় “স্কুল সময়ে শ্রেণিকক্ষেই চলে কোচিং বাণিজ্য!” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিতে গেলে ঐ দিনই (২৪ সেপ্টেম্বর) উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কাজী এজাজ কায়সারকে আহবায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাসুম রেজা। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো: মিজানুর রহমান ও বালিয়াকান্দি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক শেখ আ: মাজেদ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুম রেজা বলেন, স্কুল সময়ে কোচিং বাণিজ্যের বিষয়টি “আমার সংবাদ” পত্রিকার মাধ্যমে নজরে আসায় ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। এ কমিটিকে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বালিয়াকান্দি উপজেলা হবে শিক্ষাক্ষেত্রে দেশের মডেল। এখানে ক্লাসের পড়া ক্লাসেই শেষ হতে হবে কোচিং বা প্রাইভেটে নয়। সরকারী নীতিমালা উপেক্ষা করে যদি কোন শিক্ষক কোচিং বা প্রাইভেট মুখী হয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর হুশিয়ারী দেন এই কর্মকর্তা।

এছাড়াও সংবাদটি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের দৃষ্টি গোচর হয়। তিনি প্রধান শিক্ষক রনজিৎ পালকে কারণদর্শানোর পত্র দিয়েছেন। ৫ কর্মদিবসের মধ্যে এর জবাব দেয়ার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

তিনি জানান, আমার সংবাদ পত্রিকার মাধ্যমে আমি বিষয়টি জানতে পেরেছি। একজন শিক্ষকের কাছ থেকে আমরা এমনটি আশা করি না। আ’লীগ সরকার যে পরিমাণ শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি করেছেন তাতে করে তারা ক্লাসেই শতভাগ মনোযোগী হতে পারেন।

শিক্ষকদের কোচিং বা প্রাইভেট সম্পর্কে সুষ্পষ্ট নীতিমালা রয়েছে। ক্লাস বাদ দিয়ে যদি কোন শিক্ষক কোচিং বা প্রাইভেটের প্রতি আসক্ত হন তাহলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশের কথাও জানান উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম আজাদ।

আরও পড়ুন:স্কুল সময়ে শ্রেণিকক্ষেই চলে কোচিং বাণিজ্য!

 <

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত