শিরোনাম

মধুপুর-ধনবাড়ীতে তীব্র শীতে কাঁপছে মানুষ

প্রিন্ট সংস্করণ॥ হাফিজুর রহমান. মধুপুর (টাঙ্গাইল)  |  ০২:৪৩, জানুয়ারি ১৩, ২০১৮

টাঙ্গাইলের মধুপুর ও ধনবাড়ীতে ঠান্ডা বাতাসের তীব্র শীতে থরথরে কাঁপছে সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে ছিন্নমূল মানুষ এবং অতি দরিদ্র ও প্রান্তিক পরিবারের প্রবীণ ও শিশুরা পড়েছে বেকায়দায়। মধুপুর-ধনবাড়ী মাঠে-ঘাঠে ক্ষেত-খামারে শ্রমিকদের কাজ করার উপায় নেই।
এতে বিপাকে পড়েছে বিভিন্ন পেশাজীবীর মানুষ। শুধু ক্ষেতে-খামারে নয় শীতের প্রভাব পড়েছে ছোট-খাটো রাস্তা-ঘাটসহ মহাসড়কেও। শীতে বিভিন্ন যানবাহন চলাচলে বিঘিœত হচ্ছে। ঘন কুয়াশা ও কনকনে ঠান্ডা বাতাসের কারণে টানা তিনদিন শৈতপ্রবাহ বইছে। তীব্র ঠান্ডার ফলে নিম্ন আয়ের লোকজন পরেছে চরম দুর্ভোগে। ঠান্ডা বাতাস ও ঘন কুয়াশায় কাবু করে ফেলেছে সর্ব শ্রেণির মানুষকে। শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষ প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেনা। শীত নিবারণের জন্য প্রয়োজনীয় গরম কাপড় না থাকায় ধনবাড়ী উপজেলার পৌর শহরের ফুটপাতের পুরানো গরম কাপড়ের দোকানে মানুষের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায় সকাল সন্ধ্যা। ধনবাড়ী বাসস্ট্যান্ড এর সোহেল টেলিকম এন্ড পেপার হাউস এর সামনে গরম কাপড় বিক্রেতা নায়েব আলীরসহ আরো অনেকের সাথে কথা বললে তারা জানান, প্রথমদিকে মনে করেছিলাম এ বছর গরম কাপড়ের ব্যবসা মন্দা হবে। কিন্তু জানুয়ারি মাসের শুরুতেই হঠাৎ শীত বেড়ে যাওয়ায় গরম কাপড়ের বেচা কেনা বেড়ে গেছে। ক্রেতা জীবন মাহমুদ শক্তি জানান, এ সুযোগে ব্যবসায়ীরা ইচ্ছে মতো কাপড়ের দাম নিচ্ছে। বাধ্য হয়ে শীত নিবারণের জন্য বেশীদামে গরম কাপড় কিনতে হচ্ছে। হঠাৎ করে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় মানুষজন খড়-কুটো ও লাকড়ি জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র না থাকায় একদিকে কাজে যেতে পারছেনা, অন্যদিকে পরিবার পরিজন নিয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ। শীতার্ত লোকজন দ্রুত সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে সহায়তা চেয়েছে। মধুপুরে শুক্রবার সকালে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তীব্র শীতের কারণে মানুষের ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। শীতে অতিষ্ঠ হয়ে কাঁপুনি উঠে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে পিরোজপুর পলাইটেকির হাজেরা বেগমসহ অনেক বৃদ্ধ।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত