শিরোনাম

সোনারগাঁয় ডাকাত আতঙ্কে রাত জেগে পাহারা

প্রিন্ট সংস্করণ॥ পনির ভূইয়া, সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ)  |  ০৩:২৭, ডিসেম্বর ১৫, ২০১৭

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের দশ গ্রামের বাসিন্দারা ডাকাত প্রতিরোধ কমিটি গঠন করে ডাকাত আতঙ্কে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন। সম্প্রতি ডাকাতির ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় এলাকাবাসীরা তাদের জান ও মালের নিরাপত্তার জন্য দেশীয় অস্ত্র হাতে নিয়ে গত একমাস যাবত পর্যায়ক্রমে তারা এ কার্যক্রম চালাচ্ছেন। এলাকাবাসীরা জানায়, উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের গত সোমবার পাকুন্ডা গ্রামের আনোয়ার আলীর বাড়িতে ডাকাত দল হানা দিয়ে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ প্রায় সাত লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায়। এ সময় ডাকাতদের হামলায় আনোয়ার আলী ও তার বাড়ির এক ভাড়াটিয়া কবির মিয়াকে কুপিয়ে আহত করে তারা। মুন্দিরপুর গ্রামের আব্দুল আলীর বাড়িতে গত একসপ্তাহ পূর্বে ডাকাত দল হানা দেয়। গ্রামবাসীদের প্রতিরোধের মুখে ডাকাত দল পিছু হটতে বাধ্য হয়। পেচাইন গ্রামের ব্যবসায়ী সিরাজ মিয়ার বাড়িতে ডাকাত দল হানা দেয়। গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে ডাকাতদের ধাওয়া করলে তারা পালিয়ে যায়। সাইদুল চৌধুরী মার্কেটে ১৫/২০ জনের মুখোশ পড়া ডাকাত দল হানা দেয়। ডাকাতদের সংবাদ শুনে এলাকাবাসীরা মাইকে ঘোষণা দিলে কয়েকশত এলাকাবাসীরা একত্রিত হয়ে ডাকাতদের প্রতিহত করেন। এভাবে গত এক মাসে দশটি গ্রামে ডাকাত দল হানা দেয়। এতে এলাকাবাসীরা বাধ্য হয়ে রাত জেগে পাহারা দিতে হয়।
গত বুধবার রাতে সরেজমিনে পাকুন্ডায় দেখা যায়, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হামিম শিকদার শিপলুর নেতৃত্বে পাকুন্ডা, শিংলাব, পেচাইন, মুন্দিরপুর, রাউৎগাঁও, কাহেনা, মাঝেরচর, জামপুর, তালতলা, ব্রাহ্মণবাওগা গ্রামে ডাকাত প্রতিরোধ কমিটি ও কমিউনিটি পুলিশের সদস্যদের নিয়ে ডাকাতদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ায় জন্য হাতে লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন। সোনারগাঁ থানার ওসি মোর্শেদ আলম বলেন, জামপুর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দাদের নিরাপত্তার জন্য রাতে টহল ব্যবস্থা জোরধার করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত