সিলেটে মিলছে ট্রেনের আগাম টিকেট

সোলেমান আহমেদ মানিক, শ্রীমঙ্গল (সিলেট)  |  ১১:২৫, মে ২৭, ২০১৯

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গতকাল রোববার থেকে সিলেট রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। তবে টিকেট কাউন্টারে এখনও তেমন ভিড় নেই। এর কারণ- ঈদে সিলেট থেকে মানুষ যায় কম, আসে বেশি। এ কারণে ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের তেমন ভিড় পরিলক্ষিত হয়নি। তবে রেলকর্তৃপক্ষ মনে করছেন- আজ থেকে ভিড় বাড়তে পারে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও চাকরিজীবীরা এসে টিকিটের জন্য ভিড় করেন বেশি। বিগত বছরগুলোতে টিকিটের চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হয়েছে রেলের কর্মকর্তাদের।

তবে এবারের চিত্র পুরোই ভিন্ন। পবিত্র ঈদুল ফিতরে টিকিটের জন্য বাড়ি ফেরা মানুষের তেমন একটা ভিড় নেই সিলেট রেলস্টেশনে। ফলে দালালদের দৌরাত্ম্যও নেই তেমন। অথচ বিগত বছরগুলোতে ঈদে আসন সংকটের কারণে যাত্রীদের দাঁড়িয়ে যেতে হয়েছে ট্রেনে। সিলেট রেলওয়ে স্টেশনে টিকিট কাউন্টারে চারটি বুথে নেই দীর্ঘ সারি। হাতেগোনা যে কয়েকজন যাত্রী দেখা গেল তারাও নিয়মিত ট্রেনের টিকিট সংগ্রহ করছেন।

রেলওয়ে স্টেশনের সিএনএস'র কর্মকর্তা জহির হোসেন গণমাধ্যমকর্মীদের জানিয়েছেন- ঈদের আগে সিলেট থেকে কম সংখ্যক যাত্রী যায়, বরং আসে বেশি। পর্যটকরাও ঈদের ছুটিতে সিলেটে ঘুরতে আসেন। লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে সিলেট। ফেরার পথে ভিড় থাকে বেশি। এ জন্য ঈদের পরবর্তী সময়ের টিকিট দিতে চাপ সামলাতে হয় বেশি। অবশ্য বিগত সময়গুলোতে ঈদের সময় মানুষের চাপ বেশি ছিল, এবার তেমন একটা নেই।

সিলেট রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার কাজি শহিদুল ইসলাম জানান- প্রতিবারের তুলনায় এবার ঈদের আগে টিকিট সংগ্রহের চাপ কম। পরবর্তীতে বাড়তি চাপ থাকলে অতিরিক্ত কোচ সংযোজন করা হবে।

ঈদে সিলেট থেকে যাত্রীদের যাবার চাপ কম থাকে বলে বিশেষ ট্রেন চালুর প্রয়োজন হয় না। আবার ঈদের পরে কর্মস্থলে ফেরা এবং সিলেটে বেড়াতে আসা পর্যটকদের ফেরার সময় টিকিট সংকট তৈরি হয়। তখন ট্রেনগুলোতে আলাদা কোচ সংযোগ দেয়া হয়।

তিনি বলেন- আগে ট্রেনগুলোতে কোচ সংযোগ কম ছিল। সাবেক অর্থমন্ত্রীর সুপারিশে ট্রেনগুলোতে আরো সংযোগ দেওয়া হয়। এখন সিলেট রুটে কালনী এক্সপ্রেস ১১টি কোচ নিয়ে চলাচল করে। এছাড়া পারাবত, জয়ন্তিকা, উপবন, পাহাড়িকা ও উদয়ন এক্সপ্রেস পাওয়ার কারসহ ১৬টি কোচ নিয়ে চলাচল করে। সিলেটে থেকে ঢাকা ও চট্টগ্রাম রুটে ৫টি আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে।