শিরোনাম

শিক্ষক নিয়োগের নামে হ-য-ব-র-ল

আব্দুল করিম সরকার, পীরগঞ্জ (রংপুর)  |  ০৬:১৬, মে ১৭, ২০১৯

রংপুরের পীরগঞ্জে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অধীনে কিশোর-কিশোরী ক্লাবে প্রশিক্ষক-শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম-দুর্নীতি ও স্বজপ্রীতিসহ হ-য-ব-র-ল সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরীক্ষার জন্য নামে মাত্র কয়েকজন প্রার্থীর কার্ড ইস্যু করে অনভিজ্ঞদের কিশোর-কিশোরী ক্লাব শীর্ষক প্রকল্পে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহ্বায়ক করে তিন সদস্য কমিটি গঠন করে পরীক্ষা নেয়া হয়েছে।

মহিলা বিষয়ক অফিস সূত্রে জানা গেছে, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে কিশোর-কিশোরী ক্লাবে অস্থায়ী ভিত্তিতে জেন্ডার প্রমোটর, সঙ্গীত শিক্ষক এবং আবৃত্তি বিষয়ে লোকবল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ে জেন্ডার প্রমোটর পদে ১৬৩ জন, আবৃত্তি শিক্ষক পদে চারজন ও সঙ্গীত বিষয়ে ছয়জন প্রার্থী আবেদন করেন।

গত ১৩ মে এ বিষয়ে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে জেন্ডার প্রমোটর, আবৃত্তি ও সঙ্গীত শিক্ষক পদে কোনো প্রার্থী চূড়ান্ত হয়নি। অভিযোগ উঠেছে, নাচ, গান, সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে কবিতা আবৃত্তি বিষয়ে অনভিজ্ঞ প্রাইমারি শিক্ষককে কিশোর-কিশোরী ক্লাব শীর্ষক প্রকল্পে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে।

তাদেরকে দিয়ে ওই দিন লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা নেয়া হয়েছে। নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেবেকা ইয়াসমীন ও অন্যান্য সদস্যদেরকে নিয়ে যোগসাজশ করে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতি করেছেন।

উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ও নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব রেবেকা ইয়াসমীন বলেন, নিয়মানুযায়ী নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন। ১৫৪ জন প্রার্থীর মধ্যে ৭৩ জন পরীক্ষার প্রবেশপত্র দেয়া হয়েছে। কতজনকে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

তিনি আরও জানান, ইউএনও স্যারই এ বিষয়ে ভালো জানেন বলে ফোনটি কেটে দেন।

এ ব্যাপারে নির্বাহী অফিসার টিএমএ মমিন জানান ১৭৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। গ্রুপওয়ারি নির্বাচিতদেরকে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

এ নিয়ে অভিজ্ঞ মহলে প্রশ্ন উঠেছে সঠিক সংখ্যা কোনটি জানতে পারব কি? অপরদিকে যাদেরকে নির্বাচিত করা হয়েছে তাদের মধ্যে দুই-একজন ছাড়া অন্যরা নাচ, গান, কবিতা সম্পর্কে কিছুই জানে না।

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত