শিরোনাম

গলাচিপায় হয়রানির শিকার ভাড়াটিয়ারা

রাকিবুল ইসলাম, গলাচিপা (পটুয়াখালী)  |  ২৩:৫৬, মে ১৫, ২০১৯

পটুয়াখালীর গলাচিপায় ঘরভাড়া বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছেন ভাড়াটিয়া ব্যবসায়ীরা। এতে দিন দিন ওই ব্যবসায়ীদের মাঝে প্রচণ্ড চাপা ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

পৌরসভায় ভাড়াটিয়া ব্যবসায়ীদের জন্য বহুতল মার্কেট নির্মাণ করা এখন একান্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। কারণ, ব্যবসায়ীদের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় ঘর সংকটে পড়েছেন ভাড়াটিয়া ব্যবসায়ীরা।

এ ছাড়া ভাড়াটিয়া ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করলেও ঘরভাড়া বৃদ্ধির কারণে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। বছর ঘুরে আসলেই কোনো নিয়মনীতি না মেনেই ঘর মালিকরা ভাড়াটিয়াদের কাছে অন্যায্য অতিরিক্ত ঘরভাড়া দাবি করে। আর এ দাবি না মানলে ভাড়াটিয়াদের ঘর ছেড়ে দেয়ার হুমকি দেয় ঘর মালিকরা।

এমনই চিত্র দেখা গেছে পৌর শহরের আড়তপট্টি, সদর রোড, কর্মকারপট্টি, কাপুড়িয়াপট্টি, ফার্মেসি মার্কেটসহ বিভিন্ন এলাকায়। বাস্তবে এর কোনো প্রতিকার নেই বলে মনে করছেন সচেতন মহল। কারণ, এটা ঘর মালিকদের ব্যক্তিগত ব্যাপার।

এখানে সরকার কিংবা জনপ্রতিনিধিদের কোনো হাত নেই। অতিরিক্ত ঘরভাড়ার চাপ সহ্য করতে না পেরে কাপুড়িয়াপট্টির একাধিক ভাড়াটিয়া ব্যবসায়ীরা ঘর ছেড়ে দিয়ে পৌর শহরের বাহিরে চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, ছোট ছোট প্রতিটি ঘরের ভাড়া প্রতি মাসে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা। যা প্রতি মাসে মূলত ভাড়া হয় দেড় থেকে দুই হাজার টাকা। ছোট শহরে এ ভাড়া এক ধরনের জুলুম বলে অভিযোগ করেন একাধিক ভাড়াটিয়া ব্যবসায়ী।

এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভাড়াটিয়া ব্যবসায়ী বলেন, আমি একজন নামে মাত্র কর্মকার। আমার যন্ত্রপাতি ছাড়া কিছুই নেই। আমি পুরাতন সোনা-রূপার জিনিসের মেরামতের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করি।

তিনি আরও বলেন, ঘরভাড়ার কোনো নীতিমালা না থাকায় আমরা এই হয়রানির শিকার হই। এ বিষয়ে পৌর মেয়র আহসানুল হক তুহিন বলেন, ইতোমধ্যে পৌরমঞ্চ সংলগ্ন চালের টলঘর ভেঙে সেখানে বহুতল মার্কেট নির্মাণ করা হচ্ছে। নির্মাণ কাজ শেষ হলে নিচতলায় চাল ব্যবসায়ীদের জন্য ও অন্য তলায় বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের জন্য রুম বরাদ্দ দেয়া হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত