শিরোনাম

কয়রায় পাউবোর পোল্ডারে আবারো ভয়াবহ ভাঙন

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি  |  ১৮:০৮, এপ্রিল ২২, ২০১৯

এক বছরের কম সময়ের ব্যবধানে সুন্দরবন উপকূলীয় খুলনার কয়রায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের ১৩-১৪/২ পোল্ডারের কপোতাক্ষ নদের ঘাটাখালি বেড়িবাঁধে আবারো ভয়াবহ ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে। গত ৩৬ ঘন্টার তীব্র ভাঙনে বেড়িবাঁধের প্রায় ১শ ফুট জায়গার সিংহভাগ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

ফলে স্থানীয় লোকজন উদ্বেগ উৎকষ্টার মধ্যে রয়েছেন। গতকাল বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত স্থানীয় জনসাধারন ঝুড়ি কোদালে করে মাটি কেটে ভাঙন রক্ষায় বেড়িবাঁধে ফেলেছেন। পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান খান, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাহিদুজ্জামান, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মশিউল আবেদীন ক্ষতিগ্রস্থ ঘাটাখালি বেড়িবাঁধটি পরিদর্শন করেছেন।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, কপোতাক্ষের প্রবল ভাঙনে ঘাটাখালি বেড়িবাঁধের পুরোটাই বিলীন হওয়ার পথে। কয়রা সদরের কর্মসৃজন প্রকল্পে নিযুক্ত শ্রমিকরা ও স্থানীয় লোকজন বাঁধ রক্ষায় দিনরাত কাজ করছেন। নব নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ এসএম শফিকুল ইসলাম উপস্থিত থেকে তদারকি করে ভাঙন রক্ষায় ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধে বস্তাভর্তি মাটি ফেলানো অব্যাহত রেখেছেন। বেড়িবাঁধ সংলগ্ন মোল্লাবাড়ি জামে মসজিদের মিম্বরসহ দুটি ওয়াল ও নারকেল গাছ ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে। এ মুহুর্তে বাঁধ রক্ষা না হলে ঘাটাখালি, হরিণখোলা, গোবরা গ্রাম সহ উপজেলা সদর ও আশপাশের এলাকা লোনা পানিতে নিমজ্জিত হতে পারে।

কয়রা সদরের ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান নাজমুচ্ছাদ বলেন, পাউবো কর্মকর্তারা গতকাল রাত ৯টা পর্যন্ত ভাঙন কবলিত ঘাটাখালির বাঁধে উপস্থিত ছিলেন। ভাঙন রক্ষায় কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিকরা ও স্থানীয় বেশ কিছু লোকজন এখন মাটি ফেলানোর কাজ করছে বলে তিনি জানান। গোবরা গ্রামের বাসিন্দা মফিজুল ইসলাম জানায়, বাঁধ রক্ষা করা না গেলে ভিটেমাটি, ফসল, জমি জাগয়া ও গাছ গাছালির অস্তিত্ব থাকবে না।

পাউবোর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ নাহিদ্জ্জুামান বলেন, ক্ষতিগ্রস্থ ঘাটাখালি বেড়িবাঁধ রক্ষায় প্রয়োজনীয় বাঁশ ও বস্তা সরবরাহ করা হয়েছে। এখানকার ২৫০ মিটার বাঁধের টেন্ডারের ওপেন হবে আগামীকাল ২৩ এপ্রিল। টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে ঠিকাদার ভাঙন কবলিত বেড়িবাঁধে কাজ করতে পারবেন বলে তিনি জানান।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত