শিরোনাম

জাতীয় ঈদগাহ মাঠ প্রস্তুত

প্রিন্ট সংস্করণ॥ফারুক আলম  |  ০৭:৩৪, জুন ১৩, ২০১৮

আগামী ১৬ বা ১৭ জুন পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাতকে সামনে রেখে প্রতিবছরের মতো এবারো ২০ দিন আগেই জাতীয় ঈদগাহ মাঠ প্রস্তুতির কাজ শুরু হয়েছিল। ইতোমধ্যে পুরো মাঠ ত্রিপল দিয়ে ঢেকে দেওয়া, ফ্যান ও লাইটিংয়ের কাজ শেষ হয়েছে। চলছে দেয়াল ও আশপাশের গাছে রঙের কাজ। মাঠ প্রস্তুতির কাজ আজ শেষ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।এবার ঈদগাহ মাঠে পুরুষ প্রায় ৮৪ হাজার এবং নারী ৫ হাজার জামাতে নামাজ আদায় করতে পারবেন। তবে বৃষ্টি না এলে মৎস্য ভবন, জাতীয় প্রেসক্লাব ও এর আশপাশ এলাকা মিলে প্রায় ১ লাখের ওপরে মুসল্লি জামাতে নামাজ পড়তে পারবেন। সেই অনুযায়ী সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জাতীয় ঈদগায়ে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, মন্ত্রী, এমপিসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা অংশ নেবেন।সরেজমিন দেখা যায়, রাজধানীর সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত জাতীয় ঈদগাহ মাঠ ইতোমধ্যেই শ্রমিকরা বাঁশ দিয়ে অবকাঠামো প্রস্তুত করেছে। ইমামের বসার স্থান ও আশপাশের দেয়াল এবং গাছে রঙের কাজ চলছে। গেট রঙ করে সজ্জিত করা হয়েছে। সেখানে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা বসানোর কাজও শেষ হয়েছে। পুরো মাঠ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরিদর্শন করছে। ঈদগাহ মাঠের ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। এ বিষয়ে ডিএসসিসির তথ্য মতে, প্রায় ৯০ হাজার মুসল্লি নামাজ পড়তে পারবেন। এরমধ্যে ৫ হাজার নারীর জন্য আলাদাভাবে পর্দার ব্যবস্থা রয়েছে। বৃষ্টির কথা মাথায় রেখে ২ লাখ ৭০ হাজার ২৭৭ বর্গফুট এলাকা বৃষ্টি প্রতিরোধক ত্রিপল দিয়ে আচ্ছাদিত করে দেওয়া হয়েছে। ময়দানে ৭শ সিলিং ও একশটি স্ট্যান্ড ফ্যান লাগানোর কাজ শেষ হয়েছে। পুরুষদের জন্য ১৪০টি এবং নারীদের জন্য ৫০টি অজুর কল রয়েছে। একটি ভ্রাম্যমাণ শৌচাগারও থাকছে। ঈদগাহ মাঠের প্রস্তুতির ব্যাপারে ডিএসসিসির নির্বাহী প্রকৌশলী মুন্সী আবুল হাশেম আমার সংবাদকে বলেন, ঈদের নামাজ পড়তে এসে মুসল্লিরা যাতে কোনো ধরনের সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি না হন সেটি লক্ষ্য রেখে মাঠের চারপাশ ছাড়াও ভেতরে যথেষ্ট ফ্যানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়াও বৃষ্টির কথা ভেবে পুরো মাঠ ত্রিপল দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। বৃষ্টি এলে দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থাও রয়েছে। মাঠের কাজ পেয়েছে পিয়ারু অ্যান্ড সন্স ডেকোরেটর। এই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মোজাম্মেল হক আমার সংবাদকে বলেন, ৯ রোজার পর থেকে ঈদগাহ মাঠের কাজ শুরু করেছি। মাঠ প্রস্তুত করতে প্রায় ২১০ জন শ্রমিক কাজ করছেন। পুরো মাঠ প্রস্তুত করতে ৪৩ হাজার বাঁশ, ৪শ মোটা পাইপ, ৮০টি গজারি গাছের কাঠ দিয়ে প্যান্ডেল নির্মাণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৯৫ শতাংশ কাজ শেষ। বাকি যেসব কাজ রয়েছে তা আজ শেষ হবে বলে জানান তিনি। উল্লেখ্য, গত বছরের মতো এবারো পবিত্র ঈদুল ফিতরে জাতীয় ঈদগা মাঠে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে পুলিশের স্পেশাল উইপন অ্যান্ড ট্যাকটিক্স (সোয়াট) টিম, র‌্যাব বোম ডিস্পোজাল ইউনিট এবং ডগ স্কোয়াড থাকবে। ঈদগাহের চারপাশে সাদা পোশাকের গোয়েন্দারা উপস্থিত থাকবে।
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত