শিরোনাম

ঈদের রাত ও দিনে যে আমল করবেন

ধর্ম ডেস্ক  |  ১৪:০৪, জুন ০৩, ২০১৯

ঈদ আনন্দের দিন। তবে মসলিমদের জন্য এ দিন ইবাদতেরও। ইসলামে এ দিনের রয়েছে আলাদা মর্যাদা। এ কারণে ঈদের রাত ও দিনটিও যেন সুন্দর হয় গোনাহমুক্ত হয় সে জন্য সবাইকে সতর্ক থাকা জরুরি।

নবী করিম সা. ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি দুই ঈদের রাতে সওয়াবের নিয়তে ইবাদত করবে, তার অন্তর সেদিন মরবে না, যেদিন অন্যদের অন্তর মরে যাবে। (ইবনে মাজাহ)

মুহাদ্দিসগণের কাছে যদিও এ হাদিস দুর্বল, তবুও নফল হিসাবে আমল করার ব্যাপারে সাহাবিদের কাছ থেকে উৎসাহ পাওয়া যায়।

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রা. সম্পর্কে বর্ণিত আছে, তিনি দুই ঈদের রাত জেগে থেকে ইবাদত-বন্দেগিতে কাটিয়ে দিতেন। হযরত ওমর ইবনে আবদুল আজিজ রহ. আদি বিন আরতকে বলেন, চারটি রাতকে খুবই গুরুত্ব দেবে। রজবের রাত, শবেবরাতের রাত, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার রাত।

আল্লাহ তাআলা এসব রাতে অশেষ রহমত বর্ষণ করেন। তাই সামর্থ্যনুযায়ী আমাদের ঈদের রাতে ইবাদত -বন্দেগী করে সময় অতিবাহিত করতে হবে।

এছাড়া মুসলমানদের জন্য ঈদের দিনের কিছু সুন্নাত আমল রয়েছে যা করা অতি সহজ, কিন্তু সওয়াব অনেক বেশি।

সেই সুন্নাত আমলসমূহ হল- ঈদের দিনে খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠা। ফজরের নামাজ মহল্লার মসজিদে জামাতের সাথে আদায় করা। গোসল করা। মিসওয়াক করা। সামর্থ অনুযায়ী নতুন ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন পোশাক পরিধান করা। আতর- খুশবু ব্যবহার করা। নামাযের পূর্বে ছদকাতুল ফিতর আদায় করা। ঈদুল ফিতর নামাযের পূর্বে কিছু মিষ্টান্ন খাওয়া। তিন, পাঁচ বা বেজোড় সংখ্যক খেজুর বা খুরমা খাওয়া। ঈদগাহে হেঁটে যাওয়া।

ঈদগাহে এক রাস্তা দিয়ে যাওয়া এবং অন্য রাস্তা দিয়ে ফিরে আসা। সকাল সকাল ঈদের নামায পড়ার জন্য যাওয়া। ঈদের নামায ঈদগাহে গিয়ে পড়া। সম্ভব না হলে মহল্লার (এলাকার) মসজিদে গিয়ে ঈদের নামায পড়া। আস্তে আস্তে তাকবীর পড়তে পড়তে ঈদগাহে যাওয়া। শরীয়তের সীমার মধ্যে থেকে খুশি প্রকাশ করা।।

আল্লাহ পাক আমাদের এ আমলগুলো করার মাধ্যমে নেককারদের দলভুক্ত করুন। আমিন।

আরআর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত