শিরোনাম

এ বছরও জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকা

নিজস্ব প্রতিনিধি  |  ১২:৫৯, মে ১৬, ২০১৯

 

 চলতি বছর বাংলাদেশে ফিতরার হার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ৭০ টাকা ও সর্বোচ্চ এক হাজার ৯৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গতবছর ফিতরার হার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ৭০ টাকা ও সর্বোচ্চ ২ হাজার ৩১০ টাকা ছিল।

বৃহস্পতিবার (১৬মে) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের জ্যেষ্ঠ পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠক শেষে মাওলানা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, এ বছর জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকা ও সর্বোচ্চ এক হাজার ৯৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গতবছর সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকাই ছিল। তবে সর্বোচ্চ ফিতরা ছিল দুই হাজার ৩১০ টাকা। তার আগের বছর সর্বনিম্ন ৬৫ টাকা এবং সর্বোচ্চ এক হাজার ৯৮০ টাকা ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

এক কেজি ৬৫০ গ্রাম গম বা আটা অথবা খেজুর, কিসমিস, পনির বা যবের মধ্যে সামর্থ্য অনুযায়ী যে কোনো একটি পণ্যের ৩ কেজি ৩০০ গ্রামের বাজার মূল্য ফিতরা হিসেবে গরিবদের মধ্যে বিতরণ করা যায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এ বছর ফিতরার জন্য নির্ধারিত ওজনের আটার দাম ৭০ টাকা, যবের দাম ৫০০ টাকা, কিসমিস ১৩২০ টাকা, খেজুর ১৬৫০ টাকা এবং পনিরের ১৯৮০ টাকা ধরে এই ফিতরা হিসাব করা হয়েছে। দেশের সব বিভাগ থেকে সংগৃহীত আটা, যব, খেজুর, কিসমিস ও পনিরের সর্বোচ্চ বাজার মূল্যের ভিত্তিতে ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী, ছোট-বড়, নারী-পুরুষ সকল মুসলিমের পক্ষ থেকে ফিতরা আদায় করা ওয়াজিব। একইভাবে ফিতরার খাদ্য ঈদের নামাযের আগেই বন্টন করাও ওয়াজিব। ঈদের নামাযের পর পর্যন্ত দেরি করা জায়েয নয়। বরঞ্চ ঈদের এক বা দুই দিন আগে আদায় করে দিলে কোন অসুবিধা নেই।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত