শিরোনাম

৭৮ সহস্রাধিক হজযাত্রীর নিবন্ধন এখনো বাকি

প্রিন্ট সংস্করণ॥নিজস্ব প্রতিবেদক  |  ০১:২৯, মার্চ ১৯, ২০১৯

চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন পবিত্র হজ পালনের সুযোগ পাবেন। সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রাক নিবন্ধনকারীদের মধ্যে হজ গমনেচ্ছুদের নিবন্ধনের জন্য যথাক্রমে ২০ ও ২১ মার্চ পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। ক্ষণ গণনার হিসাবে সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুদিন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধনের জন্য তিনদিন সময় রয়েছে। তবে এখনো ৭৮ হাজারেরও বেশি হজযাত্রী তাদের নিবন্ধন করেননি। এ বিষয়ে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) মহাসচিব শাহাদাত হোসেন তসলিম বলেন, আর দুটি সুযোগ রয়েছে নিবন্ধনের। সেকেন্ড কল ও থার্ড কলে আশা করি নিবন্ধন সম্পণ্ন হয়ে যাবে। তাছাড়া ৭৮ হাজার নয় কেবল আমাদের অপেক্ষমান তালিকায় ১ লাখেরও অধিক হাজী রয়েছে বলেও জানান তিনি।এদিকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে প্রকাশিত হজ বুলেটিনে বলা হয়, গত রোববার পর্যন্ত সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭ হাজার ১৯৮ জনের বরাদ্দকৃত কোটার মধ্যে ৫ হাজার ৪৫৯ জন নিবন্ধন করেছেন। তাদের মধ্যে প্যাকেজ-১ এর আওতায় ১ হাজার ৯৩৬ এবং প্যাকেজ-২ এর আওতায় ৩ হাজার ৫২৩ জন। এছাড়া বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪৩ হাজার ৫৮৬ জন নিবন্ধন করেছেন। অর্থাৎ হাতে মাত্র তিনদিন সময় থাকলেও এখনো ৭৮ হাজারেরও বেশি হজযাত্রী তাদের নিবন্ধন করেননি।হাবের মহাসচিব শাহাদাত হোসেন তসলিম বলেন, আশা করা যাচ্ছে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অধিকাংশ নিবন্ধন হয়ে যাবে। এরপর নির্ধারিত সিরিয়ালের বাইরে থেকে নতুনভাবে নিবন্ধনের জন্যও আবেদনের সুযোগ দিতে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেয়া হবে। তিনি আরও জানান, গত বছর পর্যন্ত ১৫০ জনের কম হলে কোনো হজ এজেন্সি এককভাবে হজযাত্রী পরিবহন করতে পারতেন না। তবে সপ্তাহ খানেক আগে চলতি বছর ১০০ জন হলেই হজ এজেন্সিগুলো এককভাবে যাত্রী পরিবহন করতে পারবে বলে অনুমতি দিয়েছে সৌদি সরকার। নিবন্ধনে গতি কম হওয়ার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এতো দিন অনেক এজেন্সি অন্য এজেন্সির সাথে যুক্ত হয়ে হজযাত্রী পাঠানোর চিন্তাভাবনা করলেও এবার নতুন নিয়মে তারাও এককভাবে যাত্রী পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ কারণেই নিবন্ধন একটু শ্লথগতিতে হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত