শিরোনাম

বিএনপিকে পাশে না রেখেই সংলাপের ঘোষণা!

প্রিন্ট সংস্করণ॥নিজস্ব প্রতিবেদক  |  ০০:৩৯, জানুয়ারি ১৮, ২০১৯

একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে গণভবনে একাধিক সংলাপ করেও ঐক্যফ্রন্ট কোনো আশার আলো দেখেনি। তখন ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকেই এমন দাবি করা হয়েছিলো। এবার ভোট ডাকাতির অভিযোগ এনে ফের সংলাপের কথা ভাবছে সরকারবিরোধী এ জোটটি। গতকাল রাজধানীর মতিঝিলে গণফোরামের সভাপতি ও ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষনেতা ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে এ সংক্রান্ত বৈঠক শেষে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ‘জাতীয় সংলাপ’ করবে এমন তথ্য জানান ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির অন্যতম নেতা জেএসডি সভাপতি আসম আবদুর রব ও মোস্তফা মোহসিন মন্টু। নির্বাচনের পর বড় ধরনের এ কর্মসূচির ঘোষণা দিলেও এ সময় পাশে ছিলো না বিএনপি! দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অসুস্থ থাকায় তার অনুপস্থিতিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায় উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও কেউ আসেননি। সংলাপের সিদ্ধান্ত ঐক্যফ্রন্টের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত কিনা এ বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলেও কোনো উত্তর দেননি তারা। এ সময় জেএসডি সভাপতি আসম আবদুর রব বলেন, আমরা যাই করবো দলীয় শক্তি দিয়ে, ঐক্যফ্রন্টের শক্তি দিয়ে কিছু করতে চাচ্ছি না। রব বলেন, আমাদের অনেকে বলেছেন কর্মসূচি দিন। তাই আমরা বৈঠকের পর বৈঠক করেছি। কি ধরনের কর্মসূচি দেয়া যায়। কি ধরনের কর্মসূচি হলে আমরা জনগণকে সাথে পাবো। আর আমরা জনগণের সাথে থাকতে পারবো। আমরা স্বাক্ষর কারণ; রাজনীতিতেও বেপরোয়া চালক দুর্ঘটনার কারণ ঘটাতে পারে। ফখরুল সাহেবের সাম্প্রতিক আচার-আচরণ থেকে তাকে এতই ভয়ঙ্কর-বেপরোয়া বলে মনে হচ্ছে। বিএনপি নেতাদের নিয়েও একই ভয় জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নেতাদের কথাবার্তায়ও একই সুর। তবে আমরা বিষয়টিকে ধৈর্যের সঙ্গে দেখছি, আমরা সহিষ্ণুতা প্রদর্শন করছি।তিনি বলেন, বিএনপি নেতাদের ভেতর নির্বাচনে হেরে যাওয়ার বেদনা আছে, কষ্ট আছে। সেই কষ্ট ও যন্ত্রণা থেকে তারা বেপরোয়া হতে পারে; কিন্তু এই বিশাল বিজয়ের সঙ্গে আমাদের বিশাল একটি দায়িত্ব আছে। ১৯ জানুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যান জনসমুদ্রে পরিণত হবে, এমন আশা করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, নির্বাচনে যেমন গণজোয়ার, ঠিক সেদিনও ১৯ জানুয়ারি একটি বড় জোয়ার এ নগরীতে দেখতে পাব। এ সময় ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সংসদ সদস্য পঙ্কজ দেবনাথসহ দলের অন্যান্য নেতা। প্রসঙ্গত একাদশ সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট। এ জোট ২৮৮ আসনে জয় পেয়েছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ একাই ২৫৯ আসনে জয় পেয়েছে। এ বিজয়কে বরণ করতে ১৯ জানুয়ারি সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশ করবে আওয়ামী লীগ।

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত