শিরোনাম

‘দেশে ফিরছেন তারেক রহমান’

নিজস্ব প্রতিবেদক  |  ১৮:৩৯, অক্টোবর ২০, ২০১৮

খুব শিগগিরই দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি দেশে ফিরেই আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন। শনিবার (২০ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল আয়োজিত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় প্রত্যাহারের দাবিতে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এ তথ্য জানান দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ।

জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাসের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে মহিলা দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি নূরজাহান ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, সহ-সভাপতি জেবা খান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন

মানববন্ধনে ব্যারিস্টার মওদুদ বলেন, ‘তারেক রহমান যখন দেশে ফিরে আসবেন, তখন তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে আপিল করবেন। আদালত থেকে জামিন নেবেন। তিনি উচ্চ আদালতে নির্দোষ প্রমাণিত হবেন। এ মামলা প্রত্যাহার হবে। রায়ও বাতিল হবে।’

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নিয়ে সরকারের সমালোচনার জবাব দিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, ‘আজকে তাদের (বর্তমান সরকার) গাত্রদাহ হয়েছে, এতো বড় ঐক্যফ্রন্ট কী করে হলো? সে জন্য বিভিন্ন মন্ত্রীরা বিভিন্ন অশালীন ভাষায় মন্তব্য করা শুরু করেছেন। এটাই প্রমাণ করে আমরা ঠিক কাজই করেছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা যে ঐক্যফ্রন্ট করেছি এটা সঠিক কাজ করেছি, দেশের সকল মানুষ যে এই ঐক্য চায় সেটাই আজকে প্রমাণিত হয়েছে। সরকার আমাদের যতই সমালোচনা করবে ততই বুঝতে হবে আমরা ঠিক কাজ করেছি, সঠিক কাজ করেছি। আমাদের এই ঐক্য আরও জোড়দার হবে। এটির মাধ্যমে আমরা আমাদের নেত্রীকে (খালেদা জিয়া) মুক্ত করবে।

সরকারের উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে মওদুদ বলেন, আগামী নির্বাচন হবে সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচন। এককভাবে কোনো নির্বাচন করতে দেয়া হবে না। এবার আর ২০১৪ সালের মতো নির্বাচন হবে না। এবার আমরা নির্বাচনে গেলে মাঠে যখন মানুষ নামবে তখন আপনারা বুঝতে পারবেন কোন পক্ষে দেশের মানুষ রয়েছেন।

সিলেটে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পূর্বঘোষিত জনসভায় প্রথমে অনুমতি দিয়ে সেটি আবার বাতিল করা হয়েছে -এমন অভিযোগ করে বিএনপির এ শীর্ষনেতা বলেন, জাতীয় পার্টি সমাবেশ করে, ওয়ার্কার্স পার্টি সমাবেশ করে, চরমোনাই সমাবেশ করে। অথচ আমাদের সমাবেশ করতে দেয়া হয় না। এভাবেই সরকার মত প্রকাশের স্বাধীনতা মুঠোবন্দি করে রেখেছে। সিলেটে সমাবেশের জন্য প্রথমে অনুমতি দেয়া হলো, এখন তা বাতিল করা হলো।

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় প্রতিহিংসামূলকভাবে তারেক রহমানকে সাঁজা দেয়া হয়েছে অভিযোগ করে মওদুদ বলেন, সম্পূর্ণ আইনবহির্ভূতভাবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে সাঁজা দেয়া হয়েছে। এই রায় একটি ফরমায়েসী রায়, এই রায় দেশের মানুষ মানেনি এবং মানতে পারে না। কারণ তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কোনো স্বাক্ষী জবানবন্দি দেননি।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তারেক রহমানকে জড়ানো হয়েছে। তাকে জড়ানো প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে গেছে। তারেক রহমানের জড়িত থাকার কোনো সাক্ষ্য-প্রমাণ নেই। তারপর ২০০৯ সালের পর কী হয়েছে সেটা দেখতে হবে। আগে এফবিআই ও ইন্টারপোলের প্রতিবেদনে তার নাম আসেনি। এ ঘটনার বিচারের জন্য বিএনপি সরকার সব ধরনের চেষ্টা করেছে। সে সময় আওয়ামী লীগ সহযোগিতা করেনি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত