শিরোনাম

শেখ হাসিনা ভালো থাকলে ভালো থাকবে বাংলাদেশ : হাশেম রেজা

প্রিন্ট সংস্করণ॥আজাদ হোসেন, চুয়াডাঙ্গা থেকে  |  ০০:৪৯, অক্টোবর ১৯, ২০১৮

জননেত্রী শেখ হাসিনা ভালো থাকলে ভালো থাকবে দেশ, আ.লীগের সরকার ক্ষমতায় থাকলে পথ হারাবে না বাংলাদেশ। জঙ্গিবাদ, নাশকতা আর সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করে উন্নয়নের চলমান ধারা অব্যাহত রেখে সুখী-সমৃদ্ধশালী সোনার বাংলা গড়তে আবারো নৌকার বিজয় ছাড়া দেশবাসীর সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা অসীম সাহস ও দূরদর্শিতার সাথে দেশে ভয়ঙ্করভাবে বিস্তার লাভকরা জঙ্গিবাদকে কঠোর হস্তে দমন করেছেন। পুরোপুরি জঙ্গিবাদ নির্মূল করে নাশকতা আর সন্ত্রাসবাদের শিকড় উপড়ে ফেলে উন্নয়নের চলমান ধারা অব্যাহত রেখে সুখী-সমৃদ্ধশালী ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে হলে এবং আমাদের সবার প্রিয় বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রের কাতারে নিয়ে যেতে হলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারো মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শানিত উন্নয়ন-শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রতীক নৌকায় ভোট দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে পুনরায় দেশের প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসাতে হবে। আর সেটা করতে না পারলে ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে কষ্টার্জিত স্বাধীনতা ভূলুণ্ঠিত হবে, প্রাণের চেয়ে প্রিয় এ দেশ ভয়ঙ্কর জঙ্গিবাদের অভয়ারণ্যে পরিণত হবে এবং পাকিস্তান কিংবা আফগানিস্তান হয়ে যাবে। আগামী ২১ অক্টোবর রোববার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা বাজার মাঠে অনুষ্ঠেয় ঐতিহাসিক জনসভা করার লক্ষে প্রস্তুতি সভা বৃহস্পতিবার বিকালে জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের গয়েশপুর, গোয়ালপাড়া বাজার, মেদেনীপুর, হরিহরনগর, বেনীপুর বাজারসহ বেশকটি স্থানে অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় আ.লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এসব সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের বাংলাদেশ আ.লীগের দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী বাংলাদেশ আ. যুবলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সহ-সম্পাদক গণ-মানুষের নেতা হাশেম রেজা এসব কথা বলেন। এসব সভায় তিনি বলেন, আমি আপনাদের সন্তান, এই এলাকার মা-মাটির সন্তান আমি, আমি যদি কোনো ভুল করে থাকি তাহলে আপনারা আমায় ক্ষমা করে আগামী ২১ অক্টোবর রোববার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা বাজার মাঠে অনুষ্ঠিতব্য ঐতিহাসিক জনসভায় এ এলাকা থেকে ঐক্যবদ্ধ ও শান্তিপূর্ণভাবে উৎসবমুখর পরিবেশে উপস্থিত হবেন। যদি হাশেম রেজাকে ভালোবাসেন, নৌকাকে বিজয়ী করতে চান, জননেত্রী শেখ হাসিনাকে আবারো বাংলার রাষ্ট্রনায়ক হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে চান তবে অবশ্যই কার্পাসডাঙ্গা বাজার মাঠের জনসভায় সকল মতপার্থক্য ভূলে হাজির হবেন। মনে রাখবেন এ এলাকায় স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি থাকবে নাকি ৭১-এর পরাজিত শক্তির রামরাজত্ব কায়েম হবে সেই ফয়সালা হবে কার্পাসডাঙ্গার জনসভায়। সেকারণে সেখানে আমাদের দলের সকল নেতা-কর্মী ও সমর্থকের হাজির হওয়া জরুরি। এসব প্রস্তুতি সভায় চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের মানুষের সার্বিক জীবন-মান ও বর্তমান সামাজিক অবক্ষয় পুরো পাল্টে দেয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে বাংলাদেশ আ. যুবলীগের সহ-সম্পাদক ও দৈনিক আমার সংবাদ সম্পাদক জননেতা হাশেম রেজা আরও বলেন, বর্তমান সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে উন্নয়নের মহাসড়কে চলমান এই ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার ও আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের কারিগর জননেত্রী শেখ হাসিনা তার নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় এ দেশকে পুরোপুরি বদলে দিতে সক্ষম হয়েছেন। মানুষকে এখন আর আগের মতো কায়িক পরিশ্রম করে নিজের শরীরের শক্তি ক্ষয় করে দৈনন্দিন কাজ করতে হয় না। এখন মানুষ ঘরে বসেই বিশ্ব জয় করতে পারে, মানে সবকিছু করতে পারে। এ দেশের মানুষ ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল পেতে শুরু করেছেন তাদের প্রাত্যহিক কর্মকা-ের মধ্য দিয়ে। এখন আর মানুষে মানুষে কোনো বিভেদ নাই। কারণ বাংলাদেশ আ.লীগের সরকার এ দেশের সকল বেকার যুবক থেকে শুরু করে সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে আজ দক্ষ কর্মীরূপে গড়ে ওঠার সুযোগ করে দিয়েছেন ডিজিটাইলেজশনের মাধ্যমে। জননেতা হাশেম রেজা তার নিজের এলাকা চুয়াডাঙ্গা-২ আসন সম্পর্কে বলেন, যদিও বর্তমান জনবিচ্ছিন্ন একজন জনপ্রতিনিধির কারণে এখানকার মানুষ ডিজিটাল বাংলাদেশের সুবিধা পুরোপুরি উপভোগ করতে পারছেন না, তার পরও তিনি আশাবাদী বলে জানান। সমাবেশে অন্য বক্তারা বলেন, চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আ.লীগের দলীয় মনোনয়নের প্রধান দাবিদার জননেতা হাশেম রেজা। চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের পুরো যুবশক্তি তার পেছনে দ-ায়মান। সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জীবননগর উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফুল ইসলাম মিন্টু, জেলা মৎস্যজীবী লীগের সহ-সভাপতি সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম, আন্দুলবাড়িয়ার যুবলীগনেতা জাহিদুল ইসলাম, জীবননগরের যুবলীগ নেতা তরিকুল ইসলাম, রায়পুরের যুবলীগ নেতা শাহাবুদ্দিন খান, সীমান্ত ইউনিয়নের যুবলীগ নেতা জহিরুল ইসলাম, বিপ্লব হোসেন দিলু, জাকির হোসেন, বাবুল আকতার, সাব্বির, মিয়াজী খান, সালাহউদ্দীন, ছাত্রলীগ নেতা এইচএম হাকিম, লিটন, রিপন, রঞ্জু, রাসেল রিমু, বিল্লাল, সাজেদুর রহমান কাদের প্রমুখ। জননেতা হাশেম রেজা এদিন জীবননগরে যাওয়ার পথে উথলী মোড় এবং চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়নের আকন্দবাড়িয়া, শিংনগর, মানিকপুর, রাজাপুর, ধোপখালীসহ বেশ কয়েকটি গ্রামে অনির্ধারিত পথসভা ও গণসংযোগ করেন।
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত