শিরোনাম

আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী, বিএনপির একজন

এম এ রহমান॥প্রিন্ট সংস্করণ  |  ১২:০৬, আগস্ট ১২, ২০১৭

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চৌগাছা ও ঝিকরগাছা নিয়ে যশোর-২ আসন গঠিত। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে চৌগাছা-ঝিকরগাছা উপজেলা এলাকায় প্রার্থীদের নিয়ে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা কল্পনা। এ আসনে আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থীর কথা শোনা গেছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা দেখে মনে হচ্ছে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনে হয় প্রচারে মুখরিত ব্যক্তিই শীর্ষে। এ আসনে বর্তমান আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম থাকলেও সাবেক সাংসদ ও খনিজ জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রফিকুল ইসলামও এবার প্রার্থী হতে প্রস্তুত রয়েছে।

আওয়ামী লীগের মধ্যে প্রার্থীদের ছড়াছড়ি থাকলেও বিএনপি তথা চারদলীয় বর্তমানে ২০ দলীয় জোটের একাধিক প্রার্থীর নাম শোনা যায়নি। সকাল থেকে এ দুই উপজেলার চায়ের দোকান থেকে শুরু করে প্রায় প্রতিটি স্থানে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে শুরু হয়েছে নানা জল্পনাকল্পনা। বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের সংখ্যা একাধিক হওয়ায় কাকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের টিকিট কে পাচ্ছেন তা নিয়ে রয়েছে নানা গুঞ্জন। দলীয়পর্যায়ে মূল্যায়ন ছাড়াও সামাজিক অবস্থান নিয়ে প্রার্থী আশা করে উপজেলা বাসী।

যশোর-২ আসনে এবার সম্ভাব্য প্রার্থীর আলোচনায় রয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী রায়হান, সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা মেজর জেনারেল (অব.) নাসির উদ্দিন, আওয়ামী লীগ আইনজীবী পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা ড. আকতারুল কবীর ও এবিএম আহসানুল হক। এছাড়া এই আসনে প্রার্থী হতে বরবরাই কর্মীদের সাথে সব সময় যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন চৌগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম হাবিবুর রহমান হাবিব এবং কেন্দ্রীয় যুবলীগনেতা আনোয়ার হোসেন। আওয়ামী লীগের টিকিট কে পাচ্ছেন তা নিয়ে এই দুই উপজেলায় চলছে নানা জল্পনা কল্পনা। তবে নতুন মুখ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন সাধারণ ভোটাররা। আওয়ামী লীগ সব সময় যোগ্য ও নতুন প্রার্থীর প্রতি বেশি প্রাধান্য দেয়।

সেক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের পক্ষে নতুন মুখ প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমান সাংসদ অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলামকে নিয়ে দুই উপজেলায়ই রয়েছে নানা গ্রুপিং-লবিয়িং বলে জানিয়েছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা। আওয়ামী লীগের পাশাপাশি প্রধান বিরোধী দল বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপিনেতা ঝিকরগাছা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাবিরা নাজমুল ও জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে সাবেক সংসদ মুহাদ্দিস আবু সাঈদ। এই আসনে বিগত নির্বাচনে সাবেক খনিজ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী রফিকুল ইসলামকে পরাজিত করে জয়লাভ করেন বর্তমান সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম।

এবারও তিনি প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশায়। তবে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী রায়হানের অবস্থান এলাকায় খারাপ নয়। দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের দখলে থাকা এ আসনে প্রার্থী ছড়াছড়ির কথা শোনা যায় তাতে এবার দলের অবস্থা নড়বড়ে। বিএনপির সাবিরা নাজমুল ও মুহাদ্দিস আবু সাঈদ ছাড়া বিরোধী দলের আর কারও প্রার্থিতার কথা শোনা যায়নি।

খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, এ আসনে বর্তমান সংসদ সদস্যকে নিয়ে রয়েছে নানা গুঞ্জন। এবার এ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে নতুন মুখের প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা এখন সকলের মুখে মুখে। বিএনপি জোটের মাত্র একজন প্রার্থী। সেক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত নিয়ে এখানে রয়েছে নানা জটিলতা ও গুঞ্জন। সবশেষ কে হচ্ছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী সেই দিনটির অপেক্ষায় রয়েছে এ দুই উপজেলার ভোটারগণ।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত