শিরোনাম

জনগণের ইচ্ছাই হোক ক্ষমতার ভিত্তি

প্রিন্ট সংস্করণ॥রায়হান আহমেদ তপাদার  |  ০১:৪৫, অক্টোবর ১১, ২০১৮

যতই দিন যাচ্ছে ততই নির্বাচনি হাওয়া মাঠে বইতে শুরু করেছে। আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে অনেকেই শঙ্কা ও আতঙ্কের মধ্যে আছেন। নির্বাচন-পূর্ব কোনো সহিংসতা, অস্থিরতা বা রাজনৈতিক টানাপড়েন সৃষ্টি হয় কিনা? তবে এমন কোনো অবাঞ্ছিত পরিস্থিতির উদ্ভব হলে বা কেউ সৃষ্টি করতে চাইলে তাদের পরিণাম হয়তো ভালো হবে না। জনগণই তাদের উচিত জবাব দিয়ে দেবেন। কেউ জনগণকে নিয়ে তামাশা বা টালবাহানা করতে চাইলে জনগণ তাদের অবশ্যই প্রত্যাখ্যান করবে। পরিষ্কার পানিকে ঘোলাটে করে যদি কেউ ফায়দা নেয়ার চেষ্টা করে বা নির্বাচনকে ঘোলাটে করে বা জটিল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাইলে প্রকারান্তরে জনগণ তাদের উচিত শিক্ষা দিয়ে দেবেন। এ ক্ষেত্রে জনগণ তাদের সস্তা জনপ্রিয়তায় কোনো আন্দোলন বা সরকার উৎখাতের জন্য বেপরোয়া হয়ে শৃঙ্খলা পরিপন্থী কোনো কাজে এগিয়ে আসবে না। ইতোমধ্যে অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক আগামী নির্বাচনের বিষয়ে বিভিন্ন মতামত দিয়ে যাচ্ছেন। তাদের কেউ কেউ জোট ও ভোটের রাজনীতির কথা বলছেন, নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের পরিবেশ ও পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলছেন, সব আসনে জয়লাভে আকাঙক্ষার কথা বলছেন, নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতার কথা বলছেন, কেউ কেউ জাতীয় নির্বাচন ও আন্দোলন নিয়ে কথা বলছেন এবং কেউ বা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ইত্যাকার বিভিন্ন প্রাসঙ্গিক প্রশ্নে জনগণের উদ্দেশ্যে বক্তব্য ও মতামত দিয়ে যাচ্ছেন। তবে একাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে অধিকাংশ জনগণ যেভাবে ভাবছে এবং যে আকাঙক্ষা, প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির দাবিতে সোচ্চার তা যেন পূরণ হয়। সাধারণ মানুষের মন কীভাবে জয় করা যায়, কীভাবে ভোটারদের আস্থা অর্জন করা যায় সেসব বিষয়ে কেন্দ্রীয় শীর্ষ পর্যায় থেকে দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন কৌশল ও দিকনির্দেশনা। রাজনৈতিক দলগুলোয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এমন তৎপরতা সব শ্রেণির মানুষকে নিয়ে যাচ্ছে ভোটের প্রস্তুত হওয়ার তাগাদা। বড় দুটি দলই নির্বাচনে জিততে চায়। নির্বাচনে জয়ের লক্ষ্যে উভয় দলই মরিয়া। দলীয় কোন্দল মেটাতে শাসক দল দায়িত্ব দিয়েছে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের। তারা দলীয় কোন্দল মিটিয়ে দলের মধ্যে একটা পরিচ্ছন্ন ভাবধারা গড়ে তুলে ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টা করছেন। তা ছাড়া ছোটখাটো দলগুলো কোন জোটে যাওয়া যায় তা নিয়ে এক ধরনের চিন্তাভাবনা করছে। দেশের রাজনীতিতে জাতীয় পার্টি বরাবরই বড় ধরনের ফ্যাক্টর। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ একসময় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন। কিন্তু একজন সাবেক রাষ্ট্রপতির একটি কথা মানেই নীতিবাক্যের মতো। কিন্তু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সকাল-বিকাল কথা পরিবর্তন করেন। এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে এক ধরনের রসিকতাও রয়েছে। তবে তিনি কিছুটা মউজে আছেন। কারণ শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে যদি বিএনপি অংশগ্রহণ না করে, তাহলে তার দলই হবে আওয়ামী লীগের প্রধান প্রতিপক্ষ। নির্বাচনের পর এরশাদের জাতীয় পার্টিই হবে প্রধান বিরোধী দল। তাই দেশবাসী আশা করে, আগামী নির্বাচনে বিএনপি সে একই ভুলে পুনরাবৃত্তি করবে না। ইইউ তথা বিভিন্ন বিদেশি রাষ্ট্রও অংশগ্রহণ মূলক নির্বাচন দেখতে চায়। সব দলের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। জনগণ সে ধরনের নির্বাচনই দেখতে চায়। বাংলাদেশের ভোটের রাজনীতিতে একটি সুবাতাস বয়ে আসুক, গণতন্ত্র ও জনগণের জয় হোক। আমাদের সমাজে, রাজনীতিতে-অর্থনীতিতে ও রাষ্ট্রে এক প্রলম্বিত অস্থিরতা-অনিশ্চয়তা ভর করেছে। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সে অস্থিরতা-অনিশ্চয়তা জনগণের মধ্যে এক ধরনের সংক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। দেশের সচেতন, কর্মক্ষম মানুষের অর্ধেকই হচ্ছে তরুন প্রজন্ম, যাদের বয়স প্রায় তিরিশ বছরের নিচে। কোটি মানুষ যারা স্কুল-কলেজে বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করছে, উচ্চশিক্ষা নিয়ে বেরিয়ে গেছে, দারিদ্র্য অথবা পারিবারিক কারণে শিক্ষার নানা স্তরে ঝরে পড়ার পর গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি, বৈদেশিক কর্মস্ংস্থান বা আত্মকর্ম সংস্থানে যুক্ত হয়েছে। অথবা বেকারত্বের অভিশাপ নিয়ে চাকরি ও আত্মকর্ম সংস্থানের জন্য লড়াই করে করে ক্রমে হতাশ ও সংক্ষুব্ধ হয়ে পড়ছে। সাম্প্রতিক কোটা সংস্কার আন্দোলনে এই হতাশ ও সংক্ষুব্ধ তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিদেরকেই লাইমলাইটে দেখা গেল। দেশে কোটি কোটি মেধাবী তরুণ যখন বেকারত্বের অভিশাপ মাথায় নিয়ে ঘুরছে, তাদের অনেকেই পারিবারিক চাহিদা পূরণের জন্য দেশত্যাগ করতে বাধ্য হচ্ছে, তখন মাত্রাহীন, অনৈতিক কোটা ব্যবস্থার কারণে সরকারি চাকরিতে তাদের প্রবেশের পথ সংকুচিত করে রাখার বিরুদ্ধে পুঞ্জিভুত ক্ষোভের বিষ্ফোরণ ঘটা অস্বাভাবিক নয়। সাধারণ ছাত্র-ছাত্রী অধিকার সংরক্ষণের ব্যানারে পরিচালিত সাম্প্রতিক আন্দোলন দমাতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বলপ্রয়োগ এবং সরকারের দায়িত্বশীল মহলের নানা ধরণের উস্কানি সত্ত্বেও কোটা সংস্কারের দাবির আন্দোলন ছিল যথেষ্ট শান্তিপূর্ণ। সাধারণ শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রার্থীদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এমন একটি অরাজনৈতিক ও স্পর্শকাতর ইস্যুতে সব ধরনের রাজনৈতিক ভেদাভেদ ও মতপার্থক্য ভুলে ক্যাম্পাস ছেড়ে এক কাতারে রাজপথে নেমে আসার এই বাস্তবতা থেকে দেশের সরকার ও সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের জন্য অনেক কিছুই শিক্ষণীয় রয়েছে। নতুন প্রজন্মের প্রত্যাশাকে ক্ষমতার লাঠি-বন্দুক দিয়ে দমিয়ে রাখার চেষ্টা ব্যর্থ হতে বাধ্য। তাদের সাধারণ স্বার্থের প্রশ্নে কোন রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রয়োজন নেই। একাদশ জাতীয় নির্বাচন দেশের স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব ও জনগণের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ একটি নির্বাচন। অতীতের যে কোনো নির্বাচনের চেয়ে এ নির্বাচন অধিক গুরুত্ব বহন করে। তাই দেশ ও জনগণ সরকারের স্বার্থেই দুর্নীতিবাজ কালো টাকার মালিক অসৎ শ্রেণির লোক ও দলকে বয়কট করার শপথ এখন থেকেই গ্রহণ করতে হবে। তাহলেই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে। দুর্নীতির শক্তি দুর্বল হবে এবং মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না। এ দায়িত্ব সম্মিলিতভাবে দেশপ্রেমিক সব শ্রেণি ও পেশার মানুষকে পালন করতে এগিয়ে আসতে হবে। তবেই নির্বাচন ও উন্নয়ন জাতির জন্য সফলতা বয়ে আনবে। একাদশ জাতীয় নির্বাচন ক্রমেই এগিয়ে আসছে। ভোট নাগরিকের মৌলিক অধিকার। ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতার পরিবর্তন হয়। এ পরিবর্তন যেন দুর্নীতিকে এগিয়ে না আনতে পারে। অব্যাহত উন্নয়নের শৃঙ্খলা ধরে রাখতে হবে। উন্নয়নের অর্থ দুর্নীতির মাধ্যমে যাতে অন্যের পকেটে ঢুকতে না পারে সে দায়িত্ব কঠিনভাবে পালন করতে হবে জনগণকে। যুগ যুগ ধরে যারা দুর্নীতির মাধ্যমে পকেট ভর্তি করেছে, আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে এজাতীয় প্রার্থীদের বয়কট করতে হবে। তাদের সম্পর্কে সজাগ থাকতে হবে রাজনৈতিক দল এবং জনগণকে। আগামী জাতীয় নির্বাচনে যেসব দল অংগ্রহণ করবে তারা যেন সৎ, যোগ্য, আদর্শবান, দেশপ্রেমিক লোককে মনোনয়ন দেন। নির্বাচনের সঙ্গে উন্নয়নের সম্পর্ক প্রার্থীর সঙ্গে দলের সম্পর্ক। উন্নয়নের সঙ্গে দেশ ও জনগণের সম্পর্ক জড়িত। নির্বাচিত প্রতিনিধি ছাড়া অন্য কেউ উন্নয়ন করতে পারে না। উন্নয়ন আর নির্বাচন দুর্নীতিমুক্ত না হলে সেখানে সঠিক উন্নয়ন জনগণ দেখতে পায় না। একটি সুষ্ঠু, সুন্দর, অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চায়। যেখানে জনগণের স্বাধীন মতামত প্রতিফলিত হবে। জনগণ একটি স্বতঃস্ফূর্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আশা করে। আগামী নির্বাচন যেন প্রতারণা ও কারচুপিমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হতে পারে জনগণ বরাবরই সেটা আশা করে। সে লক্ষ্যে জনগণ একটি স্বাধীন, শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ একটি কমিশন গঠনের কথা বরাবরই বলে থাকে। কারণ স্বাধীন শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতহীনভাবে কাজ করতে পারে। তারা কোনো দুর্নীতি ও সন্ত্রাসকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেবে না। শান্তিপ্রিয় জনগণ নির্বাচন নিয়ে সহিংসতা পছন্দ করে না। এ জন্য নির্বাচন কমিশন ভোট কেন্দ্রে কারচুপি বা কেউ সন্ত্রাসী আচরণ করলে তার ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এটাই জনগণের প্রত্যাশা। এ ছাড়া ভোট কেন্দ্রে কোনো নাশকতা ও গোলযোগ সৃষ্টির পাঁয়তারা করলে কমিশন তাকেও ছাড় দেবে না। ভয়-ভীতি, হুমকি, অনুরাগ, বিরাগের বশবর্তী হয়ে নির্বাচন কেন্দ্রে কেউ দায়িত্ব পালনে অবহেলা বা পক্ষপাতদুষ্ট কোনো আচরণ করলে নির্বাচন কমিশন তাৎক্ষণিক যথাযথ ব্যবস্থা করলে সাধারণ জনণের ইচ্ছা পূরণ হবে। এ ছাড়া নির্বাচনের আগে সব দলের অংশগ্রহণে লেবেল প্লেইং ফিল্ড তৈরি করে একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি হবে জনগণ তাই প্রত্যাশা করে। আমরা বিশ্বাস করি আগামী নির্বাচন একটি উদাহরণ সৃষ্টিকারী গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচন হবে আন্তর্জাতিক মানের এবং বিশ্বের এক রোল মডেল। যারা সস্তা প্রাপ্তির জন্য ব্যাকুল, যারা জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেন, জনগণকে নিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করে, জনগণের পয়সা লুটপাট করে তারা আজ কোথায়? নিশ্চয়ই তাদেরও বোধোদয় হবে। ঠকবাজ, প্রতারক ও ষড়যন্ত্রকারীচক্র আগামী নির্বাচনে প্রত্যাখ্যাত হবে। দেশপ্রেমিক, নিঃস্বার্থ, পরোপকারী ও মহানুভব ব্যক্তি এবং মেহনতী কর্মী ও নেতাকে সাধারণ জনগণ তাদের রায় দিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করবেন। এটা মেনে নেয়ার মতো সৎ, সাহস ও বড় মন বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর আছে। কেননা তিনি পারিবারিক বলয়ে সেভাবেই গড়ে উঠেছেন। কোনো কারচুপি, ক্ষমতা কুক্ষিগত করে শাসন-শোষণ করা তার স্বভাব বিরুদ্ধ কাজ। দেশের প্রশাসন আজ অনেক শক্ত। আইনশৃঙ্খলার অবস্থা খুবই সুদৃঢ় ও মজবুত। এ অবস্থায় পানি ঘোলাটে করে কেউ সুবিধা নিতে চেষ্টা করলে তিনি বিপদে পড়ে যাবেন নিঃসন্দেহে। দেশে নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনে ঢেলে সাজিয়ে আরো শক্তিশালী করা হবে। সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন সবাইকেই তাদের পেশাদারিত্বের মর্যাদাকে অক্ষুণœ রাখতে নির্দেশনা প্রদান করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবলীল নেতৃত্বে আগামী বাংলাদেশ হবে সুখী, সমৃদ্ধ ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ। একাদশ জাতীয় নির্বাচন দেশের স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব ও জনগণের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ একটি নির্বাচন। অতীতের যে কোনো নির্বাচনের চেয়ে এ নির্বাচন অধিক গুরুত্ব বহন করে। তাই দেশ ও জনগণ সরকারের স্বার্থেই দুর্নীতিবাজ কালো টাকার মালিক অসৎ শ্রেণির লোক ও দলকে বয়কট করার শপথ এখন থেকেই গ্রহণ করতে হবে। তাহলেই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে। দুর্নীতির শক্তি দুর্বল হবে এবং মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না। এ দায়িত্ব সম্মিলিতভাবে দেশপ্রেমিক সব শ্রেণি ও পেশার মানুষকে পালন করতে এগিয়ে আসতে হবে। তবেই নির্বাচন ও উন্নয়ন জাতির জন্য সফলতা বয়ে আনবে। কারণ গণতন্ত্রের প্রাথমিক ও প্রধান ধাপ হচ্ছে নির্বাচন। আর এই নির্বাচন হতে হয় সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক। বর্তমান বিশ্বে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য পৃথিবীর অনেক জাতি-রাষ্ট্রকে সংগ্রাম করতে হচ্ছে। বাংলাদেশ হচ্ছে অন্যতম জাতি-রাষ্ট্র যারা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য, গণতন্ত্রের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছে। বাঙালিরা ছিনিয়ে এনেছে নিজেদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব এবং প্রতিষ্ঠা করেছে গণতন্ত্র। বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধির মূলে রয়েছে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো দল আওয়ামী লীগ। এমন কি উপমহাদেশের প্রাচীনতম দলগুলোর মধ্যে এটি একটি। আর এই দলটির বর্তমান শাসনামলেই বাংলাদেশ নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। তাই বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিক মনে করে বর্তমান সরকার আগামীদিনে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আরো বেশি শক্তিশালী করবে এবং সফলতার দিকে নিয়ে যাবে।
লেখক ও কলামিস্ট
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত