শিরোনাম

কুরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করতে হবে

প্রিন্ট সংস্করণ  |  ০৯:১২, আগস্ট ১০, ২০১৯

আগামী সোমবার পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদে কুরবানির পর পশুর বর্জ্য নিয়ে প্রতি বছরই মহাসমস্যার সৃষ্টি হয়। তবে এ বছর এধরনের সমস্যা উত্তরণে চাকার দুই সিটি কর্পোরেশন থেকে নানা উদ্যোগ নেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

এ ছাড়াও কুরবানির বর্জ্য ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পরিষ্কার করার ব্যবস্থা নিতে দেশের সকল পৌর মেয়রদের প্রতি নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নাগরিকদের যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রেখে সংশ্লিষ্টদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কুরবানির বর্জ্য পরিষ্কার করার ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেছেন দায়িত্বশীলরা।

এখন যথা সময়ে বর্জ্য অপসারণ করাই মূল কাজ। কুরবানির পশুর বর্জ্য পরিবেশ দূষণ ছাড়াও নানা ধরনের সমস্যার সৃষ্টি করে। সময়মত বর্জ্য অপসারণ না করা হলে দুর্গন্ধে পরিবেশ দূষিত হয়।

সকল সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীদেরও অনেক বেগ পেতে হয় বর্জ্য অপসারণে। তবে সুনির্দিষ্ট জায়গায় পশু কুরবানি করলে বর্জ্য অপসারণ সহজ হয় কর্তৃপক্ষের। ‘কুরবানির পর সকল পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করাটাই বেশী জরুরি।

এ নিয়ে কোনো কালক্ষেপণ করলে তা পরিবেশের জন্য যেমন হুমকি- তেমনি জনসাধারণের দুর্ভোগেরও শেষ থাকেনা। এ ব্যাপারে সবাই দায়িত্বশীল হলে দ্রুত বর্জ্য অপসারণ সম্ভব হবে। প্রতিবছরই দেশের রাজধানী, সিটি কর্পোরেশন, জেলা-উপজেলার প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে গ্রামের অলিগলিতে কুরবানির পশু জবাই করার পর ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে বর্জ্য।

লাখ লাখ পশু কুরবানি দেয়ার পর বর্জ্য পরিষ্কার করতে কর্তৃপক্ষ ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে থাকে। বাতিল করা হয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটিও। কিন্তু এর পরও মসয়মতো বর্জ্য পরিষ্কার হয় না। ফলে কুরবানির পর দীর্ঘ সময় দুর্গন্ধ ছড়ায়।

এ বিষয়ে সাধারণ নাগরিকদের দায়িত্বও কম নয়। বাসাবাড়ির সামনে, অলিতে গলিতে পশু কুরবানি না করে সুনির্দিষ্ট জায়গায় কুরবানি করলে বর্জ্য অপসারণ যেমন সহজ হবে তেমনি দেশবাসী বর্জ্যের দূষণ ও দুর্গন্ধ থেকেও মুক্তি পাবে। বর্জ্য দ্রুত অপসারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অধিক দায়িত্বশীল হবেন বলে আমারা আশা করি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত