শিরোনাম

তাজউদ্দিন আহমদ : স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী

প্রিন্ট সংস্করণ॥শাহ আহমদ রেজা  |  ০৬:১১, মার্চ ১৪, ২০১৯

মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের মাস। স্বাধীনতাযুদ্ধের ইতিহাস আলোচনা করতে গেলে প্রধান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পাশাপাশি যার নাম উল্লেখ করতেই হবে, তিনি তাজউদ্দিন আহমদ। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী। ১৯৬৭ সালের সেপ্টেম্বরে প্রধানত ছয় দফার প্রশ্নে আওয়ামী লীগ দ্বিখন্ডিত হওয়ার সময় থেকে তাজউদ্দিন দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ভ্থমিকা পালন করেছিলেন। ১৯৬৬ সালের মে থেকে বন্দী নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ‘ছয় দফাপন্থি’ নামে পরিচিত আওয়ামী লীগের সভাপতি করা হয়েছিল। তাজউদ্দিন আহমদকেও ‘জেলের ভাত’ খাইয়েছিল আইয়ুব সরকার। প্রচন্ড নির্যাতন সত্ত্বেও সব সময় অবিচলিত থেকেছেন তাজউদ্দিন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবেই বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে উদ্যোগী ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি। ইতিহাস প্রমাণ করেছে, তাজউদ্দিন আহমদ না থাকলে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ এত সুসংগঠিত হতে এবং এত অল্প সময়ে বিজয় অর্জন করতে পারতো না। স্বাধীন রাষ্ট্রের সরকার গঠন করা থেকে শুরু করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর কংগ্রেস সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা ও ভারতের সহযোগিতা নিয়ে দেশকে স্বাধীন করা পর্যন্ত সমগ্র কর্মকান্ডে প্রধান এবং সফল নির্ধারকের ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি। আওয়ামী লীগ নেতাদের ঐক্যবদ্ধ রাখার এবং অন্য সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা অর্জনের ক্ষেত্রেও তাজউদ্দিন আহমদের ভূমিকা ছিল অসাধারণ। মুক্তিযোদ্ধাদেরও তিনিই সফলভাবে পরিচালনা করেছিলেন। এই ভূমিকার জন্যই যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে তাজউদ্দিন আহমদের অবদানের কথা স্মরণ করা দরকার। তার অবদান ও ভূমিকা সম্পর্কে বর্তমান নতুন প্রজন্মসহ জাতিকে জানানো উচিত।স্বাধীনতাযুদ্ধে তাজউদ্দিন আহমদের ভূমিকা শুরু হয়েছিল ১৯৭১ সালের মার্চে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন থেকে ‘পশ্চিম পাকিস্তানের’ ধুরন্ধর নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টোর উদ্যোগে সংকট সৃষ্টি এবং জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করে দেয়া প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের ঘোষণা পর্যন্ত ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে কম-বেশি সবারই জানা রয়েছে। ইয়াহিয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সেকালের ‘পূর্ব পাকিস্তানে’ স্বাধীনতার দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছিল ছাত্র-জনতা। রেসকোর্স ময়দানের বিশাল জনসমাবেশে দেয়া ৭ মার্চের ভাষণে ‘এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম’ বলার পরও প্রধান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইউডিআই তথা একপাক্ষিক বা একতরফাভাবে স্বাধীনতা ঘোষণার মাধ্যমে পাকিস্তানীদের ভাষায় ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ হিসেবে নিন্দিত হওয়ার পথে পা বাড়াননি। পরিবর্তে আইনসম্মত পথে স্বাধীনতা অর্জনের সুচিন্তিত কৌশলের ভিত্তিতে পাকিস্তানের সামরিক প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে ‘সমঝোতা’ বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন। এই আলোচনা চলেছে ২৪ মার্চ পর্যন্ত। বঙ্গবন্ধুর উদ্দেশ্যে অসততা না থাকলেও পাকিস্তানীরা আলোচনার ফাঁকে গণহত্যার জন্য সামরিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিল। ২৫ মার্চ ছিল খুবই অস্বাভাবিক একটি দিন। সেদিনই বঙ্গবন্ধুর সর্বশেষ প্রস্তাবের জবাবে ইয়াহিয়া খানের বক্তব্য জানানোর কথা ছিল। বলা হয়েছিল, ড. কামাল হোসেনকে ফোন করবেন ইয়াহিয়ার সহকারী জেনারেল পীরজাদা। শেখ মুজিবও অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু ২৫ মার্চ রাত দশটা পর্যন্তও তেমন কোনো ফোন পাননি কামাল হোসেন। তিনি এরপর ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে দেখা করেছিলেন বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে। ফোন না আসার কথা জেনে বিমর্ষ হয়ে পড়া বঙ্গবন্ধু ড. কামাল হোসেনদের নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এর পরের ঘটনাক্রম জানাতে গিয়ে ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম জানিয়েছেন, ২৫ মার্চ রাত দশটার পর শেখ মুজিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এবং ড. কামাল হোসেন গিয়েছিলেন তাজউদ্দিন আহমদের ধানমন্ডির বাসভবনে। তাজউদ্দিন ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং শেখ মুজিবের পর সে সময়ে দ্বিতীয় প্রধান নেতা। তারা তাজউদ্দিনকে পেয়েছিলেন সশস্ত্র যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত অবস্থায়। তার হাতে ছিল রাইফেল। ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম এবং ড. কামাল হোসেন যাওয়ার পরপর ইপিআরের একজন হাবিলদার এসে জানিয়েছিলেন, পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর আক্রমণের আশংকায় ইপিআরের সকল বাঙালী সদস্য পিলখানা থেকে বেরিয়ে পড়েছে। এ কথা শোনার পরই তাজউদ্দিন আহমদ ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম ও ড. কামাল হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে পড়েছিলেন। পথে কামাল হোসেন ধানমন্ডির চার নাম্বার রোডের একটি বাসায় ঢুকেছিলেন দেয়াল টপকে। অন্যদিকে ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে তাজউদ্দিন আহমদ পা বাড়িয়েছিলেন ভারতের দিকে। এর পরের প্রতিটি প্রাথমিক পদক্ষেপ তাজউদ্দিন আহমদ নিয়েছিলেন একক সিদ্ধান্তে। বিভিন্ন পর্যায়ে রীতিমতো ইন্টারভিউ দিয়ে তাকে ভারতীয়দের কাছে প্রমাণ করতে হয়েছিল যে, তিনিই পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দিন আহমদ। ভারতীয়রা তার পরিচিতি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ দেয়া হয়েছিল (৩ এপ্রিল, ১৯৭১)। প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর কাছেই তাজউদ্দিন প্রথমবারের মতো জানতে পেরেছিলেন, প্রধান নেতা শেখ মুজিবকে গ্রেফতার করে ‘পশ্চিম পাকিস্তানে’ নিয়ে গেছে পাকিস্তানীরা। ইন্দিরা গান্ধী তাজউদ্দিনকে আরো বলেছিলেন, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণহত্যার তীব্র বিরোধিতা করলেও এবং বাঙালীদের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতি সর্বাত্মক সমর্থন থাকলেও ভারতের পক্ষে কোনো দল বিশেষকে সমর্থন জানানো সম্ভব নয়। এজন্য দরকার একটি সরকার গঠন করা। কোনো সরকার গঠন করা হলেই ভারত কেবল সমর্থন জানাতে এবং সেই সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ও সম্পর্ক রাখতে পারে। কথাটার মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী আসলে একটি সরকার গঠনেরই পরামর্শ দিয়েছিলেন। মূলত সে পরামর্শের ভিত্তিতেই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠন করেছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ। তিনি প্রধান নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি, দলের সহ-সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এবং নিজেকে প্রধানমন্ত্রী করে ১০ এপ্রিল অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার গঠন করেছিলেন। ভারত সরকারের সহযোগিতায় সেদিনই জাতির উদ্দেশে রডিওতে তার একটি ভাষণও প্রচার করা হয়েছিল। ১০ এপ্রিল গঠিত সরকারই ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর মহকুমার (বর্তমানে জেলা) বৈদ্যনাথতলায় এসে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার হিসেবে শপথবাক্য পাঠ করেছিল। এখানে ব্যক্তির চাইতে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল উদ্দেশ্য ও বিষয়ের। আর তা ছিল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম সরকার গঠন ও সরকারের শপথগ্রহণ। সেদিন থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠনের ঐতিহাসিক দিনটি পরিণত হয়েছে মুজিবনগর দিবসে। ইতিহাসের মূল্যায়নে সঠিক, সময়োচিত ও দিক-নির্ধারণী হিসেবে প্রমাণিত হলেও সরকার গঠন পর্যন্ত প্রতিটি বিষয়ে এককভাবে সিদ্ধান্ত নেয়াটা তাজউদ্দিন আহমদের জন্য মোটেও সহজ ছিল না। প্রতি পদক্ষেপে তাকে বাধাগ্রস্ত, সমালোচিত এবং বিরোধিতার সম্মুখীন হতে হয়েছিল। একক সিদ্ধান্তে তিনি এমন এক সময়ে সরকার গঠন করেছিলেন যখন আওয়ামী লীগের প্রায় প্রত্যেক নেতাই ছিলেন বিচ্ছিন্ন অবস্থায় এবং পলায়নরত। খন্দকার মোশতাক আহমদসহ এই নেতাদের অনেকেই পরবর্তীকালে তাজউদ্দিন আহমদের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। কিন্তু একদিকে তাজউদ্দিন আহমদের নিজের নিষ্ঠা, সততা ও নিখাদ দেশপ্রেম এবং অন্যদিকে জাতীয় নেতা মওলানা ভাসানীর সমর্থন তাকে রক্ষা করেছিল। উল্লেখ্য, স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাথমিক পর্যায়ে, ১৯৭১ সালের ৩ এপ্রিল পাকিস্তানের সেনাবাহিনী সন্তোষে মওলানা ভাসানীর বাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছিল। তিনি আসামের ফুলবাড়ি হয়ে ১৫ এপ্রিল ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। পাকিস্তানের রাজনীতিতে ভারত বিরোধী নেতা হিসেবে পরিচিতি থাকায় সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে তৎপরতা চালাতে না পারলেও মওলানা ভাসানী দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধে একজন প্রধান দেশপ্রেমিক জাতীয় নেতার ভূমিকা পালন করেছিলেন। বিবৃতি ও প্রচারপত্রের মাধ্যমে তিনি জনগণের প্রতি স্বাধীনতা যুদ্ধ এগিয়ে নেয়ার আহবান জানিয়েছেন, বিভিন্ন রাষ্ট্রের সরকারের কাছে বংলাদেশকে সমর্থন করার ও স্বীকৃতি দেয়ার আহবান জানিয়ে তারবার্তা পাঠিয়েছেন। মুজিবনগর সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানানো এবং ওই সরকারের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের একটি অংশের ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দেয়া ছিল মওলানা ভাসানীর ফলপ্রসূ বিশেষ অবদান। মুজিবনগর সরকার তাকে উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি বানিয়েছিল এবং সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত পরিষদের একমাত্র সভায় তিনি সভাপতিত্ব করেছিলেন। মওলানা ভাসানীর এই ভূমিকা এবং সমর্থনের কারণে তাজউদ্দিন আহমদের পক্ষেও সাফল্যের সঙ্গে সরকার পরিচালনা করা এবং স্বাধীনতা যুদ্ধকে বিজয়ের দিকে এগিয়ে নেয়া সম্ভব হয়েছিল। স্মরণ করা দরকার, স্বাধীনতা যুদ্ধের দিনগুলোতে সহকর্মীদের উপর্যুপরি অনুরোধ সত্ত্বেও তাজউদ্দিন আহমদ তার স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে দেখা করেননি। তার প্রতিজ্ঞা ছিল, দেশকে স্বাধীন না করে তিনি পারিবারিক জীবনের স্বাদ নেবেন না। সে প্রতিজ্ঞা রক্ষাও করেছিলেন তাজউদ্দিন। স্বাধীনতা যুদ্ধে বিজয় অর্জনের পর, ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরে এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান। সঙ্গে সঙ্গে নেতার হাতে দায়িত্ব তুলে দিয়েছিলেন প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ। সংসদীয় গণতন্ত্রের নিয়মানুয়ায়ী শেখ মুজিব নিজে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন, তাজউদ্দিনকে করেছিলেন অর্থমন্ত্রী। পদটি থেকে তাজউদ্দিন আহমদ সরে গিয়েছিলেন ১৯৭৪ সালের ২৬ অক্টোবর। একই সঙ্গে দলীয় রাজনীতি থেকেও বিদায় নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, দল না করলেও এবং ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি গঠিত বাকশালের সঙ্গে কোনো সংস্পর্শ না থাকা সত্ত্বেও সে বছরের নভেম্বরে অন্য তিন নেতা অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, বাকশাল সরকারের প্রধানমন্ত্রী ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং মন্ত্রী এএইচএম কামারুজ্জামানের সঙ্গে তাজউদ্দিন আহমদকেও ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অসহায় অবস্থায় মৃত্যু বরণ করতে হয়েছিল। অবসান ঘটেছিল একজন দেশপ্রেমিক স্বাধীনতা সংগ্রামীর গৌরবোজ্জ্বল জীবনের।সবশেষে বলা দরকার, সৎ, নির্ভীক ও দেশপ্রেমিক জাতীয় নেতা তাজউদ্দিন আহমদের ছিল দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস। তিনি রাজনীতি করেছেন দেশ ও জাতির স্বার্থে। তাজউদ্দিন আহমদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নেতৃত্বেই স্বাধীনতা যুদ্ধ সংগঠিত করেছিলেন। মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার নাম ‘মুজিবনগর’ও তাজউদ্দিন আহমদই রেখেছিলেন।

লেখক : সাংবাদিক ও ইতিহাস গবেষক

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত