শিরোনাম

বাথরুমের কমোডে বসে টানা পাঁচদিন

আমার সংবাদ ডেস্ক  |  ১৫:৩৬, জুলাই ১৩, ২০১৯

বিশ্বরেকর্ড গড়তে আমরা কী না করি! নিজেকে খবরের শিরোনামে আনতে গিয়ে কত আজব কাণ্ডই না করে মানুষ। বেলজিয়ামের জিম্মি ডে ফ্রেন্নেকেই হাসিমুখে বাথরুমে কাটিয়ে দিলেন টানা পাঁচদিন। ভাবছেন, এ আর এমন কী ব্যাপার। বাথটবে শুয়ে শুয়ে আরামসে কাটিয়ে দেওয়া যায় পাঁচ দিন কেন, গোটা একটা সপ্তাহ। আপনার ভাবনা তাহলে ভুল! রেকর্ড গড়তে বাথটবে শুয়ে নয়, জিম্মি টয়লেটে বসে কাটিয়েছেন সময়গুলো! খবর এনডিটিভির

পেশায় বাস ড্রাইভার জিম্মি নিজেই চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন, টানা ১৬৫ ঘণ্টা কমোডে বসে থাকবেন। কিন্তু ১১৬ ঘণ্টা অর্থাৎ পাঁচদিন পর তিনি নিজেই ক্ষান্ত দিয়েছেন।

এরপরেই স্থানীয় এক টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাকারে জিম্মি জানান, নিজেকে নিয়ে মজা করার ভালো উপায় এটাই। দেখুন, সবাই জানার পর কেমন মজা করছে আমাকে নিয়ে। আগামী দিনে ঠিক এভাবেই আমিও সবাইকে নিয়ে মজা করব।

বসে থাকতে থাকতে জিম্মি যাতে বোর না হয়ে যান তার জন্য স্টেনের ফিলিপ'স প্লেস বার খুলে দেওয়া হয়েছিল, যাতে ডি ফ্রেনের বন্ধু এবং পরিবার ওঁর সঙ্গে কথা বলতে পারেন।

এছাড়া, ফ্রেন্নেকে প্রতি ঘন্টায় পাঁচ মিনিটের জন্য তাকে ঘুমানোর অনুমতিও দেওয়া হয়েছিল। আর টয়লেটে বসেও তিনি টয়লেট করতে পারতেন না। কারণ, তাতে নিকাশি নালার ব্যবস্থা ছিল না। তাই টয়লেট পেলে উঠতে পারতেন না তিনি।

এভাবে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকাও যে সহজ নয়, বোঝা গেছে জিম্মির কথায়, একটা সময়ের পর খুবই ক্লান্ত হয়ে পড়তাম। ব্যথা করত পা। তবে রেকর্ড গড়ব বলে সব চ্যালেঞ্জ মেনে নিয়েছি।

প্রসঙ্গত, টয়লেটে দীর্ঘক্ষণ বসে থেকে এর আগে কেউ রেকর্ড গড়েননি। সেই দিক থেকে জিম্মিই অন্যতম। তবে এর আগে নাকি এক ব্যক্তি ১০০ ঘণ্টা টয়লেটে বসে থাকার চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি বোধহয় চ্যালেঞ্জ শেষ করতে পারেননি।

জিম্মি সব নিয়ম ঠিকমতো মানছেন কিনা সেটা দেখতে বারবার এসেছেন গিনেস বুকের কর্মকর্তা এবং সদস্যরা।

দে ফ্রেনেন বলেন, গিনিস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস রেকর্ডের প্রচেষ্টার বিষয়ে সচেতন ছিল এবং স্থানীয় কর্মকর্তা ও সাক্ষিগণ এটি যাচাইয়ের জন্য চেক তৈরি করছিলেন।

আরআর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত