শিরোনাম

শ্বেতি রোগের চিকিৎসা

আমার সংবাদ ডেস্ক  |  ১৯:২৫, জানুয়ারি ০৯, ২০১৯

শ্বেতী একটি জটিল রোগ। বর্তমানে এই রোগের ভালো চিকিৎসা রয়েছে। বিশেষজ্ঞ আসলে মূল ব্যাপার নয়। শ্বেতী রোগ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রাথমিক অবস্থাতেই চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। অনেক সময় রোগীরা অপচিকিৎসকের কাছে যায়, গিয়ে সমস্যাটা আরো বাড়িয়ে ফেলে।

এর যেহেতু নির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি, তাই আমি সবাইকে বুঝাই, এটি আসলে হঠাৎ করে শরীরে আগুন লেগে যাওয়ার মতো। এক সময় যখন আগুন নেভানো হয়, তখন কিন্তু ভালোই হতে থাকে। কখন আবার শুরু হবে এটি বলা মুশকিল। এই জন্য ভালো চিকিৎসা প্রয়োজন।

এখন এই রোগের অনেক চিকিৎসা রয়েছে। ফটো থেরাপি, এক্সইমাল লেজার ইত্যাদি রয়েছে। বাংলাদেশে মিনিয়েচার পাঞ্চ গ্রাফটিং কিছু কিছু হচ্ছে। আমরা অনেক বেশি করছি। এরপর মেলানোসাইট ট্রান্সপ্ল্যান্ট রয়েছে। এটি করছি খুব বেশি করে।

শ্বেতি রোগ যেকারণে হয়
শ্বেতি রোগ নিয়ে সমাজে বিভিন্ন রকম নেতিবাচক ভাবনা রয়েছে। তবে শ্বেতি কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়। নিয়মিত চিকিৎসায় এই রোগ বহুলাংশে ভালো হয়। শ্বেতি শব্দটি সাদা থেকে এসেছে। কমবেশি সবাই জানেন এই রোগে শরীরের বিশেষ বিশেষ অংশ সাদা হয়ে যায়। এটি হয় কেন?

ত্বক সাদা হয়ে যাওয়ার অনেকগুলো কারণ আছে। এর মধ্যে শ্বেতি একটা। তবে সব সময় সাদা হয়ে যাওয়ার মানে শ্বেতি নয়। আরো অন্যান্য কারণে হতে পারে। যেমন : সাধারণ একটা ফাঙ্গাল ইনফেকশন, যাকে সৈদ বলে অনেকে। এর কারণেও সাদা হয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া দেখা যায় যাদের এলার্জি আছে, এর থেকে কখনো কখনো গায়ে ছোপ ছোপ হয়ে যায়। সেটিও শ্বেতি নয়। একেও আমরা সহজে চিকিৎসা করতে পারি।

আর শ্বেতি হলো আমাদের দেহে যে রং তৈরি করে মেলালিন, আমাদের রং যে কালো এটা তৈরি করার জন্য শরীরে মেলানোসাইট নামে একটি কোষ আছে, এই কোষগুলো ধ্বংস হয়ে যায়। শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা ওই রং কোষগুলোকে চিনতে পারে না। মনে করে সে বাইরের কেউ। তখন রোগ প্রতিরোধক্ষমতাগুলো একে ধ্বংস করে দেয়। তখন ওই জায়গায় রং তৈরি করতে পারে না কোষগুলো। ধীরে ধীরে সাদা হয়ে যায়।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত