শিরোনাম

গর্ভকালীন ফাটা দাগ দূর করার উপায়

আমার সংবাদ ডেস্ক  |  ১৯:২২, ডিসেম্বর ১৪, ২০১৮

সন্তান জন্মের সময় কম বেশি সব মায়ের এই সমস্যা হয়ে থাকে। সন্তান প্রসবের পর পর অনেক মায়ের দাগ চলে যায়। আবার অনেক মায়ের দাগ থেকেই যায়। তাই অনেক মা এই সমস্যা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন। তবে একটু সচেতন হলেই এই দাগ পড়া ভাব কমিয়ে আনা সম্ভব হয়।

দাগের কারণ: পেটের চামড়ায় টান পড়ার কারণেই এই ফাটা দাগের সৃষ্টি হয়। রিলাক্সিন, ইস্ট্রোজেন ও করটিসল হরমোন বেড়ে গিয়ে মিউকোপলিসেকারাইড জমা করে। এটি যোজক কলা থেকে জল শোষণ করে নেয়। এর ফলে যখনই পেটে টান পড়ে, তখনই ওই স্থানে দাগের সৃষ্টি হয়। কম বয়সী মেয়েদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।

লক্ষণ - লাল রঙের ক্ষত দাগ, জ্বালাপোড়া ও চুলকানি, পিগমেন্টেশন কম হওয়া, দাগের অংশটি গর্তের মতো হয়ে যাওয়া, লম্বালম্বিভাবে নাভির ওপরের অংশ থেকে নিচ পর্যন্ত দুই পাশেই দাগ হতে পারে।

প্রতিকার: ফাটা দাগের জন্য সব থেকে ভালো কাজ করে অলিভ অয়েল। গর্ভকালীন অবস্থায় দুবেলা ভালোভাবে অলিভওয়েল লাগাতে হবে। এলোভেরা জেল ও বেশ ভালো কাজ করে। এছাড়াও ট্রেটনইন ক্রিম বা লোশন ব্যবহার করতে পারেন। ক্যাস্টর অয়েলও ভালো কাজ করে।

চিকিত্সা:
* গ্লাইকোলিক এসিডযুক্ত প্রসাধনী, যেমন টোনার, ক্লিনজার ও ময়শ্চারাইজার ইত্যাদি ব্যবহার করুন। এ এসিড ফাটা দাগ নির্মূলে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
* ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ ক্রিম ব্যবহার করুন। দিনে তিনবার ফাটা দাগের ওপর ম্যাসাজ করুন। ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ ক্রিম না পেলে ভিটামিন সিযুক্ত সাপ্লিমেন্ট খাওয়া যেতে পারে। সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সাপ্লিমেন্ট খেতে হবে।
* প্রতিদিন তিনবার ফাটা স্থানের ওপর ডিমের সাদা অংশ ৫ থেকে ১০ মিনিট ম্যাসাজ করুন। যত দিন দাগটি নির্মূল না হয়, ততদিন এ পদ্ধতিটি ফাটা চামড়ায় প্রয়োগ করুন।
* শরীরের ফাটা দাগ নির্মূল করতে এক টুকরা লেবু নিয়ে দাগের ওপর ১৫ মিনিট ধরে ম্যাসাজ করতে পারেন।
* ফাটা দাগ নির্মূলে বিভিন্ন ধরনের তেল মিশিয়ে দাগের ওপর প্রতিদিন ১০ মিনিট ধরে ম্যাসাজ করুন।
* চিনি, লেবুর রস ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে স্ক্রাব বানিয়ে তা প্রতিদিন ফাটা দাগের ওপর ৫ থেকে ১০ মিনিট ম্যাসাজ করুন।
* একটি আলু নিয়ে তা মোটা করে দুই টুকরা করে ফাটা দাগের ওপর কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করুন। আলুর রস ভালো মতো ফাটা স্থানে লাগার পর ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত