শিরোনাম

গর্ভবতী নারীদের উপর চন্দ্রগ্রহণের প্রভাব! সত্য নাকি কল্পিত?

আমার সংবাদ ডেস্ক  |  ১৩:৫৬, জানুয়ারি ৩১, ২০১৮

আজ (৩১ জানুয়ারি) সারাদেশে পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ হবে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞানীগণ। পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদ স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ১৪ শতাংশ বড় দেখা যাবে এবং চাঁদ-পৃথিবীর গড় দূরত্ব হতে ২৮ হাজার কিঃমিঃ কম হবে। এই মাসে ২ টি পূর্ণিমা, ১ম টি ২ জানুয়ারি এবং ২য়টি পূর্ণিমা ৩১ জানুয়ারি পূর্ণ চন্দ্র গ্রহণ হবে।

ঢাকার সময় সন্ধ্যা ৫টা ৩৭ মিনিটে চাঁদ দিগন্তের উপরে উঠার পর থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৫টা ৪৮ মিনিটে আংশিক গ্রহণ ও ৬টা ৫১মিনিটে পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে। রাত ১০টা ৮মিনিটে চন্দ্র গ্রহণের উপচ্ছায়া পর্যায় শেষ হবে। পর্যবেক্ষণ উপলক্ষে বিজ্ঞান সংগঠন অনুসন্ধিৎসু চক্র নানা প্রস্তুতি নিয়েছে।

আর এই গ্রহণকে ঘিরে রয়েছে নানান সংস্কার। এমনকি রয়েছে নানান ধরণের কুসংস্কার। অনেকেই গ্রহণকে অপবিত্র বলে মনে করেন। তাদের মতে, চন্দ্রগ্রহণ কিংবা সূর্যগ্রহণ নাকি অপবিত্রতা। এই সময়ে অশুভ শক্তির প্রভাব বেড়ে যায় বলে মনে করেন। আর তাতে নাকি বাড়ি, মন্দির সর্বত্রই এর প্রভাব পড়ে। ফলে গ্রহণের সময় পূজা-অর্চনাও বন্ধ রাখা হয়। গ্রহণ শেষ হলে ঘরবাড়ি পরিষ্কারও করেন অনেকে। এছাড়াও অনেকে গ্রহণ চলাকালীন বাড়ির রান্না ফেলে দেন। গ্রহণ শেষ হওয়ার পরে শুরু করেন রান্নাবান্ন।

শুধু তাই নয় অনেকে বলেন, গ্রহণ চলাকালীন প্রচুর বিকিরণ পৃথিবীতে চলে আসে। যা নাকি মানব দেহের জন্যে খারাপ। তাই গ্রহণের সময় চাঁদের দিকে নাকি সরাসরি তাকানো উচিত নয়। তবে সুর্যগ্রহণ অপেক্ষা চন্দ্রগ্রহণে বিকিরণ অনেক কম। কিন্তু বিকিরণ তো হয়। একটি এক্সরের চেয়ে অনেক বেশী বিকিরণ ঘটে চন্দ্রগ্রহণে।

এখানেই শেষ নয়, গর্ভবতী নারীদের জন্যেও নাকি ক্ষতির কারণ আছে চন্দ্রগ্রহণ। কুসংস্কার বলছে, গর্ভবতী নারীদের উপর নাকি সবথেকে বেশি পড়ে গ্রহণের এফেক্ট। যদিও অনেকে বিষয়টিকে উড়িয়ে দেয়। যে বা যাহারা এমন ভাবে, সেটা তাদের অজ্ঞতা।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত