শিরোনাম

পরকীয়া সম্পর্ক নারীরাই বেশি উপভোগ করেন

আমার সংবাদ ডেস্ক  |  ১৭:২৭, মার্চ ২১, ২০১৯

পরকীয়া শুনলেই অনেকেরই বুকের ভিতর দুরু দুরু শুরু হয়ে যায়। কেউ আবার নাক শিঁটকোন। তবে এ কথা মোটামুটি সকলেই মানবেন যে, সাধারণ প্রেমের গল্পের চেয়ে পরকীয়ার ‘মশলা’ মাখানো গল্প অনেক বেশি মুখরোচক।

অনেক বেশি আকর্ষণীয়! তবে পরকীয়া মানেই অভিযোগের আঙুল বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ওঠে পুরুষদের দিকেই। কিন্তু সমীক্ষা বলছে, পরকীয়া সম্পর্কে পুরুষদের তুলনায় নারীরাই খুশি হন বেশি!

কানাডার একটি অনলাইন ডেটিং এবং সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সার্ভিস অ্যাপ ‘অ্যাশলে ম্যাডিসন’ সম্প্রতি একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল বিবাহিত পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি স্টেট ইউনিভার্সিটির সমাজতত্ত্বের অধ্যাপক অ্যালিসিয়া ওয়াকারের নেতৃত্বে প্রায় ১০০০ জনের মধ্যে এই সমীক্ষা চালানো হয়। আর তাতেই জানা যায়, পরকীয়া সম্পর্ক নাকি নারীরাই বেশি উপভোগ করেন!

‘অ্যাশলে ম্যাডিসন’-এর এই সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী, যে সব নারীরা বিবাহিত জীবনে তেমন সুখী নন, বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে তারাই পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছেন।

সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, এই সম্পর্কের ক্ষেত্রে শরীর ছাড়া আর কিছুই তেমন গুরুত্ব পায় না। পরকীয়ায় জড়িত এই মহিলারা প্রত্যেকেই নিজেদের পছন্দ-অপছন্দ সোজা-সাপটা তাদের পরকীয়া সম্পর্কের সঙ্গীকে জানিয়ে দেন আগে ভাগেই।

এই সব সম্পর্কের ক্ষেত্রে বেশির ভাগ নারীরাই ব্যক্তি স্বাধীনতাকেই বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। অধ্যাপক ওয়াকারের মতে, নিজেদের বিবাহিত জীবনের সুপ্ত বাসনা এবং প্রসমিত কামনাকে পূরণ করতেই বেশির ভাগ নারীরা পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। এক কথায়, নিজেদের বিবাহিত জীবনের অপূর্ণতা এবং হতাশা থেকেই বেশির ভাগ নারীরা এই ধরনের সম্পর্কে জড়ান।

দীর্ঘদিন ভারতীয় দণ্ডবিধি অনুযায়ী, বিবাহ বহির্ভূত শারীরিক সম্পর্ককে ‘ফৌজদারি অপরাধ’ বলে গণ্য করা হত। তবে সম্প্রতি, সেপ্টেম্বর ২০১৮-এ সুপ্রিম কোর্ট পরকীয়ার ক্ষেত্রে ভারতীয় দণ্ডবিধির ওই আইনকে অসাংবিধানিক বলে রায় দিয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত