তারেকের স্ত্রী জোবাইদার মামলার রায় যেকোন দিন

আমার সংবাদ রিপোর্ট | ১৯:৫৫, জানুয়ারি ১০, ২০১৭

সম্পদের তথ্য গোপন সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলা বাতিল চেয়ে বিএনপির জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা.জোবাইদা রহমানের করা আবেদনের ওপর হাইকোর্টের দেয়া রুলের শুনানি শেষ হয়েছে। এখন যে কোনো দিন রায় ঘোষণার জন্য বিষয়টি অপেক্ষমান রাখা হয়েছে। বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও কৃষষ্ণা দেব নাথ সমন্বয়ে গঠিদ হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার শুনানি শেষে এই মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষামাণ রাখেন।

আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ খুরশীদ আলম খান। জোবাইদা রহমানের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহম্মদ আলী। তার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও রাগীব রউফ চৌধুরী।

এর আগে, ২০১৬ সালের ২ নভেম্বর জোবায়দা রহমানের বিরুদ্ধে করা আবেদনটি শুনতে বিব্রত বোধ করেছিলেন বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ। পরে নিয়ম অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি মামলাটি শুনানির জন্য বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে পাঠান।

২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে জোবাইদার বিরুদ্ধে রাজধানীর কাফরুল থানায় মামলাটি করে দদুক। মামলায় তারেক, তার স্ত্রী জোবাইদা ও শাশুড়ি সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানুর বিরুদ্ধে ৪ কোটি ৮১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৬১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন ও মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়।

এ মামলায় ২০০৮ সালের ৩১ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। পরে ওই বছরের ৮ এপ্রিল জোবাইদার আবেদনে হাইকোর্ট তার বিরুদ্ধে এ মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুল জারি করেন। এর পর গত বছরের ২ নভেম্বর রুলের শুনানি শুরু হলে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ বিব্রতবোধ করে মামলাটি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠিয়ে দেন।

এরপর প্রধান বিচারপতি নির্ধারিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার রুলের শুনানি শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমান রাখেন। জোবাইদা রহমানের আইনজীবী কায়সার কামাল সাংবাদিকদের বলেন, গত ৯ নভেম্বর রুলের শুনানি শুরু হয়েছিল। মঙ্গলবার শুনানি শেষ হাইকোর্ট রায় অপেক্ষমাণ রেখেছেন।

নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান মাহবুব আলী খানের মেয়ে জোবাইদা ১৯৯৫ সালে বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে যোগ দিয়েছিলেন। তার দুই বছর আগে তারেকের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। জোবাইদা স্বামী তারেক রহমানের সঙ্গে গত আট বছর ধরে যুক্তরাজ্যে রয়েছেন। ছুটি নিয়ে যাওয়ার পর কর্মস্থলে আর না ফেরায় তাকে বরখাস্ত করা হয়।

 

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
close-icon