শিরোনাম

অবজার্ভ ওর্য়াল্ড ওয়াইডের পরিচালক বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি প্ররোয়ানা

খায়রুল কবীর  |  ১৮:৪৭, ডিসেম্বর ১১, ২০১৮

অর্থ আত্মসাত, নারী লোভী ও প্রতারণা অভিযোগের মামলায় অবজার্ভ ওর্য়াল্ড ওয়াইড এডুকেশন সেন্টারের পরিচালক আমিনুর রহমান বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি প্ররোয়ানার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১১ ডিসেম্বর) রাজধানী ওয়ারী থানার মামলায় তার বিরুদ্ধে ঢাকার মহানগর হাকিম কনক বড়ুয়া গ্রেপ্তারি প্ররোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।

আসামি আমিনুরের বিরুদ্ধে ঢাকার সিএমএম আদালতে বেশ কয়েকটি মামলা হয়েছে। আসামি আমিনুর রহমান এর বিরুদ্ধে ওয়ারী থানার মামলা নং-১৮(৮)১৮ ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর দিয়ে প্রতারণা করে ৩৫ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। এরপর টাকা না দেয়ায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। অবজার্ভ ওর্য়াল্ড ওয়াইড এডুকেশন সেন্টার ও কোচিং সেন্টার এর নামে উচ্চ শিক্ষার স্বপ্ন দেখিয়ে নারীদের ফাঁদে ফেলে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় এবং তাদের সাথে প্রেমের অভিনয় করে বিয়ে করে।

স্বার্থ ফুরালে তালাক দেয়। সম্প্রতি তার প্রথম স্ত্রী ফারহানা জামানের সাঙ্গে বিয়ের পর তার ২টি কন্যা সন্তান হয়। প্রথমটি বয়স ৭ বছর অপরটি বয়স ৫ বছর। ফারহানা জামান আদালতে উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, এই প্রতারক তাকে তালাক দেয় এবং তালাকের পর আরো ২টি বিয়ে করে কোচিং সেন্টারের নামে মেয়েদের কে ফুসলিয়ে তাদের অভিভাবকদের নিকট থেকে টাকা হাতিয়ে নেয় ।

এধরণের জালিয়তি ধরা পড়ার পর। তিনি ওই সকল ভিকটিমদের চেক দেন চেকগুলি ডিজঅনার হওয়ায় তার বিরুদ্ধে ঢাকার সিএমএম আদালতে সি.আর মামলা নং-২২৮/১৬, সি.আর মামলা নং-২২৯/১৬, সি.আর মামলা নং- ৬৬৪/০৫ মামলা হয়।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাকে তালাক দেওয়ার পর ২টি কন্যা সন্তানকে তার লোকজন দিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায়। দীর্ঘ ৫ পাঁচ মাস হলো আমার সন্তনদের কোন সন্ধান পায়নি। আমাকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন করলে আমি ঢাকার নারী ও নির্যাতন আদালতে পিটিশন মামলা নং-৩১৯/১৮ দায়ের করি। এ মামলায় তার ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন আসে।

আমি সাংবাদিক ভাইদের মাধ্যমে এ প্রতারকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আবেদন জানাই। আইন অনুযায়ী কন্যা সন্তানদের বয়স ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত মায়ের কাছে থাকার কথা। তার মায়ের কাছেই ছিল আমিনুর রহমান তাদের অপহরণ করে নিয়ে গোপন স্থানে রেখেছে না গুম করেছে তা তাদের মা তা জানে না। সে অপহরণ মামলা করে নারী ও শিশু নির্যাতন ২০০৩ এর ১০ ধারায় আদালতে মামলা করেন শিশু ২টি এখন উদ্ধার না হওয়ায় মা পাগলনী প্রায়।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত