শিরোনাম

কাউন্সিলরের ছেলের বিরুদ্ধে মামলা করে বিপাকে বাদী

প্রিন্ট সংস্করণ॥ধামরাই প্রতিনিধি  |  ০২:১১, অক্টোবর ২৩, ২০১৮

ধামরাইয়ে এক মহিলা কাউন্সিলরের ছেলের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েই বাদী বিপাকে পড়েছেন। জানা গেছে, ধামরাই পৌরসভার সংরক্ষিত আসনের মহিলা কাউন্সিলর মালেকা বেগমের বড় ছেলে ইমন হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করে বিপাকে পড়েছেন মামলার বাদী জাহানারা বেগম। মামলার বাদী জাহানারা বেগমের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, মামলার আসামিপক্ষ ক্ষমতাধর হওয়ায় পুলিশও নাকি তাকে গ্রেপ্তার করছেন না। তবে এমন অভিযোগ অস্বীকার করে পুলিশ জানায়, মামলার আসামিগণ পলাতক রয়েছে তাদেরকে গ্রেপ্তারের চেষ্টাও অব্যাহত আছে। অশ্রুশিক্ত নয়নে মামলার বাদী আরো জানান, প্রতিনিয়তই ইমন ও তার সহযোগিরা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দিয়ে আসছে। আমিসহ আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় পড়েছি বলেও মনে হচ্ছে, এমনকি মামলা করে এখন আরো বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি বলে মনে হচ্ছে! আমাদের। আরো জানা গেছে, পৌর মহল্লার ছোট চন্দ্রাইলের আব্দুল বারেকের ছেলে জহিরুল ইসলাম সোহেল একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন এবং ডিস ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত। একই এলাকার স্থানীয় মহিলা কাউন্সিলর (সংরক্ষিত) সরকারি চাল গরীবদের মাঝে বিলিতে অনিয়ম এবং ডিস ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্ব হয় সোহেল ও ইমনের সঙ্গে। রাতে কে বা কারা ডিস লাইনের তার কর্তন করে এ নিয়ে দুপক্ষেই চলে ব্যাপক কথাকাটি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই গত ৩ অক্টোবর মহিলা কাউন্সিলরের ছেলে ইমন হোসেন তার বাহিনী নিয়ে সোহেলের বাড়িতে হামলা চালায়। এসময় ইমন বাহিনীদের কাছে বিভিন্ন প্রকারের দেশীয় অস্ত্র ছিল বলে জানান ভুক্তভোগি পরিবার। পরে সেই হামলায় সোহেলের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখম করে, এবং হাত ও পায়ে বড় ধরনের আঘাত করা হয়েছে বলেও ধারনা প্রতিবেশীদের। তারপর ইমন তার বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় সোহেলকে উদ্ধার করে ধামরাই সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করলে অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয় এবং এই রিপোর্টটি লেখা পর্যন্তও সোহেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে বলেও একাধিক সূত্রে জানা গেছে। পরে সোহেলের মা জাহানারা বেগম বাদী হয়ে ধামরাই থানায় সাত জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং -০৩। তবে রহস্যজনক হলেও সত্য পুলিশ এই সাত আসামির কাউকেই গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়নি। বাদী আরো বলেন, মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেরাচ্ছে এবং আমার পরিবকারকে বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি দিয়ে আসছে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য। এছাড়াও আসামিদের নামে ধামরাই থানায় বিভিন্ন নাশকতার মামলা রয়েছে বলেও জানা গেছে। ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দিপক চন্দ্র সাহা জানান, আসামিদের গ্রেপ্তারের জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর বলেন, এই ঘটনার সাথে আমার ছেলে ইমন জড়িত ছিলনা।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত