শিরোনাম

দাতব্য ট্রাস্ট দুর্নীতি: খালেদার অনুপস্থিতিতেই বিচারকাজ চলবে

আদালত প্রতিবেদক  |  ১৩:৫৭, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৮

জিয়া অরফ্যানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে বসানো আদালতেও আসছেন না। এই অবস্থায় তার অনুপস্থিতিতেই জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচার চলবে বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন বিচারক।গত ৫ সেপ্টেম্বর নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কারাগারে বসা আদালতের চতুর্থ দিনের শুনানিতে বৃহস্পতিবার (২০সেপ্টেম্বর) এই আদেশ দেন বিচারক আখতারুজ্জামান।

‘অসুস্থতার কারণে’ খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করতে না পারায় আদালত স্থানান্তর করা হয়েছে পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারের। জিয়া অরফ্যানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ে এ কারাগারে বন্দি রয়েছেন বিএনপি নেত্রী।

কারাগারে গেলো ৫ সেপ্টেম্বর বিশেষ জজ আদালতের কার্যক্রম প্রথম শুরু হয়। ওই দিন বিচারককে খালেদা জিয়া বলেছিলেন, বার বার আদালতে আসতে পারবেন না, বিচারক তাকে ‘যতদিন খুশি’ সাজা দিতে পারেন। এরপর থেকে কারাগারে স্থাপিত বিশেষ আদালতে বিএনপি চেয়ারপারসন উপস্থিত ছিলেন না।

খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতে বিচার কাজ চলবে কি না- এর উপর শুনানি ছিল আজ। আদালতে শুনানিতে অংশ নিয়ে আসামিপক্ষে আইনজীবীরা বলেন, খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে বিচার করা যাবে না। সানাউল্লাহ মিয়া, মাসুদ আহমেদ তালুকদার ও আমিনুল ইসলাম আসামিপক্ষে শুনানি করেন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে ২০১১ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটি করে দুদক। এতে ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল হয়। এরপর ২০১৩ সালের ১৯ মার্চ অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে ঢাকার বিশেষ জজ আদালতে তাদের বিচার শুরু হয়।

মামলাটিতে খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী এবং হারিছের তৎকালীন একান্ত সচিব (বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএ এর নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক) জিয়াউল ইসলাম মুন্না, ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান আসামি।

প্রসঙ্গত, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলার রায়ে পাঁচ বছরের সাজা হয় খালেদা জিয়ার। ওই দিনই তাকে আদালত থেকে নেওয়া হয় পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে। গত সাত মাসের বেশি সময় ধরে তিনি সেখানে সাজা ভোগ করছেন। খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেওয়ার পর থেকেই বিএনপি দাবি করে আসছে, তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে এবং তার সুচিকিৎসার কোনো ব্যবস্থা করা হয়নি। বিএনপির পক্ষ থেকে বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার দাবি করা হয়।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত