শিরোনাম

জামিন পেলেন না নওশাবা, বিএসএমএমইউতে নিতে অনুমতি

আদালত প্রতিবেদক  |  ১৯:১৩, আগস্ট ২০, ২০১৮

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় জামিন পাননি অভিনেত্রী ও মডেল কাজী নওশাবা আহমেদ। সোমবার (২০আগস্ট) ঢাকার মহানগর হাকিম মাহমুদা আক্তার জামিন আবেদন নাকচ করলেও নওশাবাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসার অনুমতি দিয়েছেন।

নওশাবার আইনজীবী এ এইচ ইমরুল কাওসার আদালতের এই আদেশের কথা জানিয়েছেন। নওশাবা এখন রয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সোমবার জামিন আবেদনের শুনানিতে হুইল চেয়ারে করে আদালতে উপস্থিত হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী।

এ মামলায় বলা বলা হয়েছে- এ আসামি নিজের মোবাইল হতে নিজ নামীয় ফেসবুক আইডিতে গত ৪ আগস্ট বেলা ৪টার দিকে উত্তরার ১৩ নং সেক্টরের ৪ নং রোডের ২ নং বাড়ি হতে অত্যন্ত আবেদনময়ী কণ্ঠে লাইভ ভিডিও সম্প্রচার করে বলেন, আমি কাজী নওশাবা আহমেদ, আপনাদের জানাতে চাই, একটু আগে জিগাতলায় আমাদের ছোট ভাইদের একজনের চোখ তুলে ফেলা হয়েছে এবং দুই জনকে মেরে ফেলা হয়েছে। আপনারা সবাই একসঙ্গে হোন। প্লিজ, ওদেরকে প্রোটেকশন দেন।

বাচ্চাগুলো আনসেভ অবস্থায় আছে। প্লিজ, আপনারা রাস্তায় নামেন। প্লিজ, আপনারা রাস্তায় নামেন এবং ওদের প্রোটেকশন দেন। এটা আমার রিকোয়েস্ট। আমি এদেশের একজন মানুষ, নাগরিক হিসেবে আপনাদের কাছে রিকোয়েস্ট করছি যে, জিগাতলায় একটু আগে একটি স্কুলে একটি ছেলের চোখ তুলে ফেলা হয়েছে এবং দুইজনকে মেরে ফেলা হয়েছে। একটু আগে ওদেরকে অ্যাটাক করা হয়েছে। ছাত্রলীগের ছেলেরা সেটা করেছে। প্লিজ, প্লিজ, ওদেরকে বাঁচান। তারা জিগাতলায় আছে। আপনারা এখনই নামবেন। আপনাদের বাচ্চাদেরকে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যান। এটা আমার রিকোয়েস্ট।

যে পুলিশরা আছে, তারা অবশ্যই বাচ্চাদের প্রোটেকশন দেন। আপনারা প্লিজ, কিছু একটা করেন। সরকার যদি দায়িত্ব নিতে না পারে, তাহলে জনগণ কীসের জন্য আছেন আপনারা? আমরা ৭১ এ পেরেছি, ৫২ তে পেরেছি এবারও পারব। আমাদের দরকার নাই কাউকে। তার এই আহ্বান মুহূর্তেই দেশি-বিদেশি সামাজিক ও ইলেকট্রনিক্স মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ফলে জনমনে আতঙ্ক ও বিদ্বেষ ছড়িয়ে দেয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীরা তার এই মিথ্যা প্রোপ্রাগন্ডার উৎস জানার জন্য ফোন করলে তিনি তার স্বপক্ষে সঠিক কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেন নাই।

প্রকৃতপক্ষে, ওই সময় জিগাতলায় ওই ধরনের কোনো ঘটনা ঘটে নাই। তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে ও পূর্বপরিকল্পিতভাবে রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য এবং জনসাধারণের অনুভূতিতে আঘাত করার জন্য এইরূপ মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য প্রকাশ করেন। গত ৪ আগস্ট রাতে রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে কাজী নওশাবা আহমেদকে আটক করে র‌্যাব। এরপর র‌্যাব-১ বাদী হয় মামলাটি করে।

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত