শিরোনাম

১৫৫ কোটি টাকার দুর্নীতি: অগ্রণী ব্যাংকের ডিএমডিসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আদালত প্রতিবেদক  |  ২০:২২, মে ১৬, ২০১৮

বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা ভঙ্গ করে জাল কাগজপত্র দাখিল করে অগ্রণী ব্যাংক থেকে ১৫৫ কোটি ৩৩ লাখ ৫৩ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে পরিশোধ না করে আত্মসাতের দায়ে ব্যাংকটির উপমহাব্যবস্থাপক (ডিএমডি) এবং ভোজ্য তেল শোধনকারি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ও এমডিসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (১৬মে) চট্টগ্রামের ডবলমুরিং থানায় দুদক উপপরিচালক মো. সামছুল আলম বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আসামিরা হলেন-ভোজ্য তেল শোধনকারি প্রতিষ্ঠান মোহাম্মদ ইলিয়াস ব্রাদার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. নূরুল আফছার, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ সামশুল আলম, পরিচালক ও এমডির স্ত্রী কামরুন্নাহার বেগম, পরিচালক মো. নূরুল আলম, জয়নাব বেগম, কামরুন্নাহার বেগম, তাহমিনা বেগম।

অন্যদিকে ব্যাংকের আসামিরা হলেন-অগ্রণী ব্যাংকের উপমহাব্যবস্থাপক মো. নূরুল আমিন,প্রাক্তন সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. জোনায়েদ বোগদাদী,প্রাক্তন সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার উদয় কুমার বিশ্বাস, বৈদেশিক বাণিজ্য বিভাগের প্রিন্সিপাল অফিসার মো. শাহজাদুল আলম, প্রিন্সিপাল অফিসার ইয়াসিন ফারুকি।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অসৎ উদ্দেশ্যে অন্যায়ভাবে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য প্রতারণা, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা ভঙ্গ করে এবং বিভিন্ন ব্যাংকে প্রতিষ্ঠানের ঋণের তথ্য গোপন করে অগ্রণী ব্যাংকের সিআইবি রিপোর্টের সাথে পুরাতন ঋণ প্রস্তাবসমূহ অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে দাখিলে ঋণ অনুমোদন করিয়ে নেয়।

ঋণ অনুমোদনের সময় শাখা ব্যবস্থাপক ও শাখার কর্মকর্তাদের দায়িত্ব থাকা সত্ত্বেও ব্যাংক বিধি অনুযায়ী ওই ব্যাংক কর্মকর্তারা ঋণ আদায় না করে মোহাম্মদ ইলিয়াছ ব্রাদার্স (প্রা.) লিমিটেডের পরিচালরা ব্যাংকের অর্থায়নে ইন্দোনেশিয়া হতে ক্রুডপাম অলিন আমদানি করে আমদানিকৃত পণ্য বিক্রয় করে দেয়।

ব্যাংকের অর্থ পরিশোধ না ৩টি টিআর ঋণ বাবদ ১৫৫ কোটি ৩৩ লাখ ৫৩ হাজার টাকা পরিশোধ না করে পরস্পর যোগসাজশে আত্মসাৎ করে বলে দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে। তাই দুদক দ-বিধি ৪০৯/৪২০/১০৯ এবং ১৯৪৭ সালের ২নং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় মামলাটি দায়ের করে। ঋণ আত্মসাতের ঘটনার সময় ২০১০ সালের ১৪ জানুয়ারি থেকে ২০১১ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত