শিরোনাম

ইসলামী ছাত্রী সংস্থার ২০ মহিলা রিমান্ডে

আদালত প্রতিবেদক  |  ১৯:১৩, অক্টোবর ১৯, ২০১৭

ঢাকার কদমতলী থানায় দায়ের করা বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সদস্য সন্দেহে গ্রেফতারকৃত ২০ মহিলাকে ১ দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কদমতলী থানার এসআই মো.আজহারুল ইসলাম তাদেরকে ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করে ৫ দিনের রিমান্ড চান। আসামিপক্ষে রিমান্ড বাতিল করে জামিন দেয়ার জন্য আবেদন করেন। ঢাকার মহানগর হাকিম মো. গোলাম নবী উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে জামিনের আবেদন নাকচ করে প্রত্যেকটি ১ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

যাদেরকে রিমান্ড দেওয়া হয়েছে তারা হলো-জহুরা খাতুন শিমু (২৬), নূরই হাফসা শান্তা (২৬), মাইমুনা সুলতানা (২২), সুমাইয়া খাতুন (২৪), মাসুদা খাতুন (২৩), তাহমিনা আক্তার (২১), মাজিয়া বিনতে ফয়েজ (১৯), মোসা. শারমিন আক্তার (২৬), মোসা. ফাতেহা (২৬), খাদিজাতুল কোবরা র্অনা (১৮), রুমানা রুবাইয়া নাসরিন (২৭), সাদিয়া আক্তার মোর্শেদা (২৮), মোসা. শাহানারা সাথী (২৪), মোসা. সুলতানা (২৪), মোসা. কামরুন নাহার (২১), মোসা. ফাহমিদা (২২), তাহিরা (২২), জান্নাতুল ফৌরদৌস (২২), ফরিদা আক্তার ফাতেহা (১৯) ও মোসা. ফাতেমা (১৮)।

রিমান্ড প্রতিবেদনে বলা হয়, আসামিরা গত ১৮ অক্টোবর কদমতলী থানাধীন বাসা নং-৮৩২/৮ নূরপুর ধনিয়া মোয়াজ্জেম হোসেন এর ৫ম তলা বাড়ীর ২য় তলায় ফ্লাটের মধ্যে পূর্ব দক্ষিণের কক্ষে এক গোপন বৈঠকে মিলিত হয়। সেখান থেকে ইসলামী বিভিন্ন লেখকে বই পাওয়া যায়। এই বিষয়ে তারা কোন উত্তর দিতে পারে নাই। আসামিরা রাষ্ট্রীয় সম্পদ ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে অর্ন্তগাত মূলক কর্মকান্ড ও জালাও পোড়াও পরিস্থিতি সৃষ্টিসহ রাষ্ট্রের ভিতর বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির লক্ষে একত্রিত হয়। কি উদ্দেশ্যে এবং কেন তারা এই ধরনের কর্মকান্ডে জড়িত তার মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি আব্দুল্লাহ আবু অতিরিক্ত পিপি ছালমা হাই টুনী।

আসামিপক্ষে আইনজীবীরা পুলিশ রিমান্ডের প্রতিবেদনের বক্তব্য ভিত্তিহীন মিথ্যা বানোয়াট উল্লেখ্য করেন। তারা বলেন, যাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা অত্যান্ত নিড়ীহ তাদেরকে পুলিশ বিভিন্ন বাসা থেকে গ্রেফতার করে। যে ইসলামী বইয়ের কথা বলা হয়েছে তা নিষিদ্ধ কোন বই নয়। বই গুলো সকলেই পড়ে। পুলিশ অতি উৎসাহিত হয়ে মিথ্যা মামলায় জড়িত করেছে। সে কারণে তাদেরকে রিমান্ড না দিয়ে জামিন দেওয়া হউক। আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন মো.আব্দুর রাজ্জাক, এস.এম কামাল উদ্দিনসহ বেশ কিছু আইনজীবী।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত