শিরোনাম

আইনজীবী ও লেখক ইমতিয়াজ মাহমুদের জামিন

আদালত প্রতিবেদক  |  ১৯:৩৯, মে ১৬, ২০১৯

খাগড়াছড়ি সদর থানায় সফিকুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি ২০১৭ সালের ২১ জুলাই তথ্য প্রযুক্তি আইনে একটি মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও লেখক ইমতিয়াজ মাহমুদকে জামিন দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আস্ সামস জগলুল হোসেন শুনানি শেষে জামিন ৫০০ টাকা মুচলেকায় জামিন মঞ্জুর করেন।

বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নজরুল ইসলাম (শামীম) জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন মঞ্জুরের আদেশ দেন।

অপরদিকে ইমতিয়াজ মাহমুদের পক্ষে ঢাকা বারের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান খান (রচি), সাখাওয়াত হোসেন (তাসলিম)সহ বেশকিছু আইনজীবীরা জামিন আবেদন শুনানি করেন।

শুনানিতে আইনজীবীরা বলেন, তিনি সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী। তার বিরুদ্ধে আইসিটি মামলা ছিল। ২০১৭ সালের ২৫ জুলাই চার্জশিট দাখিল পর্যন্ত তিনি হাইকোর্ট থেকে জামিন নেন। হয়তো বা কোন একটা কাগজ আদালতে না পৌঁছানোর কারণে এরকমটি হয়েছে। এমতাবস্থায় আমরা তার জামিন চাচ্ছি।

গতকাল বুধবার (১৫ মে) সকালে রাজধানীর বনানীর নিজ বাসা থেকে বনানী থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। এরপর তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে পুলিশ। ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার বাদী সফিকুল ইসলাম মামলায় অভিযোগ করেন- ২০১৭ সালের ১ জুলাই রাত সোয়া ১২ টার দিকে ইমতিয়াজ মাহমুদ ফেসবুকে সা¤প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টিমূলক একটা পোস্ট দেন। তার এ পোস্ট খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার যেকোনো স্থানে পাহাড়ি বাঙালিদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রত্যক্ষ উস্কানি ছিল বলে বাদী এজাহারে উল্লেখ করেন। ২ জুলাই তিনি আরেকটি মিথ্যা পোস্ট দেন দেন। যা মিথ্যা বলে বাদী উল্লেখ করেন। ৬ জুলাই এবং ১০ জুলাই তিনি আরো পোস্ট দেন। ১ জলাই হতে ১০ জুলাই পর্যন্ত আসামির পোস্টগুলো উস্কানিমূলক, যা পার্বত্য চট্টগ্রামের সা¤প্রদায়িক স¤প্রীতি বিনষ্টের জন্য।
পোস্টগুলোর মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারীদের মধ্যে সা¤প্রদায়িক উসকানি ছড়ানো হয়েছে। বাঙালি জাতিকে হেয় করে সেটলার আখ্যায়িত করা হয়েছে।’

ইমতিয়াজের পোস্টগুলো ‘পাহাড়ে দাঙ্গা’ লাগানোর জন্য পরিকল্পিত বলেও অভিযোগ করেন বাদী শফিকুল।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত