শিরোনাম

শহিদুলের মামলার তদন্ত উচ্চ আদালতে স্থগিত

আদালত প্রতিবেদক  |  ১৭:৫০, মার্চ ১৪, ২০১৯

দৃক গ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা ও আলোকচিত্রী শহীদুল আলমের বিরুদ্ধে দায়ের করা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলার তদন্ত কার্যক্রম ৩ মাসের জন্য স্থগিত করেছেন উচ্চ আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৪মার্চ) বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে শহিদুল আলমের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ এফ হাসান আরিফ ও ব্যারিস্টার সারা হোসেন।

এর আগে গত ৪ মার্চ মামলার তদন্ত কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন তিনি। রিটে এই মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। এছাড়া মামলার তদন্ত কার্যক্রমও স্থগিত চাওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র সচিব সহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে। বর্তমানে শহিদুল আলম এই মামলায় জামিনে রয়েছেন।

গত বছরের ১৫ নভেম্বর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলমকে জামিন দেন হাইকোর্ট।
তার জামিন বিষয়ে রুল যথাযথ ঘোষণা করে বিচারপতি শেখ আব্দুল আউয়াল ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতে শহিদুল আলমের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফজলুর রহমান খান।

গত বছরের ১২ আগস্ট তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকেকারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। ৬ আগস্ট রমনা থানায় করা মামলায় শহিদুলআলমের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি)আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই আদেশ দেন।

শহিদুল আলমকে ৬ আগস্ট বিকেলে আদালতে হাজির করে পুলিশ। রিমান্ড আবেদনে বলা হয়,আসামি শহিদুল আলম তাঁর ফেসবুক টাইম লাইনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিকবিভিন্ন গণমাধ্যমে কল্পনাপ্রসূত অপপ্রচার চালাচ্ছেন।

এর মাধ্যমে জনসাধারণের বিভিন্ন শ্রেণিকে শ্রুতিনির্ভর (যাচাই-বাছাই ছাড়া কেবল শোনা কথা) মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করেউসকানি দিয়েছেন, যা রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর। সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ ও অকার্যকররূপে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে উপস্থাপন করেছেন।

রিমান্ড আবেদনে আরও বলা হয়, আসামি শহিদুল ইসলাম আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরঅবনতিসহ জনমনে ভীতি ছড়িয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র এবং তা বাস্তবায়নের জন্য ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রচার করেছেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত