শিরোনাম

উত্তরণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ

প্রিন্ট সংস্করণ॥নিজস্ব প্রতিবেদক  |  ০০:৩০, জানুয়ারি ১৩, ২০১৯

রাজধানীর মিরপুর সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) সদস্যদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল শনিবার উত্তরণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এই শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া হিজড়া সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের সাথে সাথে আপনাদেরও উন্নয়ন হবে এবং আপনারা সমাজের মূলধারায় চলে আসবেন। আপনাদের যে কোনো সহযোগিতায় আমাদের পাশে পাবেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ২০১৩ সালে আপনাদেরকে তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেছেন। প্রধানমন্ত্রী সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে আপনাদের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এই বাংলাদেশ। আপনারা নিজেদের হীনমন্যতা দূর করে সমাজের মূল স্রোতধারায় নিজেদের সম্পৃক্ত করতে শিক্ষা গ্রহণ করুন। আপনারা কর্মসংস্থানের প্রকল্প নিয়ে আসেন, আপনাদের যে কোনো প্রকল্প বাস্তবায়নে আমরা কাজ করবো। আপনাদের কর্মসংস্থানের জন্য উত্তরণ যেভাবে কাজ করছে আমরাও আপনাদের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি। সমাজে নেতিবাচক কোনো অপরাধের মাধ্যমে নিজেদের ভাবমূর্তি নষ্ট না করার জন্য হিজড়াদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি। উত্তরণ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ডিআইজি (প্রশাসন) হাবিবুর রহমান বিপিএম (বার), পিপিএম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া, বিপিএম (বার), পিপিএম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মাসুদ আহম্মদ পিপিএম, নাসা গ্রুপের পরিচালক মেজর মল্লিক মনিরুজ্জামান (অব.), পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও উত্তরণ ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান শাইখ।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে হাবিবুর রহমান বলেন, তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) সদস্যরা আমাদের সমাজেরই অংশ। ২০১৩ সালে প্রধানমন্ত্রী তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে হিজড়াদের স্বীকৃতি দিয়েছেন। আমরা প্রধানমন্ত্রীর আপ্রাণ চেষ্টায় এই তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যদের দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে যুক্ত করবো। উত্তরণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় গার্মেন্ট, বুটিক হাউজ, ডেইরি ফার্ম, বিউটি পার্লার ও ট্রেনিং সেন্টার গড়ে তোলা হয়েছে। কিন্তু এখনো এই জনগোষ্ঠীর একটি বিরাট অংশ এ সকল উন্নয়ন উদ্যোগের বাইরে রয়ে গেছে। এই জনগোষ্ঠীকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে তারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ জনসম্পদে পরিণত হতে পারে এবং আমাদের জিডিপির বৃদ্ধিতে অবদান রাখতে সক্ষম হবে বলে জানান তিনি। এ সময় ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত