শিরোনাম

বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ আস্থার জায়গায় পৌঁছেছে : মুহিত

নিজস্ব প্রতিবেদক  |  ১৫:২২, জানুয়ারি ০৭, ২০১৯

বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ আস্থার জায়গায় এসেছে বলে জানিয়েছেন বিদায়ী অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, বাংলাদেশ নিজের যোগ্যতায় বর্তমান এ অবস্থায় এসেছে। আগে আমাদের ভিক্ষুক ও তলা বিহীন ঝুড়ির দেশ বলা হতো। আমরা সে জায়গা থেকে মধ্যম আয়ের দেশে পৌ‍ঁছেছি। এটা সম্ভব হয়েছে দেশের মানুষ ও প্রশাসনের জন্য।

সোমবার (০৭জানুয়ারি) অর্থমন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ সব কথা বলেন। এসময় অর্থপ্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরি, ব্যাংকিং বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম, অর্থ সচিব আবদুল রউফ তালুকদার, বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর ফজলে কবিরসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্ত কর্মচারিরা উপস্থিত ছিলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এটা আমাদের তৃতীয় ৫ বছর। এই ৫ বছর শেষে বাংলাদেশ এমন জায়গায় চলে যাবে এ গতি কেউ রোধ করতে পারবে না। আমরা গত ১০ বছরে বাংলাদেশকে ভিক্ষুকের দেশ থেকে উন্নতরণ ঘটিয়েছি। বিশ্বের কোনো দেশ বাংলাদেশকে ভিক্ষুকের দেশ বলতে সাহস পায়না। দেশকে এ অবস্থায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে আমি একটি ভুমিকা রাখতে পেড়েছি সেজন্য আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে কির। তবে এক্ষেত্রে সাধারন মানুষ যদি সাড়া না দিত তাহলে উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন সম্ভব হতো না। আর প্রশাসন সে ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছে।

মুহিত বলেন, আমি খুশি এজন্য যে আমাকে ঝেটিয়ে বিদায় করতে হয়নি। অবসর না নিয়ে ঝেটিয়ে বিদায় হয়ে যাওয়ার থেকে অবসর নেয়া অনেক ভালো। এদিক থেকে আমি খুব সৌভাগ্য যে, আমাকে কেউ বিদায় করেনি আমি নিজে থেকেই বিদায় নিয়েছি। এ জন্য আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে অত্যান্ত কৃতজ্ঞ। আমি নিজেই আগে অবশরে গিয়েছি। আগামী ২৫ জানুয়ারি আমার ৮৫ বছর হবে।এ বয়সে এসে আমি একটি জটিল দেশ ও অর্থ মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব পালন করেছি গত ১০ বছর। এখনতো আমার অবসর নেয়ার দরকার।

তিনি বলেন, আমাকে অনেকেই বলেন অবসরে কি করবো? বাংলাদেশের করার কোনো ক্ষেত্রের অভাব নেই। আমার সংগ্রহে ৫০ হাজার বই আছে। একগুলোর সবগুলো পড়া হয়নি। এগুলো পড়বো। আর আমি ৩৪টি বই লিখেছি। আরো বই লিখবো।’

অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘আমি সকলের সহযোগীতায় এতদিন দায়িত্ব পালন করেছি। আগামীতেও দায়িত্ব পালন করার জন্য সকলের সহযোগীতা চায়।

মুসলিম চৌধুরী বলেন, সরকারি অফিসারদের এক ভালো মানুষ গড়ার কারিগর হচ্ছেন অর্থমন্ত্রী। রাজনীতি এ ধরনের লোজের বড় প্রয়োজন। স্যার (মুহিত) আমাদের ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। আমি মনে করি তার জায়গা পুরণ করাটা কঠিন হবে।

অনুষ্ঠানে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম বলেন, অর্থমন্ত্রী আমাদের জন্য বাতিঘর। বাতিঘর যেমন তার নিকট না গেলেও মানুষকে আলো দেয়। তেমন তিনি আমাদের মাঝে না থাকলেও দুর থেকে আমাদের দিক নির্দেশনা দেবেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত