শিরোনাম

প্রবীণদের সেবা দিন, নিজে বার্ধক্যের প্রস্তুতি নিন

প্রিন্ট সংস্করণ॥নিজস্ব প্রতিবেদক  |  ০০:৫৮, অক্টোবর ১৯, ২০১৮

বার্ধক্য বিষয়ে অনুষ্ঠান কিন্তু বাংলাদেশে তেমন হয় না কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হলো বার্ধক্য প্রতিজন মানুষের সমস্যা। এক্ষেত্রে ব্যক্তি পরিবার যতটুকু অনাগ্রহ- উদাশীল, রাষ্ট্র-সরকার জাতীসংঘের বিপরীত, অর্থাৎ তারা যথেষ্ট এগিয়ে আসছে। আমাদের উচিত বিশ্বের ডাকে , রাষ্ট্রের ডাকে, সরকারের ডাকে নিজের বার্ধক্য মুকাবিলায় এই ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা এবং আমাদের তথ্যগুলো সবার কাছে ছরিয়ে দেয়া, যাতে করে আমরা নিজেরা ভালো থাকতে পাবি, ভালো রাখতে পারি। প্রবীণদের ভালো রাখলে আপনি নিজের ভালো থাকবেন। আপনারা সবাই জানেন বার্ধক্য এমন একটা সমস্যা , বাংলাদেশে ৬০ বছর বা তার বেশি বয়স্ক যারা আছেন তাদেরকে মহামান্য রাষ্ট্রপতি বলেছেন সিনিয়র সিটিজেন। প্রায় দের কোটি বা তার বেশি বাংলাদেশি প্রবীণের সংখ্যা। ২০২৫ সালে এদের সংখ্যা হয়ে যাবে প্রায় ২ কোটি, ২০৫০ সালে এদের সংখ্যা হয়ে যাবে প্রায় সাড়ে চার কোটি. ২০৬০ সালে এদের সংখ্যা হয়ে যাবে সাড়ে ৫ কোটি অর্থাৎ দ্রুততার সঙ্গে বাড়ছে এবং আমরা যাদের বলি অতি প্রবীণ অর্থৎ ৮০ বছরের বেশি, তাদের বৃদ্ধির হার যে কোন প্রজন্ম থেকে সবচেয়ে বেশি এবং আপনারা জানেন, ঐ সময়ে নিজেকে কোনরকম কোন ধরনের উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত রাখা সনম্ভব হয় না। বরং তাকে সেবা দেওয়ার জন্য প্রচুর পরিমানে অর্থ ব্যায় করতে হয়, প্রচুর পরিমানে সেবার ব্যাবস্থা করতে হয়।জাতিসংঘকে আমরা ধন্যবাদ জানাই। জাতিসংঘ দীর্ঘ্য দিন যাবৎ মানুষকে সচেতন করছে, যাতে করে মানুষ সচেতন হয়, এগিয়ে আসে বার্ধক্য সমস্যা মোকাবেলা করার জন্য এবং ১ লা অক্টেবর আার্ন্তজাতিক প্রবীণদিবস ঘোষনা করা হয়েছে, ১৯৯১ সাল থেকে এটি উজ্জাপন হচ্ছে। এবারো ১লা অক্টোবর প্রবীণ দিবস সারা বিশ্বব্যাপী উজ্ঝাপন হবে। এবার জাতিসংঘ যে শ্লোগানটি তুলে ধরেছে, সেটি হচ্ছে, সেলিব্রেটি ওল্ড এন্ড হিউম্যার রাইটস ক্যাম্পেইন্স্ অর্থাৎ মানবাধিকার প্রবীণবীদদের জয় জয়কার। এ কথাতে জতিসংঘ এটি বুঝাতে চাচ্ছে, মানবাধীকার প্রতিষ্ঠায় সারা বিশ্ব কিন্তু অনেক এগিয়ে আসছে। আজ থেকে ১০০, ৫০০, ১০০০ বছরের তুলনায় কিন্তু যে সকল মানুষ মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে বিরাট ভুমিকা পলন করেছে, তারা এখন প্রবীণ, তাদের কিন্তু আমরা ভুলে যাচ্ছি। তাদেরকে আরা সম্মান দিচ্ছি না ,তাদের যে অধিকার, সেই বিষয়ে অমরা চিন্তা করছি না, সেবা করছি না, এগিয়ে আসছি না। সেই ব্যাপারে সচেতন করার জন্য মানুষকে এগিয়ে আসার জন্য জাতিসংঘ আহ্বান করছে। মানুষের মাঝে যতগুলো সমস্যা আছে, তার মধ্যে মারত্বক , ভয়াবহ ও অকল্পনিয় সমস্যা হচ্ছে বার্ধক্য এবং বর্তমানে আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যে উৎকর্ষ, সেউ উৎকর্ষে এসে মানুষ কিন্তু আগের তুলনায় অনেকদিন বেচেঁ থাকছে এবং চিকিৎসা ব্যাবস্থা উন্নয়নের ফলে মানুষ শেষ বয়সে হাসপাতালের সহয়তায়ও বেচেঁ থাকছে অর্থাৎ আমাদের যে গড় আয়ু, সেটা আগের চেয়ে অনেক বেশি বেড়ে গেছে।এক সময়ে এই বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ছিল মাত্র ২০ বছর । ১৯২১ সালের জরিপে দেখা যায়। এই মাটিতেই বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু এখন প্রায় ৭২ বছর। এই যে ক্রমবর্ধমান গড় আয়ু ,এর ফলে বিরাট সংখ্যক মানুষ বার্ধক্যে পরিণত হচ্ছে।কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, বার্ধক্য নিয়ে কেউ তেমন প্র¯ত্তত না। বার্ধক্য কিন্তু ব্যাক্তির নিজের এবং বার্ধক্য মোকাবেলা করতে হলে জাতিসংঘ যেটা বলছে, “ সস্তিময় ও কর্মময় বার্ধক্য” সেটা নিশ্চিত করতে হলে, জাতিসংঘ আবার বলছে, জীবনব্যাপী প্র¯ত্ততি নিতে হবে কিন্তু আমরা এই প্র¯ত্ততির ব্যাপারেও অসম্ভব রকমের উদাশীল। অমরা বর্তমানে সমাজে বা পরিবারে প্রবীণ যারা আছেন, তাদের সেবা যতœ, তাদের অধিকার, তাদের যে ন্যায্য স্বার্থ, সেটা বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে যেমন অমরা উদাশীল, তার থেকেও বেশি উদাশীল আমি যে একদিন প্রবীণ হব বা বর্তমান প্রজন্ম যে একদিন প্রবীণ হ্েব এবং প্রবীণের যে বিরম্বনা, যে কষ্ট দুঃখ এগুলাকে মোকাবেলা করার জন্য যে প্র¯ত্ততি নেওয়া জন্য যা করা দরকার, সেই সব বিষয়ে কিন্তু আমরা বাংলাদেশের মানুষ ভিষন উদাশীল। কেহই কিন্তু বার্ধক্যের হতে থেকে রেহাই পাবে না। বেচেঁ থাকলে আপনাকে বার্ধক্যে পৌছতে হবেই। সেই বার্ধক্য যেন সস্থিময় এবং কর্মময় হয়, তার জন্য এখন থেকেই প্র¯ত্ততি নিতে হবে। প্র¯ত্ততি কেমন হতে পারে? বার্ধক্য কিন্তু আসে শরীরে। আমাদের যতই বয়স বাড়ে, ততই দেথা যায়, বার্ধক্যের কারনে শরীরে নানা রকম দুর্বলতা, রোগ-শোক দেখা দেয়। এগুলো অনেকটা নির্ভর করে তার প্রথম জীবনের জীবনাচরন তার উপরে। খেয়াল করে দেখবেন, এখনকার ছেলে-মেয়েরা অধিক পরিমানে কমিম্পিউটারে বা ফেসবুকে বসে থাকছে, ফাষ্ট ফুড বা অন্যান্ন অস্বাস্থ্যকর খাদ্য সেগুলা খাচ্ছে। বাংলাদেশের কথা বললেতো আরো মারাত্বক। প্রত্যেকটা খাদ্যে কিন্তু ভেজাল ঔষুধের মধ্যে ভেজাল সমস্ত শাক-সবজীর মধ্যে ভেজাল এই অবস্থাগুলি কিন্তু শরীর জমা করে রাখে।শরীর বড়ই নিষ্ঠুর, যখনই একটা সময় আসবে, আমি বার্ধক্যে পরিণত হব, তখন ঐ শরীর কিন্তু অগেরকার শরীরের উপর যে নির্জাতন বা আমরা যে অনাচারগুলো করেছি, সেগুলো কিন্তু সে তার প্রতিশোধ নেওয়া শুরু করে দিবে।আমাদের এখনকার ছেলে মেয়েরা বা আধুনিক প্রজন্ম যে কোন কারনেই হোক, সেটা রাস্তার জ্যাম এর কারনেই হোক অথবা ঘনবসতির কারনেই হোক, তাা কিন্তু ফিজিক্যাল মুভমেন্ট , শারিরীক চলাচল বা ব্যায়াম করা অনেক কমে গেছে। আবার দেখা যাচ্ছে, যাদের ব্যায়ামের প্রয়োজন, বিশেষ করে যারা বিভিন্ন রোগে-শোকে জরিত এবং যারা প্রবীণ তাদেরও কিন্তু হাটার মতো কোন জায়গা নেই।এর পরেও আমরা বিভিন্নভাবে প্রস্ততি নিতে পারি,শারীরিক প্রস্ততি- ওষুধ খাওয়ার ব্যাপারে, শারীরিক মুভমেন্ট এর ব্যাপারে, ঘুমের ব্যাপারে। বলা হচ্ছে, সম্প্রতি গবেষনায় যে প্রতিফলিত হয়েছে লন্ডনে, সেখানে দেখা যাচ্ছে, সেই পুরানো সেই বাক্য, যত তারাতারি শোযা যায় এবং যত ভোওে উঠা যায়, ততই শরীর ভাল থাকে সেটা প্রমানিত হয়েছে। যদি কেউ ৭ ঘন্টা প্রথম রাতে ঘুমায়, অনেক সকালে উঠে যায়এবং কিছু শারীরিক বেয়ামগুলো কওে তবে তার শরীর ভাল থাকবে, অন্তত শেষ বয়সে এসে যে মারাত্বক রোগ, যেমন হ্রদ রোগ. ডায়বেটিক, বাত ব্যাথা এগুলো অপেক্ষামূলক ভাবে কম হবে।২য় কথাটি হলো যেটা আমরা মনে করি, সেটা হচ্ছে বার্ধক্য কোন রোগ না, বার্ধক্য একটি অবস্থা।কিন্তু দেখা যাচ্ছে বিশশুদের মতো, নারীদের মতো বা প্রতিবন্ধিদেও মতো প্রবীণ মানুষের কিন্তু কোন অধিকার নেই। প্রবীণ মানুষ যদি কোন পরিবারে থাকে, সেই পরিবারে দেখা যায় এক পর্যায়ে শিশুর কথা যেমন গুরুত্ব দেওয়া হয় না ঠিক তেমনি প্রবীণ মানুষের কথাও গুরুত্ব নাই বললেই চলে।কিন্তু এগুলো প্রয়োজন ছিল এবং প্রয়োজন আছে। বার্ধক্য মোকাবেলা করতে হলে যে বিষয়টা সবচাইতে বেশি প্রযোজন, সেটা হলো, আর্থিক সংগতি।আমরা লক্ষ্য করেছি, গবেষণার ফলশ্রুতিতে যতই আমরা মনে করি প্রণীণ মানুষ দরিদ্র, আসলে প্রবীণের যে সম্পদটা আছে একজন শিশুর সেই সম্পদটা নাই।কিন্তু প্রবীণ তার সম্পত্তি পরিকল্পিত ভাবে ব্যাবহার করতে চান না।প্রবীণ বয়সে সবাই কিন্তু একটু কার্পন্যের দিকে ঝুকে পরেন কিন্তু আমরা মনে করি যদি দেশে এমন একটা ব্যাবস্থা থাকত যে. ৩০ বছর বয়সের পর থেকে যেটা আমরা বলি বার্ধক্য বীমা, ওল্ড এইজ ইন্সুরেন্স অর্থাৎ ৩০ বছর বয়সের প্রত্যেকটা মানুষের পক্ষে সম্ভব কারো মাসে ৫০,১০০ .২০০ প্রিমিয়াম দেওয়া এবং এটা যদি ৬০ বছরের বয়সের পর এটার যে সুফল ভোগ করতে চায়, তাহলে দেখা যাবে, শেষ বয়সে যে আর্থিক নিরাপত্তাটা সে নিশ্চিত করতে পারে। বর্তমান সরকারের প্রতি আমরা অত্যান্ত কৃতজ্ঞ, বিশেষ করে বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ব্যাক্তিগত উদ্যোগে বা তার দূরর্দশীতায় বলব, প্রবীণদের কল্যানে অনেক রকম ব্যাবস্থা নেওয়া হয়েছে।বিশেষ করে আমরা সেটাকে বলব ইন্সিটিশিওনলাইজ একটা ব্যবস্থা হয়েছে। যেমন আইন করা হয়েছে, নীতি করা হয়েছে, বয়স্ত ভাতার ব্যাবস্থা করা হয়েছে। সরকার এবারো প্রায় ২৪’শ কোটি টাকা ৪০ লক্ষ প্রবীণকে ভাতা দিবে।এখন এই ২৪’শ কোটি টাকার মধ্যে যদি প্রবীণদের একটা অংশগ্রহণ থাকতো বা যারা প্রবীণ হন নাই তাদেরওতো যদি অংশগ্রহণ থাকতো যেটা আমরা চাকুরীর ক্ষেত্রে বলি কন্টিবিউটরি প্রভিনেন্ট ফান্ড, এরকম কন্টিবিউটরি ব্যাবস্থা থাকতো তবে রাষ্ট্রের উপর এতো জোর আসত না। আমরা কল্যাণ রাষ্ট্রের কথা শুনি, কলান রাষ্ট্রগুলো কিন্তু এখন মুখ থুবরে পরছে প্রবীণদের সেবা দেওয়ার জন্য, কারণ প্রবীনের সংক্ষা বেড়ে যাচ্ছে,প্রবীনের চাহিদা অনেক বেশি।এজন্য আমরা বলি, ব্যাংক- বীমা ব্যাবস্থাগুলি টিন্তা করতে পারে, এটা কিন্তু একটা লাথজনক ব্যবসা হতে পারে তাদের জন্য। পাশাপাশি যদি আমরা বলি , মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন, বার্ধক্য কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর না, বার্ধক্য হচ্ছে আপনার আমার নিজের। আমরা দেশে-বিদেশে উচ্চভাবে বলি আমাদের দেশের সরকার, আমাদের দেশ রাজনীতি প্রবীণ বান্ধব কিন্তু বার্ধক্য হলো ব্যাক্তির নিজের। আমরা অনেককেই,যারা ৫০ এর উপরে গেছেন,তাদের জিগ্যাসা করি, আপনি কি প্রস্তুতি নিয়েছেন আপনি কোথায় থাকবেন, কার সাথে থাকবেন? যেমন বিশেষ করে মুসলিম কমিউনিটিতে সারা বিশ্বব্যাপী একটা নেগেটিভ নীতিবাচক ধারনা প্রবীণ নিবাস সম্পর্কে। কিন্তু আপনি কি খেয়াল করেছেন, অঅপনর বয়স যখন ৬০.৭০,৮০ বছর হবে তখন আপনি কার সঙ্গে কোথায়, কিভাবে থাকবেন? জনসংখ্যার আকৃতি পরিবর্তন হওয়ার ফলে এখন সংসারে ১ জন বা ২ জন সন্তান। সেই সন্তান যখন শিক্ষিত ও স্বচ্ছল হচ্ছে, তখন সে বাইরে চলে যাবে। তখন আপনি কার সাথে থাকবেন? আবেগ দিযে যদি বলেন পরিবারে থাকব, সেটা বলে লাভ নাই কারণ আপনার পরিধী আপনি ছোট করে ফেলছেন। আর যদি শুধূ মেয়ে হয় তবে আপনি মেয়ের বাড়ীতে থাকতে পারবেন না কারণ সমাজ বরই নিষ্ঠুর এমন একটা ব্যাবস্থা করেছে যে বয়স্ক পিতা-মাতাকে তার মেয়ের বাড়ীতে থাকার জন্য আপনাকে অনুমতি দেয় না। অথচ মেয়ের কাছেই সে বেশি নিরাপদ। ছেলে হলে ছেলের বউ এর সাথে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অসামাঞ্জস্য হয় কেননা আপনার পরিবারে দীর্ঘদিন যাবৎ যে কতৃত্ববাদী মনোভাব সেটা ছেলে বা ছেলের বউ নাও মেনে নিতে পারে এবং মানা সম্ভবও না।কারণ প্রত্যেকেই কর্মজীবি,প্রত্যেকেই তার ভুগোল নিয়ে চলে।ফলে দেখা যাচ্ছে প্রবীণ নিবাস বর্তমান সময়ের দাবী। আমরা চীনের থেকে একটা কথা শুনেছি, তারা বলছে, প্রত্যেকটা প্রবীণেরই দুইটা জিনিষ আছে, একটা হচ্ছে তার স্বামর্থ আছে অর্থাৎ তার আর্থিক সংগতি আছে দুই নম্বর হচ্ছে তার চাহিদা আছে সেবা কিন্তু নেই কোনটা সেটা হচ্ছে, চাহিদা অনুযায়ী সেবা, অপনি সেবা যদি ডেভলপ করতে পারেন, প্রবীণ যদি তার সম্পদ অর্থ ব্যায় করতে পারেন, তবে সে ভাল থাকবেন আর যাদের একেবারেই স্বামর্থ নাই, তাদের জন্য সরকার হয়তো ব্যবস্থা করবেন।আমরা অত্যান্ত আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনর কাছে, যিনি বয়স্ক ভাতা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে হতদরিদ্র প্রবীণদের নূন্যতম একটা নিরাপত্তার ব্যাবস্থা করেছেন। আমরা যারা আবাসন শিল্পের সঙ্গে জরিত, তাদেরকে অনুরোধ করব, এখন থকেই যদি তার ১০ বছর মেয়াদী প্রকল্প চালু করেন যেমন যে প্রকল্প আমরা সমুদ্র পাড়ে কক্স্রবাজারে, কুয়াকাটায় যেমন ষ্টুডিও এপার্টম্যান্ট করা যেতে পারে এবং সেগুলা বার্ধক্যের জন্য নয় কেন? ৫০বছরের একজন সরকারী কর্মকতা বা একজন ব্যাবসায়ী যদি একটা কিস্তিতে টাকা পরিশোধ করেন তাহলে দেখা যাবে যে, একই সঙ্গে ২০০-৫০০ প্রবীণ একসঙ্গে বসবাস করবেন। শেষ বয়সে মানুষের মানষের তিনটা জিনিষের প্রয়োজন , এটা হলো, যেটা তার নিজের সংগতী করা কঠিন, যেমন তার ২৪ ঘন্টা খাদ্য, তার বিছানা এবং তার চিকিৎসা।এই তিনটি জিনিষের ব্যাবস্থা ২৪ ঘন্টা রাথতে হবে।এটা শিশু বা তরুনদেন না লাগতে পারে কিন্তুু প্রবীণদের অবশ্যই লাগবে। অর একটি চাহিদা হচ্ছে . প্রত্যেকটা মানুষই চায় তার সমবয়সী সঙ্গ।আর অন্যতম চাহিদা হলো তার ব্যা্িক্ত স্বাধীনতা। ঘরের মধ্যে থেকে ছেলে, ছেলের বউ আর নাতী নাতনীদের সাথে থেকে অনেক সময়ে প্রবীণের এই চাহিদা পূরণ সম্ভব হয়ে উঠে না। ঢাকাতে “প্রবীণ হৈতষী” নামে একটি নিবাস আছে, সরকার এটা করে দিয়েছেন । এখানে যারা থাকেন. উনারা কিন্তু নিজের টাকা-পয়সা দেন এবং তারা তাদের বিভিন্ন ভাবে সহযোগীতা করার চেষ্টা করে । তারা যেহেতু এখানে খাকেন, সেহেতু ২৪ ঘন্টা তাদের খাওয়া, থাকা এবং এটা একটি হাসপাতলের সাথে সম্পৃক্ত তাই তাদের সবসময় স্বাহ্য সেবাও প্রদান করা হয় ও চিকিৎসা নিশ্চয়তা আছে।এখানে তারা যথেষ্ট আনন্দে থাকেন কারন তারা সবাই সমবয়সী। তারা গল্পগুজব করেন, আনন্দফুর্তি করেন, মান অভিমান করেন এমনকি ঝগড়াও করেন।এটেিরা কিন্তু প্রয়োজন আছে।আর সবচেযে বড় কথা এখানে যারা থাকছেন। সেখানে তাদের নজরদারী আছে । বিশেষ প্রয়োজনে তারা বিশেষ সেবা প্রদান করে কিন্তু ঘরে বসে একসাথে এতো সেবা সহজেই দেওয়া সবার পক্ষে সম্ভব না।কিন্তু এখানে সেটা সম্ভব। তাই আমি মনে করি আবাসন শিল্পের সঙ্গে যারা জরিত, তারা এটাকে ব্যাবসাহিক দৃষ্টিকোন থেকেও দেখতে পারেন।একসাথে সেখানে অনেক প্রবীণ থাকবেন, সেখানে তাদের খাওয়া , চিকিৎসা, থাকা , বিনোদনের ব্যবস্থা থাকবে। তাহলে দেখা যাবে, আমরা বার্ধক্যে নিরাপদ থাকব। আমার মতে নতুন প্রজন্ম , বর্তমান প্রজন্মের কছে বার্ধক্য আসছে ধেয়ে এবং ভয়াবহ ভাবে। তাই নিজের বার্ধক্য নিজের তৈয়ারী করে নিতে হবে তা না হলে বৃদ্ধ বয়সে খুব খারপ অবস্থায় পরতে হবে। আমি সর্বশেষে বিশেষ করে প্রবীণ পুরুষদের কথা বা যারা প্রবীণ হতে চলেছেন, তারা নিজেদের স্ত্রীর জন্য টাকা রেখে যেতে হবে।গড়ে আমাদের দেশে স্বামী-স্ত্রীর বয়সের পার্থক্য ৫ বছর। অর্থাৎ স্ত্রী স্বামীর তুলনায় ৫ বছর বেশি বাচেঁ এবং বাস্তব হলো বিধাবা হয়ে বাঁচে। আর প্রবীণদের বঁচার প্রবনতা সারা বিশ্বেই বেশি।আর বার্ধক্য হয়ে যদি তিনি বিধাবা হন আর তার কাছে টাকা না থাকে তবে তার মতে অসহায় প্রথিবীতে আর কেউ নেই।এজন্য অমি অনুরোধ করব প্রবীণ পুরুষের উচিৎ বা যারা প্রবীণ হবেন, আপনারা আপনার স্ত্রীর জন্য বিয়ের পরে ফিক্স্র ডিপোজিটের মাধ্যমে টাকা রেখে যান।এজন্য আমরা বলি হেল্থ ইন্সুরেন্স এর ব্যবস্থাও চালু করা যেতে পারে।এখানে ইন্সুরেন্স কোম্পানী গুলো বিশেষ পলিসি চালু করতে পারে।
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত