শিরোনাম

সংসদে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনায় পৃথক ২টি তদন্ত কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক  |  ১৮:৫৯, সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনার বিদ্যুৎ বিভাগ ও ঢাকা বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি (ডিপিডিসি) দুইটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। অধিকতর তদন্তের মাধ্যমে কমিটি দুইটিকে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে নজীরবিহীন এই ঘটনার দায় নিতে চাচ্ছে না কেউ। একে অন্যের ওপর দোষ চাপাচ্ছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম সচিব ফয়জুল আমীনকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি ও ডিপিডিসির পরিচালক (অপারেশন) এ টি এম হারুনুর রশীদকে প্রধান করে চার সদস্যের আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। উভয় কমিটিকেই দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

এর আগে, মঙ্গলবার (১১সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিদ্যুৎবিভ্রাটের কারণে জাতীয় সংসদ অধিবেশন মুলতবি করা হয়। জাতীয় সংসদের ২২তম অধিবেশনের তৃতীয় কার্যদিবসে অধিবেশন শুরুর মাত্র সোয়া একঘণ্টার মাথায় তা মুলতবি ঘোষণা করা হয়। পাঁচ বছর আগেও একবার বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছিল জাতীয় সংসদে। সংসদ স্থাপনের পর এটিই বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সর্বোচ্চ মাত্রা।

এ বিষয়ে ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের সংসদ চলে মেঘনা ঘাটের ৪০০ মেঘাওয়াট বিদ্যুৎ গ্রিডের মাধ্যমে। কিন্তু সেখানে কারিগরি সমস্যা দেখা দেওয়ায় সংসদের বিদ্যুৎ বন্ধ রয়েছে। এজন্য সংসদের অধিবেশন মুলতবি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ডিপিডিসির প্রকৌশল বিভাগের নির্বাহী পরিচালক মো. রমিজ উদ্দিন সরকার বলেন, মেঘনাঘাটের ৪৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র ট্রিপ করায় পিজিসিবির আমিন বাজারের ১৩২ কেভি গ্রিড লাইন ‘ট্রিপ’ করে। এতে আমিন বাজার থেকে সংসদ ভবনে আসা ডিপিডিসির লাইনটিতে লো ভোল্টেজের সমস্যা হয়। এরপর সে বিদ্যুৎ সংসদ ভবনে আসার পর সেখানেও সমস্যা হয়। ফলে ডিপিডিসির বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে স্বয়ংক্রিয় ভাবে জেনারেটর চালু হয়ে যায়।

ঘটনার পর পিজিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম আল বেরুনী বলেন, আমাদের কোনও লাইন ট্রিপ করেনি। ফলে পিজিসিবির লাইনের কারণে এ ঘটনা ঘটেনি। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি ডিপিডিসি বা পিজিসিবির সমস্যা নয়। যেহেতু সংসদের বিদ্যুৎ সরবরাহের দায়িত্ব পালন করে গণপূর্ত (বিদ্যুৎ) বিভাগ। তাদের কোনো সমস্যা হতে পারে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত