শিরোনাম

‘অনলাইন গণমাধ্যমকে নিবন্ধন করতে হবে’

১৪:৪৪, জুন ১৯, ২০১৭

জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা-২০১৭ এর খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।সোমবার (১৯ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম।

এই নীতিমালা অনুযায়ী অনলাইন গণমাধ্যমকে প্রস্তাবিত সম্প্রচার কমিশনের কাছ থেকে নিবন্ধন নিতে হবে। তবে কমিশন হওয়ার আগ পর্যন্ত তথ্য মন্ত্রণালয় তা দেখভাল করবে। সংবাদপত্রের অনলাইন সংস্কারের জন্য আলাদা নিবন্ধন করতে হবে না।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে সংবাদ ব্রিফিং করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, যেসব সংবাদপত্র ১৯৭৩ সালের ছাপাখানা ও প্রকাশনা অ্যাক্ট অনুযায়ী নিবন্ধিত, সেসব সংবাদপত্রের অনলাইন সংস্করণকে নতুনভাবে নিবন্ধন করতে হবে না। তবে এই বিষয়টি কমিশনকে জানাতে হবে ও নিবন্ধন ফি দিতে হবে। এই ফি নির্ধারণ করবে সম্প্রচার কমিশন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই নীতিমালাটি করা হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমানে প্রায় ১৮ শর মতো অনলাইন গণমাধ্যম আছে। এর মধ্যে কিছু অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘জাতীয় সম্প্রচার আইন নামে একটি পৃথক আইন তৈরির কাজ চলছে। সেই আইনে কমিশনের কাজ ও গঠন প্রক্রিয়া সম্পর্কে বলা থাকবে। তবে ১৯৭৩ সালের ছাপাখানা আইন অনুযায়ী যেসব সংবাদপত্র প্রকাশিত হয় তাদের অনলাইন ভার্সন থাকলে তাদের নিবন্ধন লাগবে না। তবে পত্রিকা কর্তৃপক্ষকে কমিশনকে পত্রিকার অনলাইন ভার্সন সম্পর্কে অবহিত করতে হবে। অনলাইনগুলোর কোড অব গাইডেন্স কমিশন তৈরি করবে। এই গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ, তথ্য, ছবিসহ যেকোনও বিষয়ে যদি কারও আপত্তি থাকে, কারও অধিকার ক্ষুণ্ন হয় তাহলে কমিশনের কাছে আবেদন করতে হবে। কমিশন ৩০ দিনের মধ্যে বিষয়টি নিষ্পত্তি করবে। নিষ্পত্তির বিষয়গুলো সম্প্রচার কমিশন আইনের বিধিমালায় উল্লেখ থাকবে।’ বাংলাদেশের ভূখণ্ড থেকে প্রকাশিত ইন্টারনেট ভিত্তিক রেডিও, টেলিভিশন, সংবাদপত্র এবং এ জাতীয় অন্যকিছু অনলাইন গণমাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালার সঙ্গে অনলাইন নীতিমালা সামঞ্জস্য করা হবে। নিষ্পত্তিতে নির্দেশনা ও জরিমানার ব্যবস্থাও থাকবে।

এছাড়া আজকের মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে বাংলাদেশ চিনি (রাস্তাঘাট উন্নয়ন উপকর) আইন, কৃষিকাজে ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবস্থাপনা আইন এবং অধিগ্রহণকৃত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (চাকরির শর্তাদি নির্ধারণ) বিধিমালা ২০১৩-এর সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, মৌলভীবাজারে অতিবর্ষণে পাহাড় ধসে সেনা সদস্যসহ ১৬০ জন নিহত হওয়ায় শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত