শিরোনাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগ করলেই লাভ

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক  |  ২০:৩৩, জুলাই ১১, ২০১৯

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, বাংলাদেশ বিনিয়োগের জন্য উপযুক্ত স্থান। সরকার দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা প্রদান করছে। বিনিয়োগের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে বাংলাদেশ সরকার ওয়ান স্টপ সার্ভিন চালু করেছে। এখন দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিনিয়োগকারীরা সকল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে পারছেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশে ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোন গড়ে তোলা হচ্ছে। এর অনেকগুলোর কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। বিশ্বের অনেক বিনিয়োগকারী ইতোমধ্যে বিনিয়োগের জন্য এগিয়ে এসেছে। তাই মালয়েশিয়ার বিনিয়োগকারীরা এখানে বিনিয়োগ করলে লাভবান হবেন।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) ‌‘শোকেস বাংলাদেশ ২০১৯-গো গ্লোবাল’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইনাম আহমেদ, মালয়েশিয়ার আন্তর্জতিক বাণিজ্য ও শিল্প উপমন্ত্রী ড. ওয়াং কিয়াং মিং, বাংলাদেশের বায়রার সভাপতি বেনজির আহমেদ এমপিসহ মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত, উভয় দেশের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির উদ্যোগে এবং কুয়ালালামপুর বাংলাদেশ দূতাবাস, মালয়েশিয়া সাউথ সাউথ এ্যাসোসিয়েশন ও মালয়েশিয়ার এক্সটার্নাল ট্রেড ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের সহযোগিতায় ৪র্থ বারের মত মালয়েশিয়ায় এর আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য বাণিজ্যমন্ত্রী গত বুধবার রাতে ঢাকা ত্যাগ করেন। আজ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

উল্লেখ্য, গত ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া ১,৫৯৫.৪৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের বাণিজ্য হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি করেছে ২৩২.৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মুল্যের পণ্য, একই সময়ে আমদানি করেছে ১,৩৬৩.০৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য।

বাংলাদেশ থেকে প্রধানতঃ তৈরি পোশাক, প্রক্রিয়াজাত খাবার, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, হিমায়িত চিংড়ি রপ্তানি হয়। মালয়েশিয়ায় হালাল পণ্যের প্রচুর চাহিদা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশকে ব্রান্ডিং করতে দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং মালয়েশিয়ান শিল্প কারখানা বাংলাদেশে গড়ে তোলার উপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া বাণিজ্যমন্ত্রী আজ কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতায় মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশী ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সাথে মতবিনিময় করবেন। এরপরই আগামীকাল তিনি দেশে ফিরবেন বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

আরআর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত