শিরোনাম

কৃষি কলসেন্টারে উপকৃত চাষিরা

প্রিন্ট সংস্করণ॥নিজস্ব প্রতিবেদক  |  ০১:০৪, এপ্রিল ১৬, ২০১৯

কৃষি জমি দিনের পর দিন কমে যাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বৈরি আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এর মাঝেও ইর্ষণীয় সাফল্য এ সেক্টরে। প্রযুক্তির ছোঁয়ায় দ্রুতই বদলে যাচ্ছে কৃষির চিত্র। প্রযুক্তি ব্যবহারের সুবিধা থাকায় চাষিরা হচ্ছেন উপকৃত। এ সেক্টরে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে ‘কৃষি কলসেন্টার’। কৃষিবিষয়ক বিভিন্ন সেবা দিচ্ছে ১৬১২৩ এই নাম্বার। বিশেষ করে তৃণমূলপর্যায়ের কৃষকদের জন্য এটা এক যুগান্তকারী কার্যক্রম। এতে সুবিধাভোগ করছে হাজারো কৃষক পরিবার। যে কেউ তার মোবাইল বা টেলিফোন নম্বর থেকে ১৬১২৩ নম্বরে ফোন দিলেই অপর প্রান্ত থেকে জানতে চাওয়া হবে কৃষি, মৎস্য বা প্রাণী— কোন বিষয়ে জানতে চাওয়া হচ্ছে। নির্দিষ্ট তথ্যের জন্য নির্দিষ্ট নম্বরে প্লেস করতে হবে। এরপর অপর প্রান্ত থেকে সমস্যার কথা শুনে প্রয়োজনীয় তথ্যসেবা দেয়া হবে। শুক্রবার ও অন্যান্য সরকারি ছুটির দিন ছাড়া সকাল ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এ সেবা চালু থাকে। কৃষি কলসেন্টারে স্নাতক কৃষি, পশুচিকিৎসক এবং মৎস্যবিদরা সেবা প্রদান করেন। এছাড়াও কিছু বিশেষজ্ঞ আছেন, যাদের সাথে প্রয়োজনে কলসেন্টার গ্রাহককে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সরাসরি যোগাযোগ করিয়ে দেয়া হয়।কৃষি তথ্য সার্ভিস সূত্রে জানাগেছে, কলসেন্টারটি স্থাপনে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি অথরিটির দেয়া গাইডলাইন অনুসরণ করা হচ্ছে। ফোনকল পরিচালনার জন্য আইভিআর এবং কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম অ্যান্ড ক্ল্যায়েন্ট ম্যানেজমেন্ট অত্যাধুনিক সফটওয়ার দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, কৃষি তথ্য সার্ভিস ও প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশন বাংলাদেশের ২০১১ সালের জুন মাসে কলসেন্টার বিষয়ে একটি প্রাথমিক দ্বিপক্ষীয় চুক্তি মোতাবেক খামারবাড়িতে সেন্টারটি স্থাপন করা হয়। ২০১২ সালের জুন মাসে পরীক্ষামূলকভাবে এর কার্যক্রম শুরু হয়। নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও এ সেন্টারের মাধ্যমে প্রতিদিন পাঁচশতাধিক কৃষককে কৃষিসংক্রান্ত সমস্যার সমাধান দেয়া হচ্ছে। এ সেন্টারের ব্যবস্থাপনা আরও উন্নত করতে পারলে তথ্যপ্রযুক্তিতে কৃষি উন্নয়নের নতুন দ্বার উন্মোচন হবে।
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত